ঢাকা ০২:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ওমানে ড্রোন বিধ্বস্ত : দুই শ্রমিক নিহত হরমুজ সংকটে তেলের দাম আবার ১০০ ডলারের ওপরে বিয়ের শোভাযাত্রা থেকে লাশের মিছিল, স্ত্রী-সন্তানসহ ৯ স্বজন হারিয়ে স্তব্ধ জনি রাষ্ট্রপতির তিন অপরাধে ভাষণ বর্জন: জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান খুলনা-মোংলা মহাসড়কে ভয়াবহ সংঘর্ষ, নিহত ১৩ মানুষই ছিল অ্যালার্ম ঘড়ি: ব্রিটেন-আয়ারল্যান্ডের এক বিস্মৃত পেশার গল্প ফ্যাসিবাদী আমলে পুলিশকে দলীয় বাহিনী হিসেবে ব্যবহার করা হয় সংসদে রাষ্ট্রপতি সংসদের প্রথম অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন সিইসি, ড. ইউনূস ও বিদেশি রাষ্ট্রদূতরা পাটপণ্যের ব্যবহার বাড়াতে উদ্যোগী সরকার: কৃষক-উদ্যোক্তা উৎসাহিত হবে: বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী নন্দনে নিউজ কলকাতার ত্রৈমাসিক সাহিত্য অনুষ্ঠান ও গুণীজন সংবর্ধনা

Bangladeshi women : বাংলাদেশি নারী ‘ডোলমা খাং পার্বত জয়’

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:০৩:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ নভেম্বর ২০২২ ২০৪ বার পড়া হয়েছে

ডোলমা খাং পর্বতচূড়ায় বাংলাদেশের পতাকা নিয়ে শায়লা বীথি ছবি: সংগৃহীত

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

‘ডোলমা খাংয়ের শীর্ষে আরোহণ করা এবং সেখানে দেশের পতাকা তুলে ধরে গর্ববোধ করেন বিথি। পর্বতচূড়ায় আমি যুদ্ধবিরোধী বার্তাসংবলিত প্ল্যাকার্ড বহন করে নিয়ে যাই এবং ছবি তুলি। এসব ছবি যুদ্ধবিরোধী প্রচারে ব্যবহার করব’

 

 

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

হিমালয়ের ৬ হাজার ৩৩২ মিটার উঁচু ডোলমা খাং পর্বতচূড়া জয় করেছেন পর্বতারোহী শায়লা বীথি। তিনি প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসেবে দুর্গম এ পর্বতচূড়ায় পা রাখলেন। শনিবার সকাল ৮টা ২০ মিনিটে পর্বতচূড়ায় পৌঁছান। রবিবার পর্বতচূড়া থেকে সফলভাবে সমতলে নেমে আসেন। এদিন নেপাল থেকে মুঠোফোনে এমন তথ্য জানান।

এই অভিযানের শিরোনাম ছিল, ‘দ্য ডোলমা খাং চ্যালেঞ্জ: ফিচার শায়লা বীথি অ্যান্ড জেডএম অ্যাকুয়াবোম্ব’।

অভিযানের উদ্দেশ্যে ২৯ অক্টোবর ঢাকা ছাড়েন বিথি। ৩১ অক্টোবর কাঠমান্ডু থেকে ডোলমা খাংয়ের উদ্দেশে যাত্রা। সেদিন চেট চেট নামের একটি এলাকা থেকে ট্রেকিং শুরু করেন। শায়লা বীথির সঙ্গে ছিলেন স্থানীয় এক শেরপা। তিন ঘণ্টার ট্রেকিংয়ের পর তারা সিমিগাঁও নামের একটি গ্রামে পৌঁছান এবং রাত্রিবাস। সকালের সূর্যকে সঙ্গী পরদিন ফের ট্রেকিং। এরপর চার দিনে চুশা, চোডার গ্রাম হয়ে পৌঁছে যান বেদিং গ্রামে সেখানে ডোলমা খাং পর্বতের বেজক্যাম্প অবস্থিত।

শনিবার হাইক্যাম্প হয়ে সকাল ৮টা ২০ মিনিটে ডোলমা খাংয়ের চূড়ায় বাংলাদেশের পতাকা উড়ান বীথি। সেখানে কিছু সময় অবস্থান করে শুরু হয় নামার পালা। এরপর সমতলে ফেরেন।

ডোলমা খাং পর্বতচূড়ায় বাংলাদেশের পতাকা নিয়ে শায়লা বীথি ছবি: সংগৃহীত

শায়লা বীথি ২০১৬ সালে ভারতের নেহরু ইনস্টিটিউট অব মাউন্টেনিয়ারিং থেকে পর্বতারোহণের মৌলিক প্রশিক্ষণ কোর্স সম্পন্ন করেন। প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসেবে ২০১৮ সালের মে মাসে তিব্বতের লাকপারি (৭ হাজার ৪৫ মিটার) পর্বতচূড়া জয় করেন। ২০১৯ সালের মে মাসে প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসেবে হিমালয়ের দুর্গম তাশিলাপচা (৫ হাজার ৭৫৫ মিটার) গিরিপথ পার হন। প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসেবে ২০২১ সালের নভেম্বরে হিমালয়ের বিখ্যাত থ্রি-পাস অতিক্রম করেন।

এ ছাড়া শায়লা বীথি ২০১৫ সালে নেপালের মাউন্ট কেয়াজুরির বেজক্যাম্প (১৫ হাজার ৫০০ ফুট উচ্চতা) ট্রেকিং করেন। ২০১৬ সালের অক্টোবরে সফলভাবে নেপালের মেরা পর্বতের চূড়ায় (৬ হাজার ৪৭৪ মিটার) ওঠেন।

২০১৭ সালের এপ্রিলে নেপালের থ্রংলা পাস (৫ হাজার ৪১৬ মিটার) অতিক্রম করেন। ২০১৭ সালের অক্টোবরে প্রথম বাংলাদেশি দলের অংশ হয়ে মানাসলু সার্কিট (৫ হাজার ১০৬ মিটার) সম্পন্ন করেন।

নয়টি পর্বতাভিযান, ট্রেকিং ও ট্রেনিংয়ের অভিজ্ঞতা রয়েছে এই পর্বতারোহীর। এর আগে গত বছরের অক্টোবরে হিমালয়ের ৬ হাজার ১৮৯ মিটার উঁচু আইল্যান্ড পর্বতচূড়া জয় করেন।

ডোলমা খাংয়ের শীর্ষে আরোহণ করা এবং সেখানে দেশের পতাকা তুলে ধরে গর্ববোধ করেন বিথি। পর্বতচূড়ায় আমি যুদ্ধবিরোধী বার্তাসংবলিত প্ল্যাকার্ড বহন করে নিয়ে যাই এবং ছবি তুলি। এসব ছবি যুদ্ধবিরোধী প্রচারে ব্যবহার করব।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

Bangladeshi women : বাংলাদেশি নারী ‘ডোলমা খাং পার্বত জয়’

আপডেট সময় : ১১:০৩:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ নভেম্বর ২০২২

‘ডোলমা খাংয়ের শীর্ষে আরোহণ করা এবং সেখানে দেশের পতাকা তুলে ধরে গর্ববোধ করেন বিথি। পর্বতচূড়ায় আমি যুদ্ধবিরোধী বার্তাসংবলিত প্ল্যাকার্ড বহন করে নিয়ে যাই এবং ছবি তুলি। এসব ছবি যুদ্ধবিরোধী প্রচারে ব্যবহার করব’

 

 

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

হিমালয়ের ৬ হাজার ৩৩২ মিটার উঁচু ডোলমা খাং পর্বতচূড়া জয় করেছেন পর্বতারোহী শায়লা বীথি। তিনি প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসেবে দুর্গম এ পর্বতচূড়ায় পা রাখলেন। শনিবার সকাল ৮টা ২০ মিনিটে পর্বতচূড়ায় পৌঁছান। রবিবার পর্বতচূড়া থেকে সফলভাবে সমতলে নেমে আসেন। এদিন নেপাল থেকে মুঠোফোনে এমন তথ্য জানান।

এই অভিযানের শিরোনাম ছিল, ‘দ্য ডোলমা খাং চ্যালেঞ্জ: ফিচার শায়লা বীথি অ্যান্ড জেডএম অ্যাকুয়াবোম্ব’।

অভিযানের উদ্দেশ্যে ২৯ অক্টোবর ঢাকা ছাড়েন বিথি। ৩১ অক্টোবর কাঠমান্ডু থেকে ডোলমা খাংয়ের উদ্দেশে যাত্রা। সেদিন চেট চেট নামের একটি এলাকা থেকে ট্রেকিং শুরু করেন। শায়লা বীথির সঙ্গে ছিলেন স্থানীয় এক শেরপা। তিন ঘণ্টার ট্রেকিংয়ের পর তারা সিমিগাঁও নামের একটি গ্রামে পৌঁছান এবং রাত্রিবাস। সকালের সূর্যকে সঙ্গী পরদিন ফের ট্রেকিং। এরপর চার দিনে চুশা, চোডার গ্রাম হয়ে পৌঁছে যান বেদিং গ্রামে সেখানে ডোলমা খাং পর্বতের বেজক্যাম্প অবস্থিত।

শনিবার হাইক্যাম্প হয়ে সকাল ৮টা ২০ মিনিটে ডোলমা খাংয়ের চূড়ায় বাংলাদেশের পতাকা উড়ান বীথি। সেখানে কিছু সময় অবস্থান করে শুরু হয় নামার পালা। এরপর সমতলে ফেরেন।

ডোলমা খাং পর্বতচূড়ায় বাংলাদেশের পতাকা নিয়ে শায়লা বীথি ছবি: সংগৃহীত

শায়লা বীথি ২০১৬ সালে ভারতের নেহরু ইনস্টিটিউট অব মাউন্টেনিয়ারিং থেকে পর্বতারোহণের মৌলিক প্রশিক্ষণ কোর্স সম্পন্ন করেন। প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসেবে ২০১৮ সালের মে মাসে তিব্বতের লাকপারি (৭ হাজার ৪৫ মিটার) পর্বতচূড়া জয় করেন। ২০১৯ সালের মে মাসে প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসেবে হিমালয়ের দুর্গম তাশিলাপচা (৫ হাজার ৭৫৫ মিটার) গিরিপথ পার হন। প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসেবে ২০২১ সালের নভেম্বরে হিমালয়ের বিখ্যাত থ্রি-পাস অতিক্রম করেন।

এ ছাড়া শায়লা বীথি ২০১৫ সালে নেপালের মাউন্ট কেয়াজুরির বেজক্যাম্প (১৫ হাজার ৫০০ ফুট উচ্চতা) ট্রেকিং করেন। ২০১৬ সালের অক্টোবরে সফলভাবে নেপালের মেরা পর্বতের চূড়ায় (৬ হাজার ৪৭৪ মিটার) ওঠেন।

২০১৭ সালের এপ্রিলে নেপালের থ্রংলা পাস (৫ হাজার ৪১৬ মিটার) অতিক্রম করেন। ২০১৭ সালের অক্টোবরে প্রথম বাংলাদেশি দলের অংশ হয়ে মানাসলু সার্কিট (৫ হাজার ১০৬ মিটার) সম্পন্ন করেন।

নয়টি পর্বতাভিযান, ট্রেকিং ও ট্রেনিংয়ের অভিজ্ঞতা রয়েছে এই পর্বতারোহীর। এর আগে গত বছরের অক্টোবরে হিমালয়ের ৬ হাজার ১৮৯ মিটার উঁচু আইল্যান্ড পর্বতচূড়া জয় করেন।

ডোলমা খাংয়ের শীর্ষে আরোহণ করা এবং সেখানে দেশের পতাকা তুলে ধরে গর্ববোধ করেন বিথি। পর্বতচূড়ায় আমি যুদ্ধবিরোধী বার্তাসংবলিত প্ল্যাকার্ড বহন করে নিয়ে যাই এবং ছবি তুলি। এসব ছবি যুদ্ধবিরোধী প্রচারে ব্যবহার করব।