ঢাকা ১১:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলাদেশ নিয়ম-ভিত্তিক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে সমর্থন করে: তৌহিদ হোসেন প্রত্যেকটি অন্যায়ের বিচার চাইলে গণতান্ত্রিক সরকার অপরিহার্য, তারেক রহমান গোপালগঞ্জ-৩: প্রার্থিতা ফিরে পেলেন হিন্দু মহাজোটের গোবিন্দ প্রামানিক কাঁদছে জলহারা প্রমত্তা ব্রহ্মপুত্র, বুকে তার ধু ধু বালুচর ৫৬ পর্যবেক্ষক মোতায়েন, নির্বাচন পর্যবেক্ষণে  এখনই অতি সতর্কতার প্রয়োজন নেই: ইইউ ইরান ভেনেজুয়েলা নয়: ট্রাম্পের জন্য সহজ নয় জয়ের পথ গুমের শিকার পরিবারগুলোর পাশে তারেক রহমান, মানবিক আবেগে ভরা মতবিনিময় সভা খালেদা জিয়াকে ‘স্লো পয়জন’ দেওয়া হয়েছিল: ডা. এফ এম সিদ্দিকীর গুরুতর অভিযোগ কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ: রংপুরে বাংলাদেশ কৃষক ঐক্য ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় সমাবেশ ২১ দিন লাশের সঙ্গে বসবাস: ঋণ-বিবাদে নৃশংসভাবে খুন মা ও কিশোরী মেয়ে

বোয়িং-অ্যামাজনের মতো বড় বড় কোম্পানি বাংলাদেশে ব্যবসা করতে চায়

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:২৬:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪ ২১৫ বার পড়া হয়েছে

বোয়িং-অ্যামাজনের মতো বড় বড় কোম্পানি বাংলাদেশে ব্যবসা করতে চায়

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু বলেছেন, বাংলাদেশের বাজারে অ্যামাজন, বোয়িং, কোক, শেভরন ও টেলকোসহ বড় বড় মার্কিন কোম্পানি ব্যবসা করতে চায়। মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চ পর্যায়ের বাণিজ্য প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে এ কথা বলেন তিনি।

বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, অ্যামাজন সবচেয়ে বড় ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম। আমরা সেন্টার ওয়্যারিং হাউস তৈরি করবো। তারা সেখান থেকে পণ্যগুলো সংগ্রহ করবে। এরপর আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিকভাবে বিক্রি করবে।

তিনি আরো বলেন, যেসব মার্কিন কোম্পানি বাংলাদেশে অপারেট করে তারা যেন সহজে ব্যবসা করতে পারে, সেসব বিষয়ে আমরা আলোচনা করেছি। ব্যবসায় যেন কোনো প্রতিবন্ধকতা না থাকে সেসব নিয়েও আলোচনা হয়েছে। এছাড়া নতুন নতুন যেসব আমেরিকান কোম্পানি বাংলাদেশে ব্যবসা করতে আগ্রহী, তারা কীভাবে বাংলাদেশের পণ্য এখানে যুক্ত করতে পারে এবং কীভাবে বাংলাদেশের মার্কেট এই গ্লোবাল সাপ্লাই চেইনে যুক্ত হতে পারে, এসব সুযোগ-সুবিধা আমাদের এখানে আসছে।

আহসানুল ইসলাম টিটু বলেন, আমাদের ৯০ শতাংশ ব্যবসা গার্মেন্টসে। বৈঠকে গার্মেন্টসের কেউ ছিল না। তারা মূলত এ দেশের ই-কমার্স ইনফ্রাসট্রাকচার, ই-কমার্স বিজনেস থেকে শুরু করে এ দেশের জ্বালানি নিরাপত্তার বিভিন্ন প্রসঙ্গে কথা বলেছে। এখানে বোয়িং, শেভরন, টেলকো, মাস্টার কার্ড ও ভিসা কার্ডের প্রতিনিধিরা ছিল।

বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের নেগেটিভ কোনো আলোচনা হয়নি, সব পজিটিভ আলোচনা হয়েছে। আমরা একক কোনো কোম্পানির ব্যবসায়িক প্রমোশনের জন্য এখানে বসিনি। মার্কিন কোম্পানিগুলো আমাদের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করার ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে এসেছে। তাদের আসার মাধ্যমে আমাদের নতুন বাজার সম্প্রসারণ এবং নতুন কোম্পানি এ দেশে আসার পথ উন্মুক্ত হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বোয়িং-অ্যামাজনের মতো বড় বড় কোম্পানি বাংলাদেশে ব্যবসা করতে চায়

আপডেট সময় : ১১:২৬:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪

 

বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু বলেছেন, বাংলাদেশের বাজারে অ্যামাজন, বোয়িং, কোক, শেভরন ও টেলকোসহ বড় বড় মার্কিন কোম্পানি ব্যবসা করতে চায়। মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চ পর্যায়ের বাণিজ্য প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে এ কথা বলেন তিনি।

বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, অ্যামাজন সবচেয়ে বড় ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম। আমরা সেন্টার ওয়্যারিং হাউস তৈরি করবো। তারা সেখান থেকে পণ্যগুলো সংগ্রহ করবে। এরপর আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিকভাবে বিক্রি করবে।

তিনি আরো বলেন, যেসব মার্কিন কোম্পানি বাংলাদেশে অপারেট করে তারা যেন সহজে ব্যবসা করতে পারে, সেসব বিষয়ে আমরা আলোচনা করেছি। ব্যবসায় যেন কোনো প্রতিবন্ধকতা না থাকে সেসব নিয়েও আলোচনা হয়েছে। এছাড়া নতুন নতুন যেসব আমেরিকান কোম্পানি বাংলাদেশে ব্যবসা করতে আগ্রহী, তারা কীভাবে বাংলাদেশের পণ্য এখানে যুক্ত করতে পারে এবং কীভাবে বাংলাদেশের মার্কেট এই গ্লোবাল সাপ্লাই চেইনে যুক্ত হতে পারে, এসব সুযোগ-সুবিধা আমাদের এখানে আসছে।

আহসানুল ইসলাম টিটু বলেন, আমাদের ৯০ শতাংশ ব্যবসা গার্মেন্টসে। বৈঠকে গার্মেন্টসের কেউ ছিল না। তারা মূলত এ দেশের ই-কমার্স ইনফ্রাসট্রাকচার, ই-কমার্স বিজনেস থেকে শুরু করে এ দেশের জ্বালানি নিরাপত্তার বিভিন্ন প্রসঙ্গে কথা বলেছে। এখানে বোয়িং, শেভরন, টেলকো, মাস্টার কার্ড ও ভিসা কার্ডের প্রতিনিধিরা ছিল।

বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের নেগেটিভ কোনো আলোচনা হয়নি, সব পজিটিভ আলোচনা হয়েছে। আমরা একক কোনো কোম্পানির ব্যবসায়িক প্রমোশনের জন্য এখানে বসিনি। মার্কিন কোম্পানিগুলো আমাদের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করার ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে এসেছে। তাদের আসার মাধ্যমে আমাদের নতুন বাজার সম্প্রসারণ এবং নতুন কোম্পানি এ দেশে আসার পথ উন্মুক্ত হবে।