TRIPURA : ত্রিপুরার মধু শতভাগ খাঁটি
- আপডেট সময় : ১২:২১:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ জুলাই ২০২২ ৩৬৭ বার পড়া হয়েছে
মধু
‘মধুতে চর্বি ও প্রোটিন নেই। ১০০ গ্রাম মধুতে থাকে ২৮৮ ক্যালরি। মধুর মধ্যে রয়েছে ভিটামিন বি১, বি২, বি৩, বি৫, বি৬, আয়োডিন, জিংক ও কপার সহ অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান’
বিশেষ প্রতিনিধি
মধুর গুণাগুনের কথা বলে শেষ করা যাবে না। প্রাকৃতিক বিশুদ্ধ মধু শরীরের সামগ্রিক শক্তি ও তারুণ্য বাড়ায়। হাড় ও দাঁত গঠনেও মধুর গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ ক্যালসিয়াম। ক্যালসিয়াম দাঁত, হাড়, চুলের গোড়া শক্ত রাখে, নখের ঔজ্জ্বল্য বৃদ্ধি করে, ভঙ্গুরতা রোধ করে। রক্তশূন্যতা ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। মধুতে রয়েছে ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স, যা রক্তশূন্যতা ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
মধুতে প্রায় ৪৫টি খাদ্য উপাদান থাকে। ফুলের পরাগের মধুতে থাকে ২৫ থেকে ৩৭ শতাংশ গ্লুকোজ, ৩৪ থেকে ৪৩ শতাংশ ফ্রুক্টোজ, ০.৫ থেকে ৩.০ শতাংশ সুক্রোজ এবং ৫-১২ শতাংশ মন্টোজ। ২২ শতাংশ অ্যামাইনো এসিড, ২৮ শতাংশ খনিজ লবণ এবং ১১ ভাগ এনজাইম।
এতে চর্বি ও প্রোটিন নেই। ১০০ গ্রাম মধুতে থাকে ২৮৮ ক্যালরি। মধুর মধ্যে রয়েছে ভিটামিন বি১, বি২, বি৩, বি৫, বি৬, আয়োডিন, জিংক ও কপার সহ অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান।
মধু উচ্চ ঔষধিগুণ সম্পন্ন সুপেয় ভেষজ তরল। বিভিন্ন খাদ্যে এর ব্যবহার চিনির চেয়ে এর অনেক সুবিধা রয়েছে। মধুর বিশিষ্ট গন্ধের জন্য অনেকে চিনির চাইতে মধুকেই পছন্দ করে থাকেন।
রাজ্য খাদি ও গ্রামোদ্যোগ পর্ষদের চেয়ারম্যান রাজীব ভট্টাচার্য
ত্রিপুরা রাজ্য খাদি ও গ্রামোদ্যোগ পর্ষদের চেয়ারম্যান রাজীব ভট্টাচার্য জানালেন, মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়নে রাজ্য খাদি ও গ্রামোদ্যোগ পর্ষদ ব্যাপক ভূমিকা নিয়েছে। বিভিন্ন জেলায় মৌমাছি পালনের বিশেষ প্রশিক্ষণ ও উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে। দিন দিন মধুর উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে। খাদি ও গ্রামোদ্যোগ পর্ষদের উদ্যোগে মধু প্রক্রিয়াজাত করণ কারখানা গড়ে তোলা হয়েছে। এখানে স্বাস্থ্যসম্মতভাবে বোতলজাত করার ব্যবস্থা রয়েছে। ত্রিপুরার মধু শতভাগ খাঁটি।
রাজীব বাবু জানালেন, এখন তারা মধু রপ্তানির উদ্যোগ নিয়েছে। পাশ্ববর্তী বাংলাদেশে ত্রিপুরার শতভাগ খাটি মধু রপ্তানি করতে চান। তাঁর ঢাকা ভ্রমণকালেই মধু রপ্তানির বিষয়টি আলোচনা হয়। সেই মতে একাধিক ব্যবসায়ীর সঙ্গে আলোচনাকালে মধু আমদানির বিষয়ে যথেষ্ট আগ্রহ প্রকাশ করেন।

নান্দনিক ডিজাইনের বেতের আসবাব
ত্রিপুরা খাদি ও গ্রামোদ্যোগ পর্ষদ রাজ্যের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও পিছিয়ে পড়া গ্রামীণ জনগোষ্ঠীকে স্বনির্ভর উদ্যোগ গ্রহণ করে। পরিবেশ বান্ধব বাঁশের বোতল তৈরি, নান্দনিক ডিজাইনের বেতের আসবাব, শাড়ি-লুঙ্গি এবং নানা ধরণের তাঁত বস্ত্র, রাবার ও মৌচাষ ইত্যাদি বিষয়ে আধুনিক প্রশিক্ষণ এবং সহজ বিনিয়োগের ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার মধ্য দিয়ে ‘খাদি ও গ্রামোদ্যোগ পর্ষদ’ নজির গড়েছে।
রাজীব বাবু আরও জানান, রাজ্যের মৌচাষি, বাঁশ শিল্পসহ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের সঙ্গে সাধারণ মানুষকে প্রশিক্ষণ এবং যুক্ত করে অগ্রসর ত্রিপুরার গড়ার নজির সৃষ্টি করতে চায় ত্রিপুরা রাজ্য খাদি ও গ্রামোদ্যোগ পর্ষদ।






















