ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ তিন তরুণ গ্রেপ্তার
- আপডেট সময় : ০৭:৪৯:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১ ২৭৩ বার পড়া হয়েছে
সচেতনতা কর্মসূচি ফাইল ছবি
ট্রেনে পাথর ছোঁড়ার ঘটনায় তিন তরুণকে হাতেনাতে আটক করেছে রেল পুলিশ। বুধবারের ঘটনা। আকাশ রহমান (১৮), রিফাত ইসলাম (১৯) ও হাসান (১৯) ঢাকার বিমানবন্দর রেল স্টেশনে একতা এক্সপ্রেসে পাথর ছোঁড়ার সময় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। রেলওয়ে থানার ওসি
মাজহারুল হক জানান, বিমানবন্দর রেলস্টেশনে ঢাকার কমলাপুর থেকে পঞ্চগড়গামী একতা এক্সপ্রেস ট্রেনে পাথর নিক্ষেপের সময় তাদের আটক করা হয়। এ ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে।দেশেরপূর্ব-পশ্চিমাঞ্চলে চলন্ত ট্রেনে পাথর ছোড়ার ঘটনা উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। পাথর
ছোড়ার ঘটনায় প্রায়ই ট্রেনের চালক, সহকারী চালকসহ যাত্রীরা আহত হচ্ছেন। এমনকি জানালা বন্ধ রেখেও রেহাই মেলে না, জানালার কাঁচ ভেঙে অনেকে আহত হন।
গত ১৫ আগস্ট নীলফামারীর সৈয়দপুরে চলন্ত ট্রেনে পাথর ছোড়ার ঘটনায় পাঁচ বছর বয়সী এক শিশুর একটি চোখ নষ্ট হয়ে গিয়েছে। চলতি মাসে পাথর ছোড়ার অন্তত তিনটি পৃথক ঘটনায় আহত হয়েছেন তিনজন। এ নিয়ে সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
ট্রেনে পাথর ছোড়ার ঘটনা প্রায়ই ঘটে। এর ফলে যাত্রীরা আহত হচ্ছেন, অঙ্গহানি ঘটছে অনেকের। ২০১৩ সালে চট্টগ্রামে ভাটিয়ারী এলাকায় চলন্ত ট্রেনে পাথর ছোঁড়ার ঘটনায় প্রীতি দাশ নামে এক প্রকৌশলী মারা যান।
রেলওয়ে কর্মকর্তাদের ভাষ্যমতে, অনেক সময় শিশু-কিশোররা খেলার ছলে বা ইচ্ছাকৃতভাবে পাথর ছোড়ে। কোন কোন ক্ষেত্রে ডাকাতি ও ট্রেনের ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্যে দুর্বৃত্তরা চলন্ত ট্রেনে পাথর ছোড়ে। কিন্তু এদের কাউকেই সাধারণত শনাক্ত করা যায় না। যাত্রাপথে চলন্ত ট্রেন থামানো
হয় না। পরে ঘটনাস্থলে গিয়েও অপরাধের সঙ্গে জড়িত কারও হদিস মেলে না। ফলে কারা এই ঢিল ছুড়েছে, তাদের শনাক্ত করা কঠিন হয়ে যায়। কারণ, বেশিরভাগ ঘটনাই ঘটে প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে বা রাতের অন্ধকারে। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন সময় তাদের চিহ্নিত করার চেষ্টা করে চলেছে।

























