ঢাকা ০৪:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
তারেক রহমানের নেতৃত্বে সমৃদ্ধ বাংলাদেশের নতুন অভিযাত্রা বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে আইসিসির সিদ্ধান্ত এক দিনের মধ্যে চূড়ান্ত ইউএপির দুই শিক্ষককে চাকরিতে পুনর্বহালের দাবি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্কের বাংলাদেশের বিশ্বকাপ ইস্যুতে আজ কী সিদ্ধান্ত নেবে আইসিসি? ২২ জানুয়ারী মওলানা ভাসানীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ৫৪তম বার্ষিকী বাংলাদেশে ১০ থেকে ১৫টি ব্যাংক থাকলেই যথেষ্ট: কেন্দ্রীয় ব্যাংক গভর্নর মব সৃষ্টি করে জনমত প্রভাবিত করার দিন আর নেই: জামায়াত আমির বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রাসহ বেনাপোলে এক বাংলাদেশি পাসপোর্ট যাত্রী আটক বস্তিবাসীদের উন্নত শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করার আশ্বাস তারেক রহমানের চাপ তৈরি করে ভারতে খেলাতে বাধ্য করা যাবে না

মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করতে ‘লাঠিপেটা’ আইন

ভয়েস রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০৮:০৮:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ মে ২০২১ ২২৫ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

করোনার প্রাদুর্ভাবরোধে লকডাউনসহ নানা রকমের নির্দেশনা জারি করেও কোন লাভ হয়নি। সাধারণ মানুষ এসব বিধিনিষেধ তেমন একটা তোয়াক্কা নেয়নি। একারণে করোনা সংক্রমণ রুখা কঠিন হয়ে পড়েছে। এবারে মাস্কপরা বাধ্যতামূলক করতে ‘লাঠিপেটা’ নির্বাহী ক্ষমতা দেওয়া হবে পুলিশকে।

বাংলাদেশে বর্তমান আইনে মাস্ক পরতে বাধ্য করার বিধান নেই। একারণে কঠোর অবস্থানে যেতে পারছে না পুলিশ। স্বাস্থ্যবিধি ও মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করতে পুলিশকে নির্বাহী ক্ষমতা দিয়ে আইন সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

বৃটিশ আইনে লাঠিপেটা বা বেত্রাঘাতের নিয়ম থাকলেও তা বাতিল করা। বর্তমানে বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আইনি শাস্তির বড় বিষয়গুলো রয়েছে পেনাল কোডে। কিন্তু পেনাল কোডে বেত্রাঘাত বা লাঠিপেটার বিধান নেই। হুইপিং (চাবুক) অ্যাক্ট, ১৯০৯ নামের একটি আইন চালু রয়েছে। মাস্ক পরার ক্ষেত্রে সেটা ব্যবহার করা যায় কিনা-সেটাও মাথা রেখে এগুনো হচ্ছে।

এটি হলে পুলিশ সাধারণের ওপর প্রয়োজনে লাঠি চালাতে পারবে। সরকারকারের শীর্ষ আধিকারীকরা জােিয়ছেন, করোনার সংক্রমণ রোধে দীর্ঘমেয়াদী উদ্যোগে জোর দেওয়া হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, যারা মাস্ক পরছে তারা সেভ থাকছে। অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে না যে করোনা সহজে চলে যাবে। আমরা মাস্ক পরা শতভাগ নিশ্চিত করতে চাই। এজন্য আইন সংশোধন করে জরিমানাসহ আইনে আরও কঠোর ব্যবস্থার বিষয়টি ভাবা হচ্ছে।

এর আগে কয়েক দফা লকডাউন ঘোষণার পর কার্যত তা সফলতা পায়নি। ঈদকে সামনে রেখে মানুষের বেপারোয়া চলাচলে তৃতীয় ঢেউ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে সরকার। ঈদের পর ফের কঠোর ডাউনের পথে হাটছে সরকার।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করতে ‘লাঠিপেটা’ আইন

আপডেট সময় : ০৮:০৮:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ মে ২০২১

করোনার প্রাদুর্ভাবরোধে লকডাউনসহ নানা রকমের নির্দেশনা জারি করেও কোন লাভ হয়নি। সাধারণ মানুষ এসব বিধিনিষেধ তেমন একটা তোয়াক্কা নেয়নি। একারণে করোনা সংক্রমণ রুখা কঠিন হয়ে পড়েছে। এবারে মাস্কপরা বাধ্যতামূলক করতে ‘লাঠিপেটা’ নির্বাহী ক্ষমতা দেওয়া হবে পুলিশকে।

বাংলাদেশে বর্তমান আইনে মাস্ক পরতে বাধ্য করার বিধান নেই। একারণে কঠোর অবস্থানে যেতে পারছে না পুলিশ। স্বাস্থ্যবিধি ও মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করতে পুলিশকে নির্বাহী ক্ষমতা দিয়ে আইন সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

বৃটিশ আইনে লাঠিপেটা বা বেত্রাঘাতের নিয়ম থাকলেও তা বাতিল করা। বর্তমানে বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আইনি শাস্তির বড় বিষয়গুলো রয়েছে পেনাল কোডে। কিন্তু পেনাল কোডে বেত্রাঘাত বা লাঠিপেটার বিধান নেই। হুইপিং (চাবুক) অ্যাক্ট, ১৯০৯ নামের একটি আইন চালু রয়েছে। মাস্ক পরার ক্ষেত্রে সেটা ব্যবহার করা যায় কিনা-সেটাও মাথা রেখে এগুনো হচ্ছে।

এটি হলে পুলিশ সাধারণের ওপর প্রয়োজনে লাঠি চালাতে পারবে। সরকারকারের শীর্ষ আধিকারীকরা জােিয়ছেন, করোনার সংক্রমণ রোধে দীর্ঘমেয়াদী উদ্যোগে জোর দেওয়া হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, যারা মাস্ক পরছে তারা সেভ থাকছে। অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে না যে করোনা সহজে চলে যাবে। আমরা মাস্ক পরা শতভাগ নিশ্চিত করতে চাই। এজন্য আইন সংশোধন করে জরিমানাসহ আইনে আরও কঠোর ব্যবস্থার বিষয়টি ভাবা হচ্ছে।

এর আগে কয়েক দফা লকডাউন ঘোষণার পর কার্যত তা সফলতা পায়নি। ঈদকে সামনে রেখে মানুষের বেপারোয়া চলাচলে তৃতীয় ঢেউ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে সরকার। ঈদের পর ফের কঠোর ডাউনের পথে হাটছে সরকার।