ঢাকা ০৪:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নির্বাচন সামনে রেখে লুটের অস্ত্র উদ্ধার নিয়ে  শঙ্কা, নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ গোপালগঞ্জের শ্রমিক নেতা বাসু হত্যা: এক দশক পর পাঁচ আসামির মৃত্যুদণ্ড উড়োজাহাজ বিধ্বস্তে মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারসহ পাঁচজন নিহত ইরানের দিকে আরও মার্কিন সামরিক বহর: চাপ ও সমঝোতার বার্তায় বাড়ছে উত্তেজনা সেন্টমার্টিন ও টেকনাফে নবনির্মিত দুটি বিওপি উদ্বোধন করলেন বিজিবি মহাপরিচালক জাতীয় স্বার্থে বৈদেশিক নীতিতে ন্যূনতম রাজনৈতিক ঐক্যের আহ্বান নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপের ঘটনা চট্টগ্রামের বিশ্বযুদ্ধ সমাধিক্ষেত্রে মানবতার স্মরণে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের শ্রদ্ধা বেতন বাড়ানোর ক্ষমতা নেই অন্তর্বর্তী সরকারের, সিদ্ধান্ত নেবে পরবর্তী সরকার নির্বাচনে জনগণের আস্থা রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্কতার নির্দেশ ড. ইউনূসের

ভারত থেকে ৬ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দৈনিক

বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৯:০৪:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৫২ বার পড়া হয়েছে

ভারত থেকে ৬ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দৈনিক

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশে বাজারে পেঁয়াজের দাম সহনীয় রাখতে প্রতিদিন ভারত থেকে ৬ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি দিল ঢাকা। পেঁয়াজের দাম সহনীয় পর্যায়ে আনতে ভারত থেকে প্রতিদিন ৬ হাজার টন করে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দিলো ইউনূস সরকার। এ সিদ্ধান্তের আওতায় আট দিনে মোট ১৯ হাজার ৫০০ টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

দেশটির কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) জানিয়েছে, আমদানির পরিমাণ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত কার্যকরের প্রথম দিনেই ২০০টি আইপি (ইমপোর্ট পারমিট বা আমদানি অনুমতিপত্র) ইস্যু করা হয়েছে। এসব আইপির বিপরীতে আমদানিকারকেরা প্রতিদিন নির্ধারিত পরিমাণ পেঁয়াজ আনতে পারবেন। তবে প্রতিটি আইপির আওতায় সর্বোচ্চ ৩০ টনের বেশি পেঁয়াজ আমদানি করা যাবে না।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক বনি আমিন খান জানান, এর আগে গত ৭ ডিসেম্বর সরকার প্রতিদিন ৫০টি আইপির বিপরীতে দেড় হাজার টন করে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দিয়েছিল। কিন্তু সে উদ্যোগেও বাজারে দেশি পেঁয়াজের দাম সহনীয় না হওয়ায় আট দিনের মাথায় দৈনিক আমদানির পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছে।

বাংলাদেশ ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) প্রকাশিত বাজারদরের তথ্যে দেখা যায়, রোববার ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন বাজারে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে কেজিপ্রতি ৮০ থেকে ১৪০ টাকা দরে। তুলনামূলকভাবে ২০২৪ সালের ১৪ ডিসেম্বর দেশি পেঁয়াজের দাম ছিল কেজিতে সর্বনিম্ন ৯০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১২৫ টাকা।

যদিও ৭ ডিসেম্বর থেকে স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় পেঁয়াজ দেশে প্রবেশ করছে, তবে রোববার পর্যন্ত টিসিবির বাজারদরের তালিকায় আমদানিকৃত পেঁয়াজের দামের তথ্য যুক্ত করা হয়নি। বাংলাদেশের বিভিন্ন বাজারে  দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে কেজিতে প্রায় ১৫০ টাকা দরে। অন্যদিকে ভারত থেকে আমদানি করা বড় আকারের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকা কেজিতে।

মাঝারি ও ছোট আকারের আমদানিকৃত পেঁয়াজের দাম ১১০ টাকা কেজি। গত শুক্রবার ঢাকার বাজারে ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছিল ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি দরে। মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে আমদানিকৃত পেঁয়াজের দাম কেজিতে প্রায় ৩০ টাকা বেড়েছে। সরকার আশা করছে, আমদানির পরিমাণ বাড়ানোর ফলে বাজারে সরবরাহ বৃদ্ধি পাবে এবং শিগগিরই পেঁয়াজের দামে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ভারত থেকে ৬ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দৈনিক

আপডেট সময় : ০৯:০৪:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশে বাজারে পেঁয়াজের দাম সহনীয় রাখতে প্রতিদিন ভারত থেকে ৬ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি দিল ঢাকা। পেঁয়াজের দাম সহনীয় পর্যায়ে আনতে ভারত থেকে প্রতিদিন ৬ হাজার টন করে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দিলো ইউনূস সরকার। এ সিদ্ধান্তের আওতায় আট দিনে মোট ১৯ হাজার ৫০০ টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

দেশটির কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) জানিয়েছে, আমদানির পরিমাণ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত কার্যকরের প্রথম দিনেই ২০০টি আইপি (ইমপোর্ট পারমিট বা আমদানি অনুমতিপত্র) ইস্যু করা হয়েছে। এসব আইপির বিপরীতে আমদানিকারকেরা প্রতিদিন নির্ধারিত পরিমাণ পেঁয়াজ আনতে পারবেন। তবে প্রতিটি আইপির আওতায় সর্বোচ্চ ৩০ টনের বেশি পেঁয়াজ আমদানি করা যাবে না।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক বনি আমিন খান জানান, এর আগে গত ৭ ডিসেম্বর সরকার প্রতিদিন ৫০টি আইপির বিপরীতে দেড় হাজার টন করে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দিয়েছিল। কিন্তু সে উদ্যোগেও বাজারে দেশি পেঁয়াজের দাম সহনীয় না হওয়ায় আট দিনের মাথায় দৈনিক আমদানির পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছে।

বাংলাদেশ ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) প্রকাশিত বাজারদরের তথ্যে দেখা যায়, রোববার ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন বাজারে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে কেজিপ্রতি ৮০ থেকে ১৪০ টাকা দরে। তুলনামূলকভাবে ২০২৪ সালের ১৪ ডিসেম্বর দেশি পেঁয়াজের দাম ছিল কেজিতে সর্বনিম্ন ৯০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১২৫ টাকা।

যদিও ৭ ডিসেম্বর থেকে স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় পেঁয়াজ দেশে প্রবেশ করছে, তবে রোববার পর্যন্ত টিসিবির বাজারদরের তালিকায় আমদানিকৃত পেঁয়াজের দামের তথ্য যুক্ত করা হয়নি। বাংলাদেশের বিভিন্ন বাজারে  দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে কেজিতে প্রায় ১৫০ টাকা দরে। অন্যদিকে ভারত থেকে আমদানি করা বড় আকারের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকা কেজিতে।

মাঝারি ও ছোট আকারের আমদানিকৃত পেঁয়াজের দাম ১১০ টাকা কেজি। গত শুক্রবার ঢাকার বাজারে ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছিল ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি দরে। মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে আমদানিকৃত পেঁয়াজের দাম কেজিতে প্রায় ৩০ টাকা বেড়েছে। সরকার আশা করছে, আমদানির পরিমাণ বাড়ানোর ফলে বাজারে সরবরাহ বৃদ্ধি পাবে এবং শিগগিরই পেঁয়াজের দামে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে।