গোপালগঞ্জে ১০ হাজার পরিবার পেল শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্রের সহায়তা
- আপডেট সময় : ০৫:২৮:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ অগাস্ট ২০২১ ১৮১ বার পড়া হয়েছে
ছবি সংগ্রহ
বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া ও কোটালীপাড়ার ৮ হাজার পরিবারে খাদ্যসামগ্রী এবং ২ হাজার শিক্ষার্থীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে স্কুলব্যাগসহ শিক্ষা উপকরণ। খাদ্যসামগ্রী এবং শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেছে শেখ
রাসেল ক্রীড়া চক্র লিমিটেড। রবিবার দিনভর দুই উপজেলার বিভিন্ন স্থানে এসব উপকরণ বিতরণ করা হয়।
এ ছাড়া জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ তাঁর পরিবারের সব শহীদের আত্মার শান্তি কামনায় বিশেষ প্রার্থনা আয়োজন করা হয়। বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্রে নেতারা এবং স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা। পুরো আয়োজনের
নির্দেশনায় ছিলেন শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্রের চেয়ারম্যান ও বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীর। ক্লাবের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ক্রীড়া পরিচালক শেখ সালেহ জামান
সেলিম, পরিচালক মোহাম্মদ গোলাম, মাকসুদুর রহমান, সদস্য মেজর (অব.) শেখ মো. মিজানুর রহমান এবং মো. আমিনুল ইসলাম। খাদ্যসামগ্রীর প্যাকেটে ছিল ১০ কেজি চাল, দুই কেজি আলু,
দুই লিটার সয়াবিন তেল এবং এক কেজি করে ডাল ও লবণ। দৃষ্টিনন্দন স্কুলব্যাগের সঙ্গে ছিল ছয়টি খাতা, একটি করে পেনসিল বক্স, কলম, পেনসিল, শার্পনার, ইরেজার ও স্কেল।
কোটালীপাড়ায় ৬ হাজার প্যাকেট খাদ্যসামগ্রী এবং ১ হাজার শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়। সকাল থেকে শহীদ মিনার চত্বরে জড়ো হতে শুরু করেন উপকারভোগীরা। স্বাস্থ্যবিধি মেনে শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে তাঁরা অবস্থান করেন শিল্পকলা একাডেমির সামনের মাঠে। শোকের
মাসে আয়োজিত অনুষ্ঠানের শুরুতে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ভবেন্দ্রনাথ বিশ্বাস। বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান বিমল কৃষ্ণ বিশ্বাস, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান
হাওলাদার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আয়নাল হোসেন শেখ, পৌর মেয়র হাজী মো. কামাল হোসেন শেখ। বক্তব্যে শেখ সালেহ জামান সেলিম বলেন, ঘাতকেরা বঙ্গবন্ধু পরিবারকে সপরিবারে নিশ্চিহ্ন করে দিতে চেয়েছিল। শিশু শেখ রাসেলকে পর্যন্ত ছাড় দেওয়া
হয়নি। কিন্তু চাইলেই বঙ্গবন্ধু পরিবারকে মুছে ফেলা যায় না। শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র লিমিটেড শিশু শেখ রাসেলকে দেশে-বিদেশে তুলে ধরার অনন্য প্রয়াস।
পৌর মেয়র হাজী মো. কামাল হোসেন শেখ বলেন, শেখ রাসেলের স্মৃতি ধরে রাখতে বসুন্ধরা গ্রুপ যে দায়িত্ব নিয়েছে, তা কোটালীপাড়ার মানুষ শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে। বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি
সায়েম সোবহান আনভীরকে আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনা পছন্দ করেন। নেত্রী যাঁকে পছন্দ করেন, আমরাও তাঁকে ইজ্জত করি। আয়নাল হোসেন শেখ বলেন, বেগম মুজিব একজন মহীয়সী নারী। তিনি পাশে না থাকলে বঙ্গবন্ধু কখনই জাতির পিতা হতে পারতেন না।
এর আগে সকাল সোয়া ১০টায় দোয়া ও বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয় কোটালীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে। এ সময় উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতারা উপস্থিত
ছিলেন। বেগম ফলিাতুন নেছা মুজিবসহ বঙ্গবন্ধু পরিবারের সব শহীদের আত্মার শান্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
টুঙ্গিপাড়ায় ২ হাজার প্যাকেট খাদ্যসামগ্রী এবং ১ হাজার শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়। দুপুরে টুঙ্গিপাড়া হেলিপ্যাড চত্বরে বিভিন্ন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের কাছে এসব উপকরণ হস্তান্তর করা হয়। এরপর জাতির পিতার সমাধিসৌধ কমপ্লেক্স মসজিদে
জোহর নামাজের পরে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। শেষে জাতির পিতার সমাধিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্রের নেতারা। এ ছাড়া বঙ্গবন্ধু পরিবারের শহীদ সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।























