ঢাকা ০৭:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নির্বাচিত হলে ‘নবিজির ন্যায়ের’ ভিত্তিতে দেশ পরিচালনার অঙ্গীকার তারেক রহমানের যে কারণে  সিলেট থেকেই বিএনপির নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করে পুণ্যভূমি সিলেট থেকে নির্বাচনী মাঠে নামলেন তারেক রহমান তারেক রহমানের নেতৃত্বে সমৃদ্ধ বাংলাদেশের নতুন অভিযাত্রা বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে আইসিসির সিদ্ধান্ত এক দিনের মধ্যে চূড়ান্ত ইউএপির দুই শিক্ষককে চাকরিতে পুনর্বহালের দাবি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্কের বাংলাদেশের বিশ্বকাপ ইস্যুতে আজ কী সিদ্ধান্ত নেবে আইসিসি? ২২ জানুয়ারী মওলানা ভাসানীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ৫৪তম বার্ষিকী বাংলাদেশে ১০ থেকে ১৫টি ব্যাংক থাকলেই যথেষ্ট: কেন্দ্রীয় ব্যাংক গভর্নর মব সৃষ্টি করে জনমত প্রভাবিত করার দিন আর নেই: জামায়াত আমির

ইউরোপ যাত্রায় প্রাণ হারিয়েছে ২৫০০ অভিবাসন প্রত্যাশী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:০৭:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১৯৩ বার পড়া হয়েছে

ছবি সংগৃহীত

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

চলতি বছরে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টাকালে ২ হাজার ৫০০ জনেরও বেশি অভিবাসী মারা গেছেন বা নিখোঁজ হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনরের তরফে তথ্য জানান হয়।

ইউএনএইচসিআর নিউইয়র্ক অফিসের পরিচালক রুভেন মেনিকদিওয়েলা নিরাপত্তা পরিষদকে বলেছেন, ২০২৩ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ২,৫০০ জনেরও বেশি লোককে মৃত বা নিখোঁজ হিসাবে গণ্য করা হয়েছে।

এই সংখ্যাটি ২০২২ সালের একই সময়ের মধ্যে ১,৬৮০ মৃত বা নিখোঁজ অভিবাসীর চেয়ে অনেক বেশি। তিনি বলেন, জনগণের মনোযোগ থেকে দূরে, স্থলেও অনেকে প্রাণ হারিয়েছে।

মেনিকদিওয়েলা বলেন, সাব-সাহারান আফ্রিকান দেশগুলো থেকে স্থলপথে যাত্রার পর অভিবাসীরা তিউনিসিয়া এবং লিবিয়ান উপকূল থেকে সমুদ্র পাড়ি দেওয়ার এই রুট ‘বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে।

তিনি বলেন, অভিবাসী এবং উদ্বাস্তুরা প্রতি পদক্ষেপে মৃত্যু এবং চরম মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঝুঁকিতে রয়েছে।

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দক্ষিণ ইউরোপে সমুদ্রপথে মোট প্রায় ১ লাখ ৮৬ হাজার লোক ইতালি, গ্রীস, স্পেন, সাইপ্রাস এবং মাল্টায় এসেছে। ১ লাখ ৩০ হাজারের বেশি মানুষ ইতালিতে এসেছেন, যা ২০২২ সালের একই সময়ের তুলনায় ৮৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

অনুমান করা হয়, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট মাসের মধ্যে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ১ লাখ ২ হাজারের বেশি তিউনিসিয়া থেকে এবং লিবিয়া থেকে ৪৫ হাজার অভিবাসী সাগর পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করেছিল।

মেনিকদিওয়েলা বলেন, তিউনিসিয়ায় আনুমানিক ৩১ হাজার জনকে সমুদ্র থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বা আটকানো বা নামানো হয়েছে এবং লিবিয়ায় ১০ হাজার ৬০০ জনকে আটকানো বা নামানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ইউরোপ যাত্রায় প্রাণ হারিয়েছে ২৫০০ অভিবাসন প্রত্যাশী

আপডেট সময় : ০৩:০৭:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

চলতি বছরে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টাকালে ২ হাজার ৫০০ জনেরও বেশি অভিবাসী মারা গেছেন বা নিখোঁজ হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনরের তরফে তথ্য জানান হয়।

ইউএনএইচসিআর নিউইয়র্ক অফিসের পরিচালক রুভেন মেনিকদিওয়েলা নিরাপত্তা পরিষদকে বলেছেন, ২০২৩ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ২,৫০০ জনেরও বেশি লোককে মৃত বা নিখোঁজ হিসাবে গণ্য করা হয়েছে।

এই সংখ্যাটি ২০২২ সালের একই সময়ের মধ্যে ১,৬৮০ মৃত বা নিখোঁজ অভিবাসীর চেয়ে অনেক বেশি। তিনি বলেন, জনগণের মনোযোগ থেকে দূরে, স্থলেও অনেকে প্রাণ হারিয়েছে।

মেনিকদিওয়েলা বলেন, সাব-সাহারান আফ্রিকান দেশগুলো থেকে স্থলপথে যাত্রার পর অভিবাসীরা তিউনিসিয়া এবং লিবিয়ান উপকূল থেকে সমুদ্র পাড়ি দেওয়ার এই রুট ‘বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে।

তিনি বলেন, অভিবাসী এবং উদ্বাস্তুরা প্রতি পদক্ষেপে মৃত্যু এবং চরম মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঝুঁকিতে রয়েছে।

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দক্ষিণ ইউরোপে সমুদ্রপথে মোট প্রায় ১ লাখ ৮৬ হাজার লোক ইতালি, গ্রীস, স্পেন, সাইপ্রাস এবং মাল্টায় এসেছে। ১ লাখ ৩০ হাজারের বেশি মানুষ ইতালিতে এসেছেন, যা ২০২২ সালের একই সময়ের তুলনায় ৮৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

অনুমান করা হয়, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট মাসের মধ্যে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ১ লাখ ২ হাজারের বেশি তিউনিসিয়া থেকে এবং লিবিয়া থেকে ৪৫ হাজার অভিবাসী সাগর পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করেছিল।

মেনিকদিওয়েলা বলেন, তিউনিসিয়ায় আনুমানিক ৩১ হাজার জনকে সমুদ্র থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বা আটকানো বা নামানো হয়েছে এবং লিবিয়ায় ১০ হাজার ৬০০ জনকে আটকানো বা নামানো হয়েছে।