ঢাকায় দুই দিনের জাতীয় রবীন্দসঙ্গীত উৎসব আয়োজন
- আপডেট সময় : ০৬:৩২:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ মে ২০২৩ ১৯৪ বার পড়া হয়েছে
সমাজের মলিনতা মুছিয়ে শুদ্ধ সাংস্কৃতির বিকাশে আমাদের বারবার রবীন্দ্রনাথের কাছে নিয়ে যায়
নিজস্ব প্রতিনিদি, ঢাকা
‘করিসনে লাজ, করিসনে ভয়, আপনাকে তুই করে নে জয়..’- রবীন্দ্রনাথের এই অমিয় বাণীকে ধারণ করে বাংলাদেশ রবীন্দ্র সঙ্গীত শিল্পী সংস্থা ১২ ও ১৩ মে দুই দিনের জাতীয় রবীন্দ্র সঙ্গীত উৎসবের আয়োজন করছে’।
কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের প্রভাব বাঙালি-জীবনে সর্বব্যাপী। এই ভ্রমাণ্ডের যে প্রান্তেই বাঙালি রয়েছেন, সেখানেই ২৫ বৈশাখ ও ২ শে শ্রাবণ আসে উৎসবের বেশে, স্মরণের মহিমায় উদ্ভাসিত হয়ে।
আগামী ২৯ ও ৩০ বৈশাখ তথা ১২ ও ১৩ মে ৩৪তম জাতীয় রবীন্দসঙ্গীত উৎসবের পর্দা ওঠবে। বাংলাদেশ রবীন্দ্র সঙ্গীত শিল্পী সংস্থা ১৬২তম রবীন্দ্রজয়ন্তী উপলক্ষে এই নন্দিনিক আয়োজনে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের শিল্পীরা অংশ নিয়ে থাকেন। আয়োজনের স্থান হিসাবে বেচে নেওয়া হয়েছে, ঢাকার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনষ্টিটিউট মিলনায়তনকে।
বরাবরই কোন স্বনামধন্য সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বকে সম্মাননা জানিয়ে আসছে বাংলাদেশ রবীন্দ্র সঙ্গীত শিল্পী সংস্থা। এবারেও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। সংগীতে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বিশিষ্ট গীটার বাদক এনামুল কবীর এবং রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী লিলি ইসলামকে সম্মাননা প্রদান করা হবে।
উৎসব আয়োজন সম্পর্কে শুক্রবার সাংবাদিক বৈঠকে আসেন রবীন্দ্র শিল্পী সংস্থার নির্বাহী সভাপতি আমিনা আহমেদ। সঙ্গে ছিলেন, সংস্থার সাধারণ সম্পাদক পীযুষ বড়ুয়া ও অন্যান্য সদস্যরা। শিল্পী সংস্থার উপদেষ্টা ও মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল আলম এসময় উপস্থিত ছিলেন। দেশের বাইরে থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন সংস্থার সভাপতি তপন মাহমুদ।
আমিনা আহমেদ বলেন, এরমধ্যে মোকাবিলা করতে হয়েছে, অনেক ঝড়-ঝঞ্জা-সংকট। কিন্তু তাঁকে আমরনা ছাড়তে পারিনি। বাংঙালিকে কিছুতেই রবীন্দ্র বিমুখ করা যায়নি। তিনি ছিলেন, আছেন এবং যতদিন বাঙালি থাকবে, বাঙলা ভাষা থাকবে, ততদিন রবীন্দ্রনাথ বাঙালির অন্তরে বিরাজমান থাকবেন। শুদ্ধ সংস্কৃতির বিকাশের পথে প্রতিবন্ধকতা যেন আমাদেরকে বার বার রবীন্দ্রনাথের কাছে নিয়ে যায়। তিনি প্রতিক্ষণ আমাদের জাতীয় ও প্রাত্যহিক বাঙালি জীবনের জন্য প্রাসঙ্গিক।
আমাদের বংশধরদের জন্য একটি সংকীর্ণতামুক্ত সংস্কৃতি রেখে যাবার লক্ষ্যে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ রবীন্দ্রসংঙ্গীত শিল্প সংস্থা। দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে সেই লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় এবারের উৎসব। যেখানে আমরা সম্মানিত করতে চাই বাংলা সংগীত বিকাশে কাজ করা দুজন গুণী মানুষকে। তারা হলেন প্রখ্যাত গিটার বাদক এনামুল কবীর এবং রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী লিলি ইসলাম।
১২ মে উৎসবের উদ্বোধন করবেন বাংলাদেশের জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। বিকাল ৫টায় শুরু হবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।




















