Load shedding : ডিসেম্বরে লোডশেডিংয়ের ছুটি
- আপডেট সময় : ০৪:৪২:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অক্টোবর ২০২২ ২০৫ বার পড়া হয়েছে
নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা
২০০৯ সালে শেখ হাসিনা সরকার গঠনের সময় বিদ্যুতের উৎপাদন ছিলো সাকুল্যে ৩ হাজার ৭০০ মেগাওয়াট। তখন গড়পরতা লোডশেটিং হতো ৫-১০ ঘন্টা। বর্তমান সরকার আমলে বিদ্যুৎ উৎপাদন বেড়েছে পাঁচগুণ। বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা ২৫ হাজার মেগাওয়াটের বেশি। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসেই পরিস্থিতি সামাল দিতে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেন। যার মধ্যে একটি ছিলো দিনের কর্মঘন্টা কমিয়ে আনা।
দ্রুত বিদ্যুৎ পেতে বেসরকারীভাবে রেন্টাল বিদ্যুতের অনুমতি দেওয়া হয়। পাশাপাশি ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানি করা হয়। বর্তমানে ভারত থেকে ১১শ’ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি হচ্ছে। যার মধ্যে ত্রিপুরার পালাটানা কেন্দ্র থেকে আসছে ১৬০ মেগাওয়াট। ২০১৮ সালে ২০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা অর্জন করায় ঢাকায় জমকালো আলোক উৎসব আয়োজন করে হাসিনা সরকার।
এক পর্যায়ে লোডশেডিংকে জাদুঘরে পাঠানো হয়েছে বলেও বক্তব্য আসে ক্ষমতাসীন দলের তরফে। বর্তমান পরিস্থিতে দাঁড়িয়ে বলা হচ্ছে, বিদ্যুতের বর্তমান পরিস্থিতি সাময়িক। আসছে ডিসেম্বর থেকে বাংলাদেশে আর লোডশেডিং থাকবে না বলে জানালেন বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান। এর আগে নভেম্বরে লোডশেডিং কমার ঈঙ্গিত দেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।
মন্ত্রীর বক্তব্যের একদিনের মাথায় পিডিবি চেয়ারম্যান বলেন, শীত এলে বিদ্যুতের চাহিদা কমে আসবে। পাশাপাশি কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রও চালু হবে। তাতে ডিসেম্বরে লোডশেডিং থাকবে না। ডলারের মূল্যবৃদ্ধি এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে জ্বালানি উচ্চমূল্যের কারণে জ্বালানি খাতে অব্যাহত লোকসান কমাতে জুলাই মাস থেকে ডিজেলভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।





















