ঢাকা ০৬:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বেইজিং থেকে দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুমের শিকার পরিবারের ভাতা বরাদ্দ এই বাজেটেই প্রতিশ্রুতি মির্জা ফখরুলের হামে মৃত্যু ৭০০ ছাড়াল, বাড়ছে উদ্বেগ তিস্তা প্রকল্প বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস চীনের: মাহদী আমিন বাংলা কিউআর চালু হলে বদলে যাবে ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা ভেনেজুয়েলায় ভয়াবহ ভূমিকম্প ধ্বংসস্তূপে চাপা শত শত প্রাণ, উদ্ধার ২৩৫ মরদেহ চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠক তিয়েনআনমেন চীনের বীরদের প্রতি শ্রদ্ধা শ্রদ্ধা প্রধানমন্ত্রীর চীনের সঙ্গে গভীরতর শিল্প অংশীদারত্বে আগ্রহী বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী বিএনপি ও চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

Cricket :  এই ‘ইতিহাস’ কোন দিন মুছে যাবে না!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:১৯:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ জুলাই ২০২২ ৩৪০ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সিরিজ ভাগাভাগি করেছে প্যাট কামিন্সের ও দিমুথ করুনারত্নের : ছবি সংগ্রহ

‘সন্তানদের খাওয়াতে লঙ্কানরা একদিন খেয়ে পরের দিন না খেয়ে থাকছেন,

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কা। স্বাধীনতার ভয়ানক অর্থনৈতিক মন্দার মধ্যে চাদরে ঢাকা পড়েছে শ্রীলঙ্কা। দেশটিতে জ্বালানি, বিদ্যুৎ, খাবারের ঘাটতির কারণে ব্যাপক জনরোষ ছড়িয়ে পড়েছে। দ্রব্যমূল্যও নাগালের বাইরে। বলা যায়, অর্থনৈতিকভাবে এক প্রকার দেউলিয়া লঙ্কা। দেশজুড়ে এমন বিস্ফোরণ¥ুখ পরিস্থিতির মধ্যেই দেশটিতে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলেছে অস্ট্রেলিয়া।

গলে যখন সিরিজের শেষ টেস্ট চলছিল, তখন শ্রীলঙ্কার বিক্ষুব্ধ জনগণ প্রেসিডেন্টের প্রাসাদ দখল করে নিয়েছে। স্টেডিয়ামের বাইরেই তখন বিক্ষোভকারীদের উপস্থিতি। পুরো বিষয়টার অনেকটা চাক্ষুষ সাক্ষী বলা যায় অস্ট্রেলিয়া দলকে। সিরিজ শেষে লঙ্কানদের প্রতি অকুণ্ঠ সমর্থন জানিয়েছেন অজি অধিনায়ক প্যাট কামিন্স।

লঙ্কানদের কঠিন পরিস্থিতির বর্ণনা দিতে গিয়ে কামিন্স বলেন, হোটেলের কয়েকজন কর্মচারী এবং ড্রাইভারের সঙ্গে তার কথা হয়েছে। তারা কী কষ্টই না করছে! তারা একদিন খেয়ে পরের দিন না খেয়ে থাকছেন। যাতে সন্তানদের খাওয়াতে পারেন। কী কষ্ট ভাবতে পারেন! মাঝে মাঝে মনে হয় কতটা সৌভাগ্যবান আমরা! বিশ্বজুড়ে ঘুরে বেড়াচ্ছি। শুধু এখানে এসে ক্রিকেট খেলাই নয়; খেলার কী প্রভাব পড়েছে সেটাও বুঝতে পারছি।

কিন্তু এই সফর তো আর দশটা সাধারণ সফরের মতো নয়। শ্রীলঙ্কার রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যে শেষ হওয়া সফরে মাঠের বাইরের অভিজ্ঞতাও অস্ট্রেলিয়ানদের বড় প্রাপ্তি। শ্রীলঙ্কার এই কঠিনতম সময়ের চাক্ষুষ সাক্ষী অস্ট্রেলিয়া দলের অধিনায়ক প্যাট কামিন্সের বর্ণনায় উঠে এসেছে লঙ্কানদের লড়াইয়ের করুণ চিত্র।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

Cricket :  এই ‘ইতিহাস’ কোন দিন মুছে যাবে না!

আপডেট সময় : ০৮:১৯:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ জুলাই ২০২২

সিরিজ ভাগাভাগি করেছে প্যাট কামিন্সের ও দিমুথ করুনারত্নের : ছবি সংগ্রহ

‘সন্তানদের খাওয়াতে লঙ্কানরা একদিন খেয়ে পরের দিন না খেয়ে থাকছেন,

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কা। স্বাধীনতার ভয়ানক অর্থনৈতিক মন্দার মধ্যে চাদরে ঢাকা পড়েছে শ্রীলঙ্কা। দেশটিতে জ্বালানি, বিদ্যুৎ, খাবারের ঘাটতির কারণে ব্যাপক জনরোষ ছড়িয়ে পড়েছে। দ্রব্যমূল্যও নাগালের বাইরে। বলা যায়, অর্থনৈতিকভাবে এক প্রকার দেউলিয়া লঙ্কা। দেশজুড়ে এমন বিস্ফোরণ¥ুখ পরিস্থিতির মধ্যেই দেশটিতে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলেছে অস্ট্রেলিয়া।

গলে যখন সিরিজের শেষ টেস্ট চলছিল, তখন শ্রীলঙ্কার বিক্ষুব্ধ জনগণ প্রেসিডেন্টের প্রাসাদ দখল করে নিয়েছে। স্টেডিয়ামের বাইরেই তখন বিক্ষোভকারীদের উপস্থিতি। পুরো বিষয়টার অনেকটা চাক্ষুষ সাক্ষী বলা যায় অস্ট্রেলিয়া দলকে। সিরিজ শেষে লঙ্কানদের প্রতি অকুণ্ঠ সমর্থন জানিয়েছেন অজি অধিনায়ক প্যাট কামিন্স।

লঙ্কানদের কঠিন পরিস্থিতির বর্ণনা দিতে গিয়ে কামিন্স বলেন, হোটেলের কয়েকজন কর্মচারী এবং ড্রাইভারের সঙ্গে তার কথা হয়েছে। তারা কী কষ্টই না করছে! তারা একদিন খেয়ে পরের দিন না খেয়ে থাকছেন। যাতে সন্তানদের খাওয়াতে পারেন। কী কষ্ট ভাবতে পারেন! মাঝে মাঝে মনে হয় কতটা সৌভাগ্যবান আমরা! বিশ্বজুড়ে ঘুরে বেড়াচ্ছি। শুধু এখানে এসে ক্রিকেট খেলাই নয়; খেলার কী প্রভাব পড়েছে সেটাও বুঝতে পারছি।

কিন্তু এই সফর তো আর দশটা সাধারণ সফরের মতো নয়। শ্রীলঙ্কার রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যে শেষ হওয়া সফরে মাঠের বাইরের অভিজ্ঞতাও অস্ট্রেলিয়ানদের বড় প্রাপ্তি। শ্রীলঙ্কার এই কঠিনতম সময়ের চাক্ষুষ সাক্ষী অস্ট্রেলিয়া দলের অধিনায়ক প্যাট কামিন্সের বর্ণনায় উঠে এসেছে লঙ্কানদের লড়াইয়ের করুণ চিত্র।