ঢাকা ১০:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলাদেশ নিয়ম-ভিত্তিক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে সমর্থন করে: তৌহিদ হোসেন প্রত্যেকটি অন্যায়ের বিচার চাইলে গণতান্ত্রিক সরকার অপরিহার্য, তারেক রহমান গোপালগঞ্জ-৩: প্রার্থিতা ফিরে পেলেন হিন্দু মহাজোটের গোবিন্দ প্রামানিক কাঁদছে জলহারা প্রমত্তা ব্রহ্মপুত্র, বুকে তার ধু ধু বালুচর ৫৬ পর্যবেক্ষক মোতায়েন, নির্বাচন পর্যবেক্ষণে  এখনই অতি সতর্কতার প্রয়োজন নেই: ইইউ ইরান ভেনেজুয়েলা নয়: ট্রাম্পের জন্য সহজ নয় জয়ের পথ গুমের শিকার পরিবারগুলোর পাশে তারেক রহমান, মানবিক আবেগে ভরা মতবিনিময় সভা খালেদা জিয়াকে ‘স্লো পয়জন’ দেওয়া হয়েছিল: ডা. এফ এম সিদ্দিকীর গুরুতর অভিযোগ কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ: রংপুরে বাংলাদেশ কৃষক ঐক্য ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় সমাবেশ ২১ দিন লাশের সঙ্গে বসবাস: ঋণ-বিবাদে নৃশংসভাবে খুন মা ও কিশোরী মেয়ে

করোনাকালীন সময়ে বড় অর্জন : বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ ছাড়ালো ৪৮ বিলিয়ন ডলার

ভয়েস রিপোর্ট, ঢাকা
  • আপডেট সময় : ১০:৫০:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ অগাস্ট ২০২১ ২৮২ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি: সংগৃহীত

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ’র দিক দিয়ে করোনাকালীন সময়েও বাংলাদেশের বড় অর্জন। এরই

মধ্যেই মঙ্গলবার রিজার্ভ মজুদ ছাড়ালো ৪৮ বিলিয়ন ডলার। কোন দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতার

বিচারে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ হচ্ছে অন্যতম। এদিন প্রথমবারের মত বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ

৪৮ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গিয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ ৪ লাখ ৮ হাজার ৩৬৫ কোটি

টাকা। করোনার এই কঠিন সময়ে এটাকে বড় অর্জন হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ বাড়ার অর্থ হলো দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড

অনুযায়ী, একটি দেশের কাছে অন্তত তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর সমপরিমাণ বিদেশি

মুদ্রার মজুত থাকতে হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের এ রিজার্ভ দিয়ে কমপক্ষে ১০ মাসের আমদানি ব্যয়

পরিশোধ করা সম্ভব। ব্যাংকাররা বলছেন, সংকটে পড়লে এ রিজার্ভ অর্থনীতির গতি ধরে রাখতে

কাজে দেবে। আমদানি দায় মেটাতে সমস্যায় পড়তে হবে না।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর কাজী ছাইদুর রহমান সংবাদমাধ্যমকে বলেন, দেশের

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৮ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। দিন শেষে রিজার্ভ ৪৮ দশমিক ০৪

বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে।

প্রতি ডলার ৮৫ টাকা হিসেবে বৈদেশিক মুদ্রায় রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়ায় ৪ লাখ ৮ হাজার ৩৬৫

কোটি টাকা। অর্থাৎ চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেটের অর্ধেকের বেশি। চলতি বছরে

বাজেটের আকার ৬ লাখ ৩ হাজার কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র অনুযায়ী, দেশের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম চলে এ বৈদেশিক মুদ্রার

রিজার্ভ দিয়ে। স্বর্ণ, বৈদেশিক মুদ্রা ও ডলার এ তিন ক্যাটেগরিতে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার

রিজার্ভ রাখা হয় দেশ ও বিদেশের বিভিন্ন ব্যাংকে। এই অর্থ বিভিন্ন দেশের বন্ড ও বিলে বিনিয়োগ

করা হয়। প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা কেনাবেচাও করে বাংলাদেশ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

করোনাকালীন সময়ে বড় অর্জন : বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ ছাড়ালো ৪৮ বিলিয়ন ডলার

আপডেট সময় : ১০:৫০:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ অগাস্ট ২০২১

ছবি: সংগৃহীত

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ’র দিক দিয়ে করোনাকালীন সময়েও বাংলাদেশের বড় অর্জন। এরই

মধ্যেই মঙ্গলবার রিজার্ভ মজুদ ছাড়ালো ৪৮ বিলিয়ন ডলার। কোন দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতার

বিচারে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ হচ্ছে অন্যতম। এদিন প্রথমবারের মত বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ

৪৮ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গিয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ ৪ লাখ ৮ হাজার ৩৬৫ কোটি

টাকা। করোনার এই কঠিন সময়ে এটাকে বড় অর্জন হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ বাড়ার অর্থ হলো দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড

অনুযায়ী, একটি দেশের কাছে অন্তত তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর সমপরিমাণ বিদেশি

মুদ্রার মজুত থাকতে হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের এ রিজার্ভ দিয়ে কমপক্ষে ১০ মাসের আমদানি ব্যয়

পরিশোধ করা সম্ভব। ব্যাংকাররা বলছেন, সংকটে পড়লে এ রিজার্ভ অর্থনীতির গতি ধরে রাখতে

কাজে দেবে। আমদানি দায় মেটাতে সমস্যায় পড়তে হবে না।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর কাজী ছাইদুর রহমান সংবাদমাধ্যমকে বলেন, দেশের

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৮ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। দিন শেষে রিজার্ভ ৪৮ দশমিক ০৪

বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে।

প্রতি ডলার ৮৫ টাকা হিসেবে বৈদেশিক মুদ্রায় রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়ায় ৪ লাখ ৮ হাজার ৩৬৫

কোটি টাকা। অর্থাৎ চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেটের অর্ধেকের বেশি। চলতি বছরে

বাজেটের আকার ৬ লাখ ৩ হাজার কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র অনুযায়ী, দেশের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম চলে এ বৈদেশিক মুদ্রার

রিজার্ভ দিয়ে। স্বর্ণ, বৈদেশিক মুদ্রা ও ডলার এ তিন ক্যাটেগরিতে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার

রিজার্ভ রাখা হয় দেশ ও বিদেশের বিভিন্ন ব্যাংকে। এই অর্থ বিভিন্ন দেশের বন্ড ও বিলে বিনিয়োগ

করা হয়। প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা কেনাবেচাও করে বাংলাদেশ।