ঢাকা ০৪:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নেতানিয়াহুর বেঁচে থাকার প্রমাণ ভুয়া নাকি আসল? ৫ আঙুল দেখানো ভিডিওই ডিপফেক? মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধমঞ্চে ইরানের দাপট, পাল্টে গেল হিসাব! জিয়ার ঐতিহাসিক উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় আবারও খাল খনন শুরু করলেন তারেক রহমান ক্যামেলী পালের কবিতা ‘চাইলেই কি যাওয়া যায়’ ধর্মপাশায় বৃষ্টিতে স্বস্তি, প্রাণ ফিরে পেল বোরো আবাদ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ‘কৃষক কার্ড’ বিষয়ে বৈঠক সংস্কার পরিষদের সাংবিধানিক অস্তিত্ব নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইরানের প্রতিবেশীদের উসকে দিতে ‘ভুয়া ড্রোন’ কৌশল যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের কয়েকটি তেলের জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে, রেশনিং তুলে নেওয়ার ঘোষণা বহুদলীয় গণতন্ত্র ও ধর্মীয় মূল্যবোধ রক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর: তথ্যমন্ত্রী

নিরাপদ ও গুণগত চিংড়ি উৎপাদন নিশ্চিত করা জরুরি: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৫:১৯:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫ ২২১ বার পড়া হয়েছে

নিরাপদ ও গুণগত চিংড়ি উৎপাদন নিশ্চিত করা জরুরি: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মৎস্য প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, চিংড়ির উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি নিরাপদ গুণগত উৎপাদন নিশ্চিত করা এখন সময়ের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে গুড অ্যাকুয়াকালচার প্র্যাকটিস অনুসরণ এবং অ্যান্টিবায়োটিকমুক্ত চিংড়ি উৎপাদন নিশ্চিত করা জরুরি।

সোমবার কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বদরখালী ইউনিয়নের রামপুর মৌজায় অবস্থিত ৪৮ একর আয়তনের প্রদর্শনী চিংড়ি খামারে মৎস্য অধিদপ্তরাধীন সরকারি চিংড়ি এস্টেটের ইজারাগ্রহীতা চাষিদের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী বাগদা চিংড়ি দেশের একটি বিশেষ পরিচয় বহন করে। এর সুনাম রক্ষা করা আমাদের সবার দায়িত্ব। অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার বন্ধ না হলে রপ্তানি বাজারে ঝুঁকি তৈরি হবে বলে তিনি সতর্ক করেন। একই সঙ্গে চিংড়ি চাষের সঙ্গে ম্যানগ্রোভ বা প্যারাবন সংরক্ষণ এবং পরিবেশবান্ধব ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

নিরাপদ ও গুণগত চিংড়ি উৎপাদন
নিরাপদ ও গুণগত চিংড়ি উৎপাদন

চিংড়ি চাষিদের নিরাপত্তা, ভূমি ব্যবস্থাপনা অবকাঠামোগত সমস্যার বিষয়ে উপদেষ্টা বলেন, এসব সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সঙ্গে সমন্বয় করা হবে। সরকার চাষিদের যৌথ প্রচেষ্টায় বাগদা চিংড়িকে দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের একটি গুরুত্বপূর্ণ খাতে পরিণত করা সম্ভব হবে।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. জিয়া হায়দার চৌধুরী, মৎস্য প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. হেমায়েত হোসেন, যুগ্ম সচিব . আবু নঈম মুহাম্মদ আবদুছ ছবুর, মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক . মো. মোতালেব হোসেন, কক্সবাজার চিংড়ি চাষ সম্প্রসারণ অঞ্চলের উপপরিচালক অধীর চন্দ্র দাস এবং জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. নাজমুল হুদা।

উল্লেখ্য, চকরিয়ার রামপুর মৌজায় অবস্থিত ,০২১.৭৬ একর আয়তনের সরকারি চিংড়ি এস্টেটটি পর্যায়ক্রমে মৎস্য অধিদপ্তরের কাছে হস্তান্তর করা হয়। বর্তমানে বিভিন্ন প্লট ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানের কাছে দীর্ঘমেয়াদি ইজারায় পরিচালিত হচ্ছে। এর আগে উপদেষ্টা বদরখালী ইউনিয়নের দক্ষিণ মগনামা পাড়ার শিখি পড়ি বিদ্যালয় পরিদর্শন এবং স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

নিরাপদ ও গুণগত চিংড়ি উৎপাদন নিশ্চিত করা জরুরি: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

আপডেট সময় : ০৫:১৯:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫

মৎস্য প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, চিংড়ির উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি নিরাপদ গুণগত উৎপাদন নিশ্চিত করা এখন সময়ের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে গুড অ্যাকুয়াকালচার প্র্যাকটিস অনুসরণ এবং অ্যান্টিবায়োটিকমুক্ত চিংড়ি উৎপাদন নিশ্চিত করা জরুরি।

সোমবার কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বদরখালী ইউনিয়নের রামপুর মৌজায় অবস্থিত ৪৮ একর আয়তনের প্রদর্শনী চিংড়ি খামারে মৎস্য অধিদপ্তরাধীন সরকারি চিংড়ি এস্টেটের ইজারাগ্রহীতা চাষিদের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী বাগদা চিংড়ি দেশের একটি বিশেষ পরিচয় বহন করে। এর সুনাম রক্ষা করা আমাদের সবার দায়িত্ব। অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার বন্ধ না হলে রপ্তানি বাজারে ঝুঁকি তৈরি হবে বলে তিনি সতর্ক করেন। একই সঙ্গে চিংড়ি চাষের সঙ্গে ম্যানগ্রোভ বা প্যারাবন সংরক্ষণ এবং পরিবেশবান্ধব ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

নিরাপদ ও গুণগত চিংড়ি উৎপাদন
নিরাপদ ও গুণগত চিংড়ি উৎপাদন

চিংড়ি চাষিদের নিরাপত্তা, ভূমি ব্যবস্থাপনা অবকাঠামোগত সমস্যার বিষয়ে উপদেষ্টা বলেন, এসব সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সঙ্গে সমন্বয় করা হবে। সরকার চাষিদের যৌথ প্রচেষ্টায় বাগদা চিংড়িকে দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের একটি গুরুত্বপূর্ণ খাতে পরিণত করা সম্ভব হবে।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. জিয়া হায়দার চৌধুরী, মৎস্য প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. হেমায়েত হোসেন, যুগ্ম সচিব . আবু নঈম মুহাম্মদ আবদুছ ছবুর, মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক . মো. মোতালেব হোসেন, কক্সবাজার চিংড়ি চাষ সম্প্রসারণ অঞ্চলের উপপরিচালক অধীর চন্দ্র দাস এবং জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. নাজমুল হুদা।

উল্লেখ্য, চকরিয়ার রামপুর মৌজায় অবস্থিত ,০২১.৭৬ একর আয়তনের সরকারি চিংড়ি এস্টেটটি পর্যায়ক্রমে মৎস্য অধিদপ্তরের কাছে হস্তান্তর করা হয়। বর্তমানে বিভিন্ন প্লট ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানের কাছে দীর্ঘমেয়াদি ইজারায় পরিচালিত হচ্ছে। এর আগে উপদেষ্টা বদরখালী ইউনিয়নের দক্ষিণ মগনামা পাড়ার শিখি পড়ি বিদ্যালয় পরিদর্শন এবং স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।