ঢাকা ০২:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চাউলের দাম বৃদ্ধির খবরে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে প্রথানমন্ত্রীর নির্দেশ জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ ও গণভোট অধ্যাদেশ কেন অবৈধ নয় জানতে চেয়ে হাই কোর্টের রুল সৌদিতে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি নির্দেশনা দূতাবাসের ঈদযাত্রা ঘিরে অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু, টার্মিনাল ও স্টেশনে ভিড় দুবাই ছাড়তে ধনকুবেরদের হুড়োহুড়ি, প্রাইভেট জেটের ভাড়া কয়েক গুণ বৃদ্ধি দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে গতি আনতে একমত ঢাকা-দিল্লি চাঁদাবাজি-ছিনতাই দমনে জিরো টলারেন্স: মাঠ পর্যায়ে কঠোর বার্তা আইজিপির কুয়েতে তিন মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত, কারণ জানাল যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের ‘নাম্বার ওয়ান প্রায়োরিটি’: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি জাহানারা আরজু আর নেই

Rohingya camp : রোহিঙ্গা শিবিরে প্রয়োজনে সেনা অভিযান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:২৬:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২২ ২৫১ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি সংগ্রহ

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা

‘মানবতার আশ্রয় কেন্দ্রে’ হত্যা, গুম, সশস্ত্র ডাকাত দল ছাড়াও মাদক এবং সন্ত্রাসের শিবিরে পরিণত হয়েছে। রোহিঙ্গারা দীর্ঘদিন বাংলাদেশে অবস্থানের ফলে অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। মানবপাচার থেকে শুরু করে হেন অপরাধ নেই, যা তারা করছে না। রোহিঙ্গা অপরাধের লাগাম টানতে পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি, আনসারের সমন্বয়ে অভিযান চলবে। প্রয়োজনে সেনা অভিযানও চলানো হবে। রোহিঙ্গা শিবিরে সন্ত্রাসী কার্যক্রমের লাগাম টানতে  সাঁড়াশি  অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

রবিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে মিয়ানমার নাগরিকদের সমন্বয়, ব্যবস্থাপনা ও আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির  বৈঠক  শেষে এসব তথ্য জানান বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নির্যাতনের মুখে  সেসময় রাখাইন রাজ্য থেকে ১০ লাখের অধিক রোহিঙ্গা পালিয়ে কক্সবাজারে এসে আশ্রয় নেয়। এখন প্রায় ১২ লাখের অধিক রোহিঙ্গা ৩৪টি আশ্রয় শিবিরে রয়েছে।

বিশ্বের সবচেয়ে বৃহৎ আশ্রয় শিবিরে এই কক্সবাজারেই। মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে মাদক পাচারের নিরাপদ রুট হিসাবে ব্যবহার হচ্ছে নাফ নদী। নদীতে মাছ ধরার ট্রলারেও মাদক পাচার হয়ে থাকে। এসব ট্রলারগুলো নিবন্ধনের আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বৈঠকে বিদেশমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান, স্বরাষ্ট্রসচিব আব্দুল্লাহ আল মাসুদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সহিংস হামলার শিকার হয়ে লাখ লাখ রোহিঙ্গা নাফ নদী পেরিয়ে পালিয়ে আস বাধ্য হয়। সেখানকার সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদের ওপর অকথ্য নির্যাতন, ধর্ষণ এবং গ্রামগুলো ধ্বংস করে দেওয়ার মতো মানবিক সংকট প্রত্যক্ষ করে বিশ্ব। বাংলাদেশ সরকারের নেতৃত্বে বহুজাতিক সহায়তায় মারাত্মক মানবিক সংকট এড়ানো সম্ভব হয়েছিল। কিন্তু পরিস্থিতি এমন হবে, তা কারো পক্ষে অনুমান করাটা ছিলো দুরুহ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

Rohingya camp : রোহিঙ্গা শিবিরে প্রয়োজনে সেনা অভিযান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৭:২৬:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২২

ছবি সংগ্রহ

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা

‘মানবতার আশ্রয় কেন্দ্রে’ হত্যা, গুম, সশস্ত্র ডাকাত দল ছাড়াও মাদক এবং সন্ত্রাসের শিবিরে পরিণত হয়েছে। রোহিঙ্গারা দীর্ঘদিন বাংলাদেশে অবস্থানের ফলে অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। মানবপাচার থেকে শুরু করে হেন অপরাধ নেই, যা তারা করছে না। রোহিঙ্গা অপরাধের লাগাম টানতে পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি, আনসারের সমন্বয়ে অভিযান চলবে। প্রয়োজনে সেনা অভিযানও চলানো হবে। রোহিঙ্গা শিবিরে সন্ত্রাসী কার্যক্রমের লাগাম টানতে  সাঁড়াশি  অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

রবিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে মিয়ানমার নাগরিকদের সমন্বয়, ব্যবস্থাপনা ও আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির  বৈঠক  শেষে এসব তথ্য জানান বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নির্যাতনের মুখে  সেসময় রাখাইন রাজ্য থেকে ১০ লাখের অধিক রোহিঙ্গা পালিয়ে কক্সবাজারে এসে আশ্রয় নেয়। এখন প্রায় ১২ লাখের অধিক রোহিঙ্গা ৩৪টি আশ্রয় শিবিরে রয়েছে।

বিশ্বের সবচেয়ে বৃহৎ আশ্রয় শিবিরে এই কক্সবাজারেই। মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে মাদক পাচারের নিরাপদ রুট হিসাবে ব্যবহার হচ্ছে নাফ নদী। নদীতে মাছ ধরার ট্রলারেও মাদক পাচার হয়ে থাকে। এসব ট্রলারগুলো নিবন্ধনের আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বৈঠকে বিদেশমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান, স্বরাষ্ট্রসচিব আব্দুল্লাহ আল মাসুদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সহিংস হামলার শিকার হয়ে লাখ লাখ রোহিঙ্গা নাফ নদী পেরিয়ে পালিয়ে আস বাধ্য হয়। সেখানকার সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদের ওপর অকথ্য নির্যাতন, ধর্ষণ এবং গ্রামগুলো ধ্বংস করে দেওয়ার মতো মানবিক সংকট প্রত্যক্ষ করে বিশ্ব। বাংলাদেশ সরকারের নেতৃত্বে বহুজাতিক সহায়তায় মারাত্মক মানবিক সংকট এড়ানো সম্ভব হয়েছিল। কিন্তু পরিস্থিতি এমন হবে, তা কারো পক্ষে অনুমান করাটা ছিলো দুরুহ।