noise pollution : শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণের দাবিতে অনশন
- আপডেট সময় : ০৮:২৫:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অক্টোবর ২০২২ ৬৭৫ বার পড়া হয়েছে
ছবি সংগ্রহ
নিজস্ব প্রতিনিধি
শব্দদূষণ কোন পর্যায়ে পৌছালে একজন সচেতন নাগরিক নিয়তন্ত্রনের দাবিতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে রাস্তায় নেমে আসতে পারেন! শব্দদূষণ নাগরিক জীবনের ভয়াবহ প্রভাব ফেলছে। শিশু থেকে বয়স্ক মানুষ নানা জটিলতার শিকার হচ্ছে। স্কুলের পথে ছেলেমেয়েরা হাত দিয়ে দুই কান চেপে রাখছে। রাস্তাঘাটে নিয়ন্ত্রণহীন শব্দদূষণ। যানবাহনে সাধারণ হর্ণ থেকে শুরু করে হাইড্রোলিক হর্ণ ব্যবহার হচ্ছে। অনভিজ্ঞ এবং প্রশিক্ষণ ছাড়া যানবাহন চালাচ্ছে সিংহভাগ চালক। গণপরিবহন নিয়ন্ত্রণহীন, বেপরোয়া। সব সময় মারমুখো আচরণ তাদের। অকারণে হর্ণ বাজিয়ে রাস্তায় রীতিমত শব্দদূষণের ত্রাস সৃস্টি করে চলেছে।
বাংলাদেশ ভয়াবহ শব্দদূষণের কবলে। এর নিয়ন্ত্রণে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে মনে হয় না। গণপরিবহনের মালিকদেরও কোন প্রশিক্ষণ নেই। তারা পুজি বিনিয়োগ করেই মালিক বনে যাচ্ছে। গণপরিবহন পরিচালনার কোন পূর্ব অভিজ্ঞতা তাদের নেই। এর কারণে পরিবহন শ্রমিকদেরও তারা পরিচালনা করতে ব্যর্থ হচ্ছেন। রাস্তায় চালকরা বেপরোয়া। তারা জনবহুল শহরেও হাইড্রোলিক হর্ণ বাজিয়ে আনন্দ উপভোগ করছে। যার ফলে অপূরণীয় ক্ষতি হচ্ছে সকল বয়সী মানুষের।
শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণের দাবিতে বাংলাদেশের বন্দর নগরী চট্টগ্রাম শহরের এক বাসিন্দা সুজন বডুয়া প্ল্যাকার্ড নিয়ে একাই রাস্তায় নেমে এসেছেন। জানা গিয়েছে, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণের দাবিতে গত ২১ জুলাই একক আন্দোলনে নামেন তিনি। এ পর্যন্ত ২১টি সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করেছেন। শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রনের দাবিতে সোচ্চার সুজন বড়ুয়া মঙ্গলবার থেকে অনশনে বসার কথা। সোমবার সকাল ১০ থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত শহরের ব্যস্ততম এলাকায় অবস্থান শেষে অনশন কর্মসূচি ঘোষণা দেন।

গত বছর চট্টগ্রাম শহরে একটি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাকালে কোন কোন স্থানে শব্দের মাত্রা ১৩০ ডেসিবেল পর্যন্ত পাওয়া গেছে। এছাড়া শহরের বিভিন্ন স্থানে শব্দের মাত্রা ১২৫ দশমিক ৯ ডেসিবেল পর্যন্ত পেয়েছেন গবেষণা দল।
পরিবেশ অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, আবাসিক এলাকায় শব্দের সহনীয় মাত্রা দিনের বেলায় ৫০ ডেসিবেল, বাণিজ্যিক এলাকায় ৬০ ডেসিবেল এবং শিল্প এলাকায় ৭৫ ডেসিবেল। কিন্তু হাইড্রোলিক হর্নের যথেচ্ছ ব্যবহার, যত্রতত্র মাইক বাজানো এবং নির্মাণকাজের শব্দে অতিষ্ঠ হয়ে নগরবাসী। শব্দদূষণের প্রভাবে বৃদ্ধ ও শিশুদের
হৃদ্রোগ ও শ্রুতিহীনতার মতো গুরুতর রোগে আক্রান্ত হওয়া ঝুঁকি বাড়ছে।





















