ঢাকা ০২:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলাদেশে ‘বিধর্মী সংসদ সদস্য থাকতে পারে না’ জামায়াতের জনসভা ঘিরে বিতর্ক তায়কোয়ানডো প্রতিযোগিতা সিনিয়রে আনসার, জুনিয়রে বিকেএসপি চ্যাম্পিয়ন কোকোর ১১তম মৃত্যুবার্ষিকীতে বনানীতে কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান অনিশ্চয়তায় অমর একুশে বইমেলা, পহেলা ফেব্রুয়ারিতে একদিনের প্রতীকী আয়োজন দেশপ্রেমের নামে গোপনে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠক করছে তারা: চরমোনাই পীর ঢাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশার দৌরাত্ম্য: সড়কে  বিশৃঙ্খলা, দুর্ঘটনা ও স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়িয়েছে ফরিদপুরে অবৈধ অস্ত্র কারখানায় সেনা অভিযান, একাধিক সরঞ্জাম উদ্ধার পশ্চিমবঙ্গের মুড়িগঙ্গা নদীতে ডুবে গেল বাংলাদেশি জাহাজ, উদ্ধার ১২ জন অস্ট্রেলিয়ায় হাঙরের কামড়ে আহত কিশোরের মৃত্যু বাংলাদেশ ক্রিকেট ইস্যুতে মন্তব্যের পর ভারতে মুসলিম অভিনেতা কেআরকের গ্রেফতার, বিতর্ক তুঙ্গে

Amir of Jamaat : চিকিৎসক ছেলের জঙ্গিসংশ্লিষ্টতা স্বীকার জামায়াত আমিরের

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৫১:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২২ ১৬৪ বার পড়া হয়েছে

গোয়েন্দাদের জিজ্ঞাসাবাদে চিকিৎসক ছেলে রাফাত চৌধুরীর জঙ্গিসংশ্লিষ্টতার কথা স্বীকার করলেন জামায়াতের আমীর ডা. শফিকুর রহমান : ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছেলে জঙ্গীবাদে জড়ানোর বিষয়টি জানা সত্ত্বেও তা চেপে যান এবং আইনশৃঙ্খলাবাহিনীকে অবহিত থেকে বিরত থাকেন ডা. শফিকুর রহমান

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধকালীন জামায়াতে ইসলাম পাকিস্তানি বাহিনীর সঙ্গে হাত মিলিয়ে বুদ্ধিজীবী, মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যালীলায় মেতে ওঠেছিল। ১৯৭৫ সালে বঙ্গববন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর বাংলাদেশের রাজনীতিতে পুনর্বাসিত হয় জামায়াত। ২০০১ সালে খালেদা জিয়ার হাত ধরে মন্ত্রীসভায় স্থান পায় আল বদর নেতা মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী ও আলী আসহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ।

অবশ্য পরবর্তীতে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে দুজনেরই ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দণ্ড কার্যকর করা হয়। জামায়াতের বর্তমান সেক্রেটারী জেনারেল ডা. শফিকুর রহমানের ছেলে ডা. রাফাত চৌধুরী নব্য ‘জঙ্গি সংগঠন জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়া’র সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তাকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দরা। ছেলে জঙ্গীবাদে জড়ানোর বিষয়টি জানা সত্ত্বেও তা চেপে যান এবং আইনশৃঙ্খলাবাহিনীকে অবহিত থেকে বিরত থাকেন।

জামায়াতের বর্তমান সেক্রেটারী জেনারেল ডা. শফিকুর রহমান

গোয়েন্দারা জামায়াতের সঙ্গে জঙ্গী সংশ্লিষ্টতার যোগসূত্র খুঁজতে জামায়াত আশীরকে ৩দিনের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদকালে ছেলের জঙ্গি সম্পৃক্ততা ‘স্বীকার’ করেছেন ডা. শফিক। বৃহস্পতিবার পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট সাংবাদিক বৈঠক করে এসব কথা জানান।

সংস্থাটির প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার আসাদুজ্জামান বলেন, ছেলে জঙ্গিবাদে জড়িয়েছেন জেনেও ডা. শফিকুর নীবর ছিলেন তাই নয়, কয়েকজন যুবককে নিয়ে হিজরত করতে পার্বত্য জেলা বান্দরবানের পাহাড়ে যেতে গিয়ে ব্যর্থ হলে শফিকুর রহমানই তাদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করেন এবং গোটা বিষয়টি তিনি গোপন করেন।

জামায়াতের আমির ডা. শফিকের জঙ্গিবাদে সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে আসাদুজ্জামান বলেন, সন্ত্রাসবাদের সংজ্ঞা অনুযায়ী, কারো সন্তান জঙ্গিবাদে জড়িয়ে যাচ্ছে, তা জানা সত্ত্বেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে না জানানোটাও অপরাধ। অথচ ডা. শফিকের ছেলে হিজরত করছে, তার ছেলে একটা গ্রুপসহ বান্দরবানের পাহাড়ের উদ্দেশে রওনা হয়ে যেতে না পেরে বাবার সঙ্গে যোগাযোগ করেছে, ছেলেসহ অন্যান্যদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা শফিকুর রহমানই করেছেন। এটা সন্ত্রাসবাদের সর্বোচ্চ সহযোগিতা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

Amir of Jamaat : চিকিৎসক ছেলের জঙ্গিসংশ্লিষ্টতা স্বীকার জামায়াত আমিরের

আপডেট সময় : ০৫:৫১:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২২

ছেলে জঙ্গীবাদে জড়ানোর বিষয়টি জানা সত্ত্বেও তা চেপে যান এবং আইনশৃঙ্খলাবাহিনীকে অবহিত থেকে বিরত থাকেন ডা. শফিকুর রহমান

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধকালীন জামায়াতে ইসলাম পাকিস্তানি বাহিনীর সঙ্গে হাত মিলিয়ে বুদ্ধিজীবী, মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যালীলায় মেতে ওঠেছিল। ১৯৭৫ সালে বঙ্গববন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর বাংলাদেশের রাজনীতিতে পুনর্বাসিত হয় জামায়াত। ২০০১ সালে খালেদা জিয়ার হাত ধরে মন্ত্রীসভায় স্থান পায় আল বদর নেতা মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী ও আলী আসহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ।

অবশ্য পরবর্তীতে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে দুজনেরই ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দণ্ড কার্যকর করা হয়। জামায়াতের বর্তমান সেক্রেটারী জেনারেল ডা. শফিকুর রহমানের ছেলে ডা. রাফাত চৌধুরী নব্য ‘জঙ্গি সংগঠন জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়া’র সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তাকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দরা। ছেলে জঙ্গীবাদে জড়ানোর বিষয়টি জানা সত্ত্বেও তা চেপে যান এবং আইনশৃঙ্খলাবাহিনীকে অবহিত থেকে বিরত থাকেন।

জামায়াতের বর্তমান সেক্রেটারী জেনারেল ডা. শফিকুর রহমান

গোয়েন্দারা জামায়াতের সঙ্গে জঙ্গী সংশ্লিষ্টতার যোগসূত্র খুঁজতে জামায়াত আশীরকে ৩দিনের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদকালে ছেলের জঙ্গি সম্পৃক্ততা ‘স্বীকার’ করেছেন ডা. শফিক। বৃহস্পতিবার পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট সাংবাদিক বৈঠক করে এসব কথা জানান।

সংস্থাটির প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার আসাদুজ্জামান বলেন, ছেলে জঙ্গিবাদে জড়িয়েছেন জেনেও ডা. শফিকুর নীবর ছিলেন তাই নয়, কয়েকজন যুবককে নিয়ে হিজরত করতে পার্বত্য জেলা বান্দরবানের পাহাড়ে যেতে গিয়ে ব্যর্থ হলে শফিকুর রহমানই তাদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করেন এবং গোটা বিষয়টি তিনি গোপন করেন।

জামায়াতের আমির ডা. শফিকের জঙ্গিবাদে সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে আসাদুজ্জামান বলেন, সন্ত্রাসবাদের সংজ্ঞা অনুযায়ী, কারো সন্তান জঙ্গিবাদে জড়িয়ে যাচ্ছে, তা জানা সত্ত্বেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে না জানানোটাও অপরাধ। অথচ ডা. শফিকের ছেলে হিজরত করছে, তার ছেলে একটা গ্রুপসহ বান্দরবানের পাহাড়ের উদ্দেশে রওনা হয়ে যেতে না পেরে বাবার সঙ্গে যোগাযোগ করেছে, ছেলেসহ অন্যান্যদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা শফিকুর রহমানই করেছেন। এটা সন্ত্রাসবাদের সর্বোচ্চ সহযোগিতা।