অ্যামনেস্টি ও হিউম্যান রাইটস ওয়াচের বিবৃতির মূল্য নেই
- আপডেট সময় : ১০:২৯:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জুন ২০২৩ ১৮১ বার পড়া হয়েছে
চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন তথ্য ও সম্প্রচার হাছান মাহমুদ : ছবি সংগ্রহ
ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, আজকে পত্রিকায় দেখলাম, অ্যামনেস্টি ইান্টারন্যাশনাল একটা বিবৃতি দিয়েছে। আমাদের শান্তিরক্ষী বাহিনীতে যারা র্যাবে কাজ করবে কিংবা মানবাধিকার লঙ্ঘনের সঙ্গে যুক্ত থাকবে তাদেরকে যেন স্ক্রিনিং করা হয় এবং শান্তিরক্ষী বাহিনীতে না নেওয়া হয়।
আমরা অ্যামনেস্টিকে চিনি, তারেক রহমানের বেয়াইন আইরিন খান সংস্থাটির জেনারেল সেক্রেটারি ছিলেন। এখনও তিনি সেখানে যুক্ত আছেন। তিনি তারেক রহমানের বউয়ের চাচাতো বোন। এই অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল যুদ্ধাপরাধীদের যখন বিচার শুরু হলো, তখন তা বন্ধের জন্য বিবৃতি দিয়েছিল।
২০১৩, ১৪ ও ১৫ সালে যখন বিএনপি-জামায়াত মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করছিল তখন সেটার বিরুদ্ধে বিবৃতি দেয়নি। আরেকটা সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচ। তারাও মাঝেমধ্যে বিবৃতি দেয়।
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ও হিউম্যান রাইটস ওয়াচের বিবৃতি কীভাবে, কোথায় ড্রাফট হয়, আর কিসের বিনিময়ে আসে সেটা আমরা জানি। যারা যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষার জন্য বিবৃতি দেয়, ফিলিস্তিনে পাখি শিকারের মতো যেভাবে মানুষ মারা হয়, তখন ইসরাইলের বিপক্ষে কোনও বিবৃতি দেয় না, আমাদের বিষয় নিয়ে বিবৃতি দেওয়ার নৈতিক কোনও অধিকার তাদের নেই। আমাদের দেশের কিছু পত্রপত্রিকা সেগুলোকে বড় করে ছাপায়। এই বিবৃতির কোনও মূল্য নেই। সুতরাং এগুলোতে বিভ্রান্ত হওয়ার দরকার নেই।
শনিবার চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু হলে দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর উপলক্ষে উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় তিনি এ কথা বলেন।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। সেই কারণে আজকে বিএনপি-জামায়াতের পক্ষ থেকে দেশের বিরুদ্ধে লবিস্ট নিয়োগ করা হয়েছে। সেই লবিস্টের পেছনে মিলিয়ন বিলিয়ন ডলার খরচ করে কয়েকটা বিবৃতি আর কিছু কিছু কংগ্রেসম্যান কিংবা ইউরোপিয়ান পার্লামেন্ট মেম্বারের চিঠি ক্রয় করা হয় দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে।



















