নতুন গবেষণা : সহিংস ৫০ দেশের তালিকায় যুক্তরাষ্ট্র
- আপডেট সময় : ০৮:২৪:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১৮০ বার পড়া হয়েছে
ওয়াশিংটনে হোয়াইট হাউজের কাছে জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যুর প্রতিবাদ করছেন বিক্ষোভকারীরা (ফাইল ফটো) ২ জুন ২০২০
যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতি নিয়ে সম্প্রতি উদ্বেগ বেড়েছে। বর্ণবাদের কারণে সেখানে সহিংসতা বাড়ছে। সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বিভিন্ন সময়ই এ নিয়ে কথা বলেছেন, উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এই পরিস্থিতি নতুন এক গবেষণায় বিশ্বে ৫০টি সহিংসতাপ্রবণ দেশের তালিকায় নাম এসেছে যুক্তরাষ্ট্রের। পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যে শুধু যুক্তরাষ্ট্রের নাম এসেছে এ তালিকায়
ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
বিশ্বজুড়ে রাজনৈতিক সহিংসতার মাত্রা নির্ধারণ করেছে এমন একটি নতুন গবেষণায় দেখা গেছে, বিশ্বের সবচেয়ে সংঘাত প্রবণ ৫০ টি দেশের মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। আর এই তালিকায় যুক্তরাষ্ট্রই একমাত্র পশ্চিমা দেশ।
আর্মড কনফ্লিক্ট লোকেশন অ্যান্ড ইভেন্ট ডেটা প্রজেক্ট বা এসিএলইডি প্রতিবেদনে, যুক্তরাষ্ট্র এই তালিকায় আসার অন্যতম কারণ হিসেবে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক সহিংসতা এবং উগ্র ডান-পন্থী গোষ্ঠীগুলোর বিস্তার লাভকে উল্লেখ করা হয়েছে। ভয়েস অব আমেরিকার প্রতিবেদনে একথা বলা হয়েছে।
এই গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ইউসকনসিন অঙ্গরাজ্যভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আর্মড কনফ্লিক্ট লোকেশন অ্যান্ড ইভেন্ট ডেটা প্রজেক্ট (এসিএলইডি)। প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বের ২৪০টি দেশ ও অঞ্চলের তথ্য সংগ্রহ করে গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করে। তাতে বলা হয়েছে, দেশগুলোয় রাজনৈতিক কারণে সহিংসতা বেড়েছে।
সংস্থাটি বিশ্বব্যাপী রাজনৈতিক সহিংসতার ১ লাখ ৩৯ হাজারের বেশি ঘটনা নথিভূক্ত করেছে। এ সংখ্যা আগের বছরের তুলনায় ২৭ শতাংশ বেশি। এক বছরে সংগৃহীত উপাত্ত-এর ওপর ভিত্তি করে প্রতিটি দেশ ও অঞ্চলকে চারটি নির্দেশকের মাত্রার ভিত্তিতে সংঘাত সূচকে ক্রম-অনুসারে তালিকাভুক্ত করে এসিএলইডি। এই নির্দেশকগুলো হলো মৃত্যু-আশঙ্কার তীব্রতা, বেসামরিক ব্যক্তিদের জন্য বিপদের মাত্রা, ভৌগলিক বিস্তৃতি এবং সশস্ত্র বাহিনীর সংখ্যা ও বিভক্তি।

বেশিরভাগ দেশই কমপক্ষে একটি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনার মুখোমুখি হয়েছে। তবে, এই ৫০টি দেশকে, উচ্চ মাত্রার সংঘাতের কারণে চরম, উচ্চ, বা অশান্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
বিশ্বের সবচেয়ে বেশি সশস্ত্র গোষ্ঠী রয়েছে মিয়ানমারে। এই পরিস্থিতি নিয়ে দেশটি চরম পর্যায়ভুক্ত হয়ে তালিকার শীর্ষে রয়েছে। এরপরই রয়েছে সিরিয়া ও মেক্সিকো। লিবিয়া, ঘানা ও চাদ-সহ আফ্রিকা ও এশিয়ার ১৯টি দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রকে অশান্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
এসিএলইডি’র যোগাযোগ বিভাগের প্রধান স্যাম জোনস বলেন, এই তালিকায় যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান প্রমাণ করে, রাজনৈতিক সহিংসতা শুধু দরিদ্র বা অগণতান্ত্রিক দেশেগুলোতেই সীমাবদ্ধ নয়।
জোনস বলেন, বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপত্তাহীনতা এবং সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিভাজন; বিশেষ করে, এই দুটি সূচকের অবনতির কারণে যুক্তরাষ্ট্র এ তালিকায় এসেছে।



















