ঢাকা ০৭:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
৯ মাস সমুদ্রে, ভেঙে পড়ছে মার্কিন নৌসেনাদের মনোবল প্রান্তিক মানুষের দুয়ারে চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ঢাকার যানজট-কর্মঘণ্টা নষ্টের উৎস ব্যাটারি রিকশার চলাচলে শৃঙ্খলা আনতে উদ্যোগ ডিএসসিসির আগামী সপ্তাহেই দিল্লি যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান  প্রস্তুতি দুই দেশেই স্কুল ফিডিংয়ে শতভাগ শিক্ষার্থী অন্তর্ভুক্তি চায় শিক্ষক-অবিভাবকরা সীতাকুণ্ডে জাহাজভাঙা কারখানায় বিষাক্ত গ্যাসে পাঁচ শ্রমিকের মৃত্যু ভিক্ষার ঝুলিতে ৪৬ হাজার ৬০০ ডলার সহানুভূতির আড়ালে প্রতারণার ভয়াবহ চিত্র বঙ্গভবনের পথে মির্জা ফখরুল বাকি শুধু সাংবিধানিক আনুষ্ঠানিকতা সীতাকুণ্ডের শিপইয়ার্ডে পাঁচ বছরে ৩৪ প্রাণহানি  অবসরে  ৪৯ পুলিশ পরিদর্শক 

Sheikh Hasina : ধর্মের সাথে সংস্কৃতির কোন বিরোধ নেই

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:২৩:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ এপ্রিল ২০২২ ৫৫৯ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি সংগ্রহ

‘নববর্ষের শুভেচ্ছা’ জানালেন শেখ হাসিনা

‘হাসিনা বলেন, এ ভূখণ্ডে হাজার বছরের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং কৃষ্টির বাহক এদেশের বাঙালি জনগোষ্ঠি। বিভিন্ন ধর্মে-বর্ণে বিভক্ত হলেও ঐতিহ্য ও কৃষ্টির জায়গায় সব বাঙালি এক এবং অভিন্ন’

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা 

দেশবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জাগতিক নিয়মের পথ-পরিক্রমায় বছর শেষে আবার এসেছে নতুন বছর- ১৪২৯ বঙ্গাব্দ। সবাইকে নতুন বছরের আন্তরিক শুভেচ্ছা-শুভ নববর্ষ। বুধবার বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে গণভবনে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে এ শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন পহেলা বৈশাখ উদযাপনের অনুষ্ঠানে বোমা হামলা চালিয়ে মানুষ হত্যার ঘটনার প্রসঙ্গে বলেন, ধর্মের সঙ্গে সংস্কৃতির কোন সংঘাত বা বিরোধ নেই।

হাসিনা বলেন, এ ভূখণ্ডে হাজার বছরের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং কৃষ্টির বাহক এদেশের বাঙালি জনগোষ্ঠি। বিভিন্ন ধর্মে-বর্ণে বিভক্ত হলেও ঐতিহ্য ও কৃষ্টির জায়গায় সব বাঙালি এক এবং অভিন্ন। নানা ঘাত-প্রতিঘাতে অনেক ঐতিহ্য হারিয়ে গেলেও পয়লা বৈশাখে নববর্ষ উদযাপন এখনও স্ব-মহিমায় টিকে আছে। সারা বছরের ক্লেদ-গ্লানি, হতাশা ভুলে এদিন সব বাঙালি নতুন আনন্দ-উদ্দীপনায় মেতে উঠেন।

‘এসো হে বৈশাখ, এসো এসো/মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা/অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা’-কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কালজয়ী এই গান গেয়ে আমরা আবাহন করি নতুন বছরকে। পয়লা বৈশাখের বর্ষবরণ বাঙালির সর্বজনীন উৎসব। আবহমানকাল ধরে বাংলার গ্রাম-গঞ্জে, আনাচে-কানাচে এই উৎসব পালিত হয়ে আসছে। গ্রামীণ মেলা, হালখাতা, বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলার আয়োজন ছিল বর্ষবরণের মূল অনুসঙ্গ।

হাসিনা বলেন, কিছু লোক ধর্মের সঙ্গে সংস্কৃতির বিরোধ সৃষ্টি করতে চায়। এটা মোটেও সঠিক নয়। ধর্ম যার যার, উৎসব সবার। আমরা একসঙ্গে উৎসব পালন করে থাকি।

এই একটা উৎসব ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলে এক হয়ে এক সঙ্গে উদযাপন করে। যেখানে সকলের চমৎকার মিলনমেলা। শুধু বাংলাদেশে নয়, বিশে^র যেখানেই বাংলাদেশীরা আছে, তারাই এই উৎসব পালন করে যাচ্ছে। করোনার জন্য সতর্কতার সঙ্গে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ উদযাপনের আহবান জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

Sheikh Hasina : ধর্মের সাথে সংস্কৃতির কোন বিরোধ নেই

আপডেট সময় : ০৮:২৩:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ এপ্রিল ২০২২

ছবি সংগ্রহ

‘নববর্ষের শুভেচ্ছা’ জানালেন শেখ হাসিনা

‘হাসিনা বলেন, এ ভূখণ্ডে হাজার বছরের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং কৃষ্টির বাহক এদেশের বাঙালি জনগোষ্ঠি। বিভিন্ন ধর্মে-বর্ণে বিভক্ত হলেও ঐতিহ্য ও কৃষ্টির জায়গায় সব বাঙালি এক এবং অভিন্ন’

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা 

দেশবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জাগতিক নিয়মের পথ-পরিক্রমায় বছর শেষে আবার এসেছে নতুন বছর- ১৪২৯ বঙ্গাব্দ। সবাইকে নতুন বছরের আন্তরিক শুভেচ্ছা-শুভ নববর্ষ। বুধবার বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে গণভবনে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে এ শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন পহেলা বৈশাখ উদযাপনের অনুষ্ঠানে বোমা হামলা চালিয়ে মানুষ হত্যার ঘটনার প্রসঙ্গে বলেন, ধর্মের সঙ্গে সংস্কৃতির কোন সংঘাত বা বিরোধ নেই।

হাসিনা বলেন, এ ভূখণ্ডে হাজার বছরের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং কৃষ্টির বাহক এদেশের বাঙালি জনগোষ্ঠি। বিভিন্ন ধর্মে-বর্ণে বিভক্ত হলেও ঐতিহ্য ও কৃষ্টির জায়গায় সব বাঙালি এক এবং অভিন্ন। নানা ঘাত-প্রতিঘাতে অনেক ঐতিহ্য হারিয়ে গেলেও পয়লা বৈশাখে নববর্ষ উদযাপন এখনও স্ব-মহিমায় টিকে আছে। সারা বছরের ক্লেদ-গ্লানি, হতাশা ভুলে এদিন সব বাঙালি নতুন আনন্দ-উদ্দীপনায় মেতে উঠেন।

‘এসো হে বৈশাখ, এসো এসো/মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা/অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা’-কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কালজয়ী এই গান গেয়ে আমরা আবাহন করি নতুন বছরকে। পয়লা বৈশাখের বর্ষবরণ বাঙালির সর্বজনীন উৎসব। আবহমানকাল ধরে বাংলার গ্রাম-গঞ্জে, আনাচে-কানাচে এই উৎসব পালিত হয়ে আসছে। গ্রামীণ মেলা, হালখাতা, বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলার আয়োজন ছিল বর্ষবরণের মূল অনুসঙ্গ।

হাসিনা বলেন, কিছু লোক ধর্মের সঙ্গে সংস্কৃতির বিরোধ সৃষ্টি করতে চায়। এটা মোটেও সঠিক নয়। ধর্ম যার যার, উৎসব সবার। আমরা একসঙ্গে উৎসব পালন করে থাকি।

এই একটা উৎসব ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলে এক হয়ে এক সঙ্গে উদযাপন করে। যেখানে সকলের চমৎকার মিলনমেলা। শুধু বাংলাদেশে নয়, বিশে^র যেখানেই বাংলাদেশীরা আছে, তারাই এই উৎসব পালন করে যাচ্ছে। করোনার জন্য সতর্কতার সঙ্গে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ উদযাপনের আহবান জানান।