ঢাকা ০১:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলাদেশ নিয়ম-ভিত্তিক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে সমর্থন করে: তৌহিদ হোসেন সন্তান হারা মায়ের বুকফাটা আর্তনাদ যেন হাজারো গুমের শিকার পরিবারের নীরব চিৎকার গোপালগঞ্জ-৩: প্রার্থিতা ফিরে পেলেন হিন্দু মহাজোটের গোবিন্দ প্রামানিক কাঁদছে জলহারা প্রমত্তা ব্রহ্মপুত্র, বুকে তার ধু ধু বালুচর ৫৬ পর্যবেক্ষক মোতায়েন, নির্বাচন পর্যবেক্ষণে  এখনই অতি সতর্কতার প্রয়োজন নেই: ইইউ ইরান ভেনেজুয়েলা নয়: ট্রাম্পের জন্য সহজ নয় জয়ের পথ গুমের শিকার পরিবারগুলোর পাশে তারেক রহমান, মানবিক আবেগে ভরা মতবিনিময় সভা খালেদা জিয়াকে ‘স্লো পয়জন’ দেওয়া হয়েছিল: ডা. এফ এম সিদ্দিকীর গুরুতর অভিযোগ কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ: রংপুরে বাংলাদেশ কৃষক ঐক্য ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় সমাবেশ ২১ দিন লাশের সঙ্গে বসবাস: ঋণ-বিবাদে নৃশংসভাবে খুন মা ও কিশোরী মেয়ে

দক্ষিণ আফ্রিকার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দল নিয়ে বিতর্ক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:০৬:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ মে ২০২৪ ১৯৬ বার পড়া হয়েছে

দক্ষিণ আফ্রিকার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দল নিয়ে বিতর্ক

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করে সমালোচনার মুখে ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকা। ১৫ জনের দলে এক মাত্র কৃষ্ণাঙ্গ ক্রিকেটার কাগিসো রাবাডা। তা নিয়েই সরগরম সে দেশের ক্রীড়ামহল। ক্রিকেট কর্তাদের প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী ফিকিল এমবালুলা। ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকা এবং আইসিসির প্রাক্তন সভাপতি রে মালিও ক্ষুব্ধ।

দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটে সাদা-কালো সংঘাত নতুন নয়। এক সময় ব্রিটিশ শাসনে থাকা দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটে শ্বেতাঙ্গদের দাপট ছিল একচেটিয়া। যোগ্য হলেও জাতীয় দলে সুযোগ দেওয়া হত না কৃষ্ণাঙ্গ ক্রিকেটারদের। বর্ণবৈষম্যের জন্য আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দীর্ঘ দিন নির্বাসিত ছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। এ বারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দল দেখে সে দেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের একাংশের প্রশ্ন, দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেট কি আবার সেই অন্ধকার যুগে ফিরে যাচ্ছে?

দক্ষিণ আফ্রিকার নিয়ম অনুযায়ী, প্রথম একাদশে অন্তত দু’জন কৃষ্ণাঙ্গ ক্রিকেটার রাখতে হয়। এ ছাড়া চার জন মিশ্রবর্ণ এবং পাঁচ জন শ্বেতাঙ্গ ক্রিকেটার নিয়ে দল সাজানোর নিয়ম। তবে সব ম্যাচেই এ ভাবে প্রথম একাদশ তৈরির বাধ্যবাধকতা নেই। কোনও ম্যাচে বা প্রতিযোগিতায় মানা না গেলে পরবর্তী সময় এই ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য পদক্ষেপ করতে হয়।মৌসুম শেষে ক্রিকেটারদের অংশগ্রহণের ২-৪-৫ অনুপাত হিসাব করা হয়। ২০১৬ সাল থেকে এই অলিখিত নিয়ম চলে আসছে। কিন্তু ১৫ জনের দলেই রাবাডা ছাড়া কেউ না থাকায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সেই নিয়ম মানা সম্ভব হবে না।

বিশ্বকাপের দলে কৃষ্ণাঙ্গ ক্রিকেটার শুধু রাবাডা। মিশ্রবর্ণের পাঁচ জন আছেন। তারা হলেন রেজা হেনড্রিকস, বিয়র্ন ফোরটুইন, কেশব মহারাজ, তাবরেজ শামসি এবং ওটনিল বার্টম্যান। রিজার্ভ হিসাবে রয়েছেন আর এক কৃষ্ণাঙ্গ ক্রিকেটার লুঙ্গি এনগিডি।

দল নিয়ে ক্ষুব্ধ এমবালুলা বলেছেন, ‘‘আমরা আবার পিছন দিকে হাঁটতে শুরু করেছি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দল দক্ষিণ আফ্রিকার সব মানুষকে প্রতিনিধিত্ব করছে না।’’

সমালোচনা করেছেন মালিও। তিনি বলেছেন, ‘‘বিশ্বকাপের দল গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা অনেক কিছুই অর্জন করেছি। শুধু ক্রিকেটের ক্ষেত্রে পিছিয়ে যাচ্ছি। বুঝতে পারছি না দলে কেন এক জনের বেশি কৃষ্ণাঙ্গ ক্রিকেটার নেই।’’

তীব্র সমালোচনার মধ্যে মুখ খুলেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার সাদা বলের কোচ রব ওয়াল্টার। তিনি বলেছেন, ‘‘সময় পাল্টেছে। আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হল একটা চ্যাম্পিয়ন দল তৈরি করা। যে দল দক্ষিণ আফ্রিকাকে গর্বিত করবে। লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য আমাদের সেরা দল বেছে নিতে হয়েছে। যে দলের সম্ভাবনা বেশি, তেমন দলই নির্বাচন করা হয়েছে।’’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

দক্ষিণ আফ্রিকার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দল নিয়ে বিতর্ক

আপডেট সময় : ১২:০৬:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ মে ২০২৪

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করে সমালোচনার মুখে ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকা। ১৫ জনের দলে এক মাত্র কৃষ্ণাঙ্গ ক্রিকেটার কাগিসো রাবাডা। তা নিয়েই সরগরম সে দেশের ক্রীড়ামহল। ক্রিকেট কর্তাদের প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী ফিকিল এমবালুলা। ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকা এবং আইসিসির প্রাক্তন সভাপতি রে মালিও ক্ষুব্ধ।

দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটে সাদা-কালো সংঘাত নতুন নয়। এক সময় ব্রিটিশ শাসনে থাকা দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটে শ্বেতাঙ্গদের দাপট ছিল একচেটিয়া। যোগ্য হলেও জাতীয় দলে সুযোগ দেওয়া হত না কৃষ্ণাঙ্গ ক্রিকেটারদের। বর্ণবৈষম্যের জন্য আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দীর্ঘ দিন নির্বাসিত ছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। এ বারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দল দেখে সে দেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের একাংশের প্রশ্ন, দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেট কি আবার সেই অন্ধকার যুগে ফিরে যাচ্ছে?

দক্ষিণ আফ্রিকার নিয়ম অনুযায়ী, প্রথম একাদশে অন্তত দু’জন কৃষ্ণাঙ্গ ক্রিকেটার রাখতে হয়। এ ছাড়া চার জন মিশ্রবর্ণ এবং পাঁচ জন শ্বেতাঙ্গ ক্রিকেটার নিয়ে দল সাজানোর নিয়ম। তবে সব ম্যাচেই এ ভাবে প্রথম একাদশ তৈরির বাধ্যবাধকতা নেই। কোনও ম্যাচে বা প্রতিযোগিতায় মানা না গেলে পরবর্তী সময় এই ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য পদক্ষেপ করতে হয়।মৌসুম শেষে ক্রিকেটারদের অংশগ্রহণের ২-৪-৫ অনুপাত হিসাব করা হয়। ২০১৬ সাল থেকে এই অলিখিত নিয়ম চলে আসছে। কিন্তু ১৫ জনের দলেই রাবাডা ছাড়া কেউ না থাকায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সেই নিয়ম মানা সম্ভব হবে না।

বিশ্বকাপের দলে কৃষ্ণাঙ্গ ক্রিকেটার শুধু রাবাডা। মিশ্রবর্ণের পাঁচ জন আছেন। তারা হলেন রেজা হেনড্রিকস, বিয়র্ন ফোরটুইন, কেশব মহারাজ, তাবরেজ শামসি এবং ওটনিল বার্টম্যান। রিজার্ভ হিসাবে রয়েছেন আর এক কৃষ্ণাঙ্গ ক্রিকেটার লুঙ্গি এনগিডি।

দল নিয়ে ক্ষুব্ধ এমবালুলা বলেছেন, ‘‘আমরা আবার পিছন দিকে হাঁটতে শুরু করেছি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দল দক্ষিণ আফ্রিকার সব মানুষকে প্রতিনিধিত্ব করছে না।’’

সমালোচনা করেছেন মালিও। তিনি বলেছেন, ‘‘বিশ্বকাপের দল গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা অনেক কিছুই অর্জন করেছি। শুধু ক্রিকেটের ক্ষেত্রে পিছিয়ে যাচ্ছি। বুঝতে পারছি না দলে কেন এক জনের বেশি কৃষ্ণাঙ্গ ক্রিকেটার নেই।’’

তীব্র সমালোচনার মধ্যে মুখ খুলেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার সাদা বলের কোচ রব ওয়াল্টার। তিনি বলেছেন, ‘‘সময় পাল্টেছে। আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হল একটা চ্যাম্পিয়ন দল তৈরি করা। যে দল দক্ষিণ আফ্রিকাকে গর্বিত করবে। লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য আমাদের সেরা দল বেছে নিতে হয়েছে। যে দলের সম্ভাবনা বেশি, তেমন দলই নির্বাচন করা হয়েছে।’’