Pakistan’s genocide in Bangladesh ‘গণহত্যার জন্য পাকিস্তাকে বিশ্বের সামনে ক্ষমা চাইতে হবে’
- আপডেট সময় : ১০:৫২:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ মার্চ ২০২২ ৩৯৪ বার পড়া হয়েছে
‘একাত্তরের গণহত্যাকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দেওয়া হবে, দুনিয়া জানতে পারবে পাকিস্তানি কতটা ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসী দেশ!
বাংলাদেশের গণহত্যার জন্য বিশ্বের সামনে ক্ষমতা চাইতে হবে পাকিস্তানকে’
আমিনুল হক, ঢাকা
পাকিস্তান একটি সন্ত্রাসী দেশ। একাত্তরে বাংলাদেশের নজিরবিহীন গণহত্যার জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে। সেই সঙ্গে ২৫ মার্চ গণহত্যাকে “আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস” ঘোষণার জোরালো দাবি ওঠে এসেছে। শুক্রবার ঢাকায় সম্প্রীতি বাংলাদেশ আয়োজিত ‘৭১ এর গণহত্যা ও পাকিস্তানের বর্বরতা’ শীর্ষক আলোচনার আয়োজন থেকে এমনি জোরালো দাবি ওঠে এসেছে।
বক্তারা বলেছেন, কোন ভুলের নয়, পাকিস্তান সুপরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশের নিরীহ মানুষকে হত্যা করেছে। একটি মুসলিম দেশ সত্ত্বেও অপ্রচার চালিয়ে বলা হয়েছে, যুদ্ধ হচ্ছে ভারতের সঙ্গে! এমন মিথ্যাচার এবং গোলমালের বছর বলে গণহত্যাকে আড়াল করার অপচেষ্টা করছে পাকিস্তান।
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতের অন্ধকারে বর্তমান বাংলাদেশের নিরস্ত্র মানুষের ওপর ঝাপিয়ে পড়েছিলো বর্বর পাকিস্তানি বাহিনী। তারা নির্বিচারে হত্যা, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ থেকে শুরু করে হেন কাজ নেই যা তারা করেনি। বাংলাদেশকে একটা ধ্বংসস্তুপে পরিণত করার উল্লাসে মেতে ওঠেছিলো পাকিস্তানি জল্লাদ বাহিনী। তারা চেয়েছিলো বাংলাদেশ নামক কোন রাষ্ট্রের যেন জন্ম না হয়।
এমন যখন পরিস্থিতি, সাধারণ মানুষ প্রাণ রক্ষায় কাতারে কাতারে ভারতে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছিলো। ভারত এককোটি মানুষকে আশ্রয়-খাদ্য এবং প্রশিক্ষণ দিয়ে অস্ত্র তুলে দিয়েছিলো বাংলার দামাল ছেলেদের হাতে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে মুক্তিযোদ্ধাদের পাশাপাশি ভারতের সেনাসদস্যদের রক্তও মিশে আছে বাংলার জমিনে।

আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের মধ্য দিয়ে একটি নিরস্ত্র জাতিকে সশস্ত্র জাতিতে পরিণত করেন। তার বুদ্ধিমত্তা দিয়ে বাঙালি জাতিকে আবারও নির্দেশনা দিয়েছিলেন। ২৫ মার্চকে আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস হিসেবে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা হবে। তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের বিবৃত ইতিহাসও রয়েছে। পাকিস্তানকে গণহত্যার দায় স্বীকার করতে হবে এবং এ জন্য অবশ্যই পাকিস্তানকে ক্ষমা চাইতে হবে।
২৫ মার্চকে আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস ঘোষণা করা হলে ‘পাকিস্তান কতটা ভয়ঙ্কর দেশ’ তা গোটা দুনিয়া জানতে পারবে, বলেন জাতীয় সংসদ সদস্য আরমা দত্ত (বীরপ্রতীক)। তিনি বলেন, পাকিস্তান কতটা ভয়ঙ্কর তা দিরেনর পর দিন বলে গেলেও শেষ হবে না।

সম্প্রীতি বাংলাদেশের আহ্বায়ক পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বাঙালির অগ্রযাত্রা, বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে যারা মেনে নিতে চায় না, তাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হবার ছাতা হচ্ছে ‘সম্প্রীতি বাংলাদেশ’।
সম্প্রীতি বাংলাদেশের সদস্য সচিব অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল বলেন, ২৫ মার্চ আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবসের স্বীকৃতি পেলে পাকিস্তান যে গণহত্যাকারী দেশ তা বিশ্বাবাসীর কাছে প্রমাণিত হবে।






















