ঢাকা ০৩:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চাউলের দাম বৃদ্ধির খবরে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে প্রথানমন্ত্রীর নির্দেশ জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ ও গণভোট অধ্যাদেশ কেন অবৈধ নয় জানতে চেয়ে হাই কোর্টের রুল সৌদিতে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি নির্দেশনা দূতাবাসের ঈদযাত্রা ঘিরে অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু, টার্মিনাল ও স্টেশনে ভিড় দুবাই ছাড়তে ধনকুবেরদের হুড়োহুড়ি, প্রাইভেট জেটের ভাড়া কয়েক গুণ বৃদ্ধি দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে গতি আনতে একমত ঢাকা-দিল্লি চাঁদাবাজি-ছিনতাই দমনে জিরো টলারেন্স: মাঠ পর্যায়ে কঠোর বার্তা আইজিপির কুয়েতে তিন মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত, কারণ জানাল যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের ‘নাম্বার ওয়ান প্রায়োরিটি’: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি জাহানারা আরজু আর নেই

severe winter : তীব্র শীতে কাঁপছে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চের মানুষ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:২২:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ ৩৩১ বার পড়া হয়েছে

হিমেল হাওয়া ও তীব্র শীতে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে : ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

মধ্যপৌষেই রীতিমত মানুষকে কাঁপিয়ে দিয়ে তার আগমনি বার্তা দিল। বাংলাদেশের ওপর দিয়ে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। তবে, কোথায় তার প্রবণতা কম আবার কোথায় বেশি।

দেশটির উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলের শীতের তীব্রতা বেশি। কিবশেষ করে সীমান্তজেলা কুড়িগ্রাম, রাজশাহী, রংপুরের স্বাভাবিক পরিস্থিতি থমকে দিয়েছে শৈত্যপ্রবাহ।

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে তীব্র শীতে কাঁপছে মানুষ। সাধারণ খেটে খাওয়া ও ছিন্নমূল মানুষের দুর্ভোগ চরমে। অতিপ্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে কেউ পা রাখছেন না।

সাত দিন ধরে এই অঞ্চলে ঘন কুয়াশার সঙ্গী কনকনে শীত ও হিমেল হাওয়া। তাতে কাবু হয়ে পড়েছে শিশু, বৃদ্ধসহ শ্রমজীবী ও খেটে খাওয়া মানুষজন। শীতে নানা রোগবাইলের প্রকোপ বেড়েছে। শীতকালীন রোগবাইলে আক্রান্ত হচ্ছেন বয়োস্ক ও শিশুরা।

কুড়িগ্রাম রাজারহাট ও কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের আধিকারীক তুহিন মিয়া সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, বছরের শেষ দিন তথা শনিবার সকাল ৯টা নাগাদ কুড়িগ্রাম জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমেছে। আরও দু’দিন তাপমাত্রা পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। বরং শীতের তীব্রতা আরও বাড়বে।

এখানের পাইকেরছড়া ইউনিয়নের মানুষ যারা সোনাহাট স্থলবন্দরে কাজ করেন এমন ব্যক্তিরা জানান, তাদের সকাল সাড়ে ৭টার মধ্যে বন্দরে পৌঁছাতে হয়। ঘন কুয়াশা ও শীতের কারণে সময় মত কাজে যোগ দিতে দেওয়া মুশকিল হয়ে পড়েছে।

কনকনে শীতে ও ঠাণ্ডার মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন উপজেলার কৃষি শ্রমিকরা। এ অবস্থায় ঠাণ্ডায় শ্রমিকরা ঠিকমতো মাঠে কাজ করতে পারছেন না। এতে ব্যাহত হচ্ছে কৃষি কাজ।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন আধিকারীক শাহিনুর আলম জানিয়েছেন, তারা প্রথম পর্যায় পাঁচ হাজার কম্বল বরাদ্দ পেয়েছেন। তা উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে বিতরণ করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

severe winter : তীব্র শীতে কাঁপছে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চের মানুষ

আপডেট সময় : ১১:২২:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২২

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

মধ্যপৌষেই রীতিমত মানুষকে কাঁপিয়ে দিয়ে তার আগমনি বার্তা দিল। বাংলাদেশের ওপর দিয়ে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। তবে, কোথায় তার প্রবণতা কম আবার কোথায় বেশি।

দেশটির উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলের শীতের তীব্রতা বেশি। কিবশেষ করে সীমান্তজেলা কুড়িগ্রাম, রাজশাহী, রংপুরের স্বাভাবিক পরিস্থিতি থমকে দিয়েছে শৈত্যপ্রবাহ।

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে তীব্র শীতে কাঁপছে মানুষ। সাধারণ খেটে খাওয়া ও ছিন্নমূল মানুষের দুর্ভোগ চরমে। অতিপ্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে কেউ পা রাখছেন না।

সাত দিন ধরে এই অঞ্চলে ঘন কুয়াশার সঙ্গী কনকনে শীত ও হিমেল হাওয়া। তাতে কাবু হয়ে পড়েছে শিশু, বৃদ্ধসহ শ্রমজীবী ও খেটে খাওয়া মানুষজন। শীতে নানা রোগবাইলের প্রকোপ বেড়েছে। শীতকালীন রোগবাইলে আক্রান্ত হচ্ছেন বয়োস্ক ও শিশুরা।

কুড়িগ্রাম রাজারহাট ও কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের আধিকারীক তুহিন মিয়া সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, বছরের শেষ দিন তথা শনিবার সকাল ৯টা নাগাদ কুড়িগ্রাম জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমেছে। আরও দু’দিন তাপমাত্রা পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। বরং শীতের তীব্রতা আরও বাড়বে।

এখানের পাইকেরছড়া ইউনিয়নের মানুষ যারা সোনাহাট স্থলবন্দরে কাজ করেন এমন ব্যক্তিরা জানান, তাদের সকাল সাড়ে ৭টার মধ্যে বন্দরে পৌঁছাতে হয়। ঘন কুয়াশা ও শীতের কারণে সময় মত কাজে যোগ দিতে দেওয়া মুশকিল হয়ে পড়েছে।

কনকনে শীতে ও ঠাণ্ডার মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন উপজেলার কৃষি শ্রমিকরা। এ অবস্থায় ঠাণ্ডায় শ্রমিকরা ঠিকমতো মাঠে কাজ করতে পারছেন না। এতে ব্যাহত হচ্ছে কৃষি কাজ।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন আধিকারীক শাহিনুর আলম জানিয়েছেন, তারা প্রথম পর্যায় পাঁচ হাজার কম্বল বরাদ্দ পেয়েছেন। তা উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে বিতরণ করেছেন।