Azad : মানুষকে পথে বসিয়ে, আত্মসাতের টাকায় বিলাসী জীবন
- আপডেট সময় : ০৯:১০:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অক্টোবর ২০২২ ২৪৯ বার পড়া হয়েছে
খন্দকার আবুল কালাম আজাদ ছবি: সংগৃহীত
নিউজ ডেস্ক
জনতা সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতির নামে সাত হাজারের বেশি গ্রাহকের কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করে বিলাসী জীবন-যাপনে গা ভাসান তিনি। বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে বিলাসবহুল ফ্ল্যাট, বাড়ি-গাড়ির মালিক তিনি। অবশেষ গ্রাহকের টাকা আত্মসাত করে আত্মগোপনে চলে যান। এক পর্যায়ে পালানোর সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে আটক হন।
তার নাম খন্দকার আবুল কালাম আজাদ। ঢাকার উত্তরায় বেশ কয়েকটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাট ও গাড়ি কেনেন। বিভিন্ন ব্যাংকে হিসাব রয়েছে। এ ছাড়া পোস্ট অফিসে স্ত্রীর নামে ২০ লাখ টাকা স্থায়ী আমানত (ফিক্সড ডিপোজিট) রেখেছেন। মঙ্গলবার রাতে ঢাকা থেকে র্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হন।
অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে বিভিন্ন জেলায় ৬০টি মামলার মধ্যে ৩৬টিতে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি রয়েছে।
বুধবার র্যাবের মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন এসব তথ্য জানিয়ে বলেন, প্রতারক চক্রের সদস্যরা সাধারণ মানুষের প্রায় ৭০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে গা ঢাকা দেয়।
র্যাবের ভাষ্য, কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার তারাগুনিয়ার বাসিন্দা খন্দকার আবুল কালাম আজাদ। তিনি ২০০৩ সালে দৌলতপুরে জনতা মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি চালু করেন। সেখানে সহজ শর্তে ব্যবসায়ীদের জন্য মোটা অঙ্কের টাকা ও প্রান্তিক মানুষের জন্য ক্ষুদ্রঋণ বিতরণের কার্যক্রম শুরু করেন। গ্রাহকেরা ‘তফসিলি ব্যাংক’ মনে করে তাতে আমানত রাখতে শুরু করেন।
২০১৩ সালে কুষ্টিয়া, খুলনা, মেহেরপুর, মাগুরা, ঝিনাইদহ, পাবনা, সিরাজগঞ্জ ও রাজশাহী জেলায় প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন করে ‘জনতা সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতি লিমিটেড’ নামে যাত্রা শুরু করে। অনেক ব্যবসায়ীকে প্রতিষ্ঠান মোটা অঙ্কের ঋণ দেওয়ায় ব্যবসায়ীরা ঝুঁকে পড়েন। মূলত আজাদ তাঁর স্ত্রী, ছোট ভাই ও ভাইয়ের স্ত্রী মিলে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করতেন। এভাবে অল্প সময়ে প্রচুর অর্থ জামানত হিসেবে গ্রহণ করে আত্মসাৎ করে প্রতিষ্ঠানটি। ২০১৭ সালে বিভিন্ন জেলা থেকে অফিস গুটিয়ে নেন আজাদ। এরপর তিনিসহ পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা সবাই গা ঢাকা দেন।























