ঢাকা ০৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত খোলার আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আন্তর্জাতিক বাজারে ইলিশ রপ্তানির সক্ষমতা বাড়ানোর তাগিদ ভূরাজনীতিতে নতুন সমীকরণ মালয়েশিয়া ও চীন সফরে বাংলাদেশের কূটনৈতিক অগ্রযাত্রা পলাশীর ইতিহাস বাংলাকে শ্মশানে পরিণত করার ইতিহাস দুর্যোগকবলিত উপকূল সুরক্ষায় জাতীয় বাজেটে বিশেষ বরাদ্দের দাবি সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক স্থগিত ট্রাম্পের অযৌক্তিক যুদ্ধ ও অবাস্তব প্রত্যাশার ফল  ইরান চুক্তি যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে নতুন মোড় দশকের বৈরিতার পর সমঝোতা নতুন অধ্যায়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান পরীমনির সঙ্গে ‘অনৈতিক সম্পর্ক’ অভিযোগে চাকরি হারালেন অতিরিক্ত এসপি গোলাম সাকলায়েন এক বছরে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের আমানত ৪১ শতাংশ বৃদ্ধি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমেদের পদত্যাগ

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:১৩:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬ ২১৯ বার পড়া হয়েছে

প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমেদের পদত্যাগ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
পদত্যাগ করেছেন অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমেদ। রোববার (১০ মে) তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যের কাছে নিজের পদত্যাগপত্র জমা দেন।

পদত্যাগপত্রে তিনি উল্লেখ করেন, আবেদনপত্র জমাদানের তারিখ থেকেই তার পদত্যাগ কার্যকর হবে। গত ২০ মাস ধরে প্রক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা রক্ষা ও শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করার সুযোগ পাওয়াকে তিনি গৌরবের বিষয় হিসেবে উল্লেখ করেন।

তিনি লেখেন, তার প্রতি যে আস্থা রাখা হয়েছে এবং নিবেদিতপ্রাণ সহকর্মীদের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন, সেজন্য তিনি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। ব্যক্তিগত কারণে প্রক্টর পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর প্রয়োজন অনুভব করছেন বলেও জানান তিনি।

তবে একাডেমিক দায়িত্ব পালনে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি তার প্রতিশ্রুতি অব্যাহত থাকবে উল্লেখ করে অধ্যাপক সাইফুদ্দীন বলেন, দায়িত্ব হস্তান্তরের প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে তিনি সহযোগিতা করবেন।

পদত্যাগপত্রে তিনি সহকারী প্রক্টর, কর্মকর্তা-কর্মচারী, সহকর্মী, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দপ্তর, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সাংবাদিক, অ্যালামনাই, শুভানুধ্যায়ী এবং শিক্ষার্থীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

এ বিষয়ে তিনি গণমাধ্যমকে জানান, নিজেকে ও পরিবারকে সময় দেওয়া এবং একাডেমিক কাজে আরও বেশি মনোযোগ দিতেই তিনি পদ থেকে অব্যাহতি চেয়েছেন।

অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমেদ বলেন, নতুন উপাচার্য দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তিনি পদত্যাগের ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। তবে হঠাৎ সরে গেলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনে সংকট তৈরি হতে পারে বিবেচনায় কিছুটা সময় নিয়েছেন।

তিনি বলেন, “এটি একটি রুটিন দায়িত্ব। কিন্তু এই দায়িত্ব পালনের কারণে আমি একাডেমিক কাজ ও পরিবারকে যথেষ্ট সময় দিতে পারছিলাম না। আমার মনে হয়েছে, এখন কিছুটা বিশ্রাম প্রয়োজন।”

তিনি আরও বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের সময় বিশ্ববিদ্যালয় একটি গভীর সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল। বর্তমানে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। তাই এখন সরে দাঁড়ালেও বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না।

সবশেষে তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই উপাচার্যের সঙ্গে আলোচনা চলছিল এবং পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতেই তার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমেদের পদত্যাগ

আপডেট সময় : ০৪:১৩:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬
পদত্যাগ করেছেন অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমেদ। রোববার (১০ মে) তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যের কাছে নিজের পদত্যাগপত্র জমা দেন।

পদত্যাগপত্রে তিনি উল্লেখ করেন, আবেদনপত্র জমাদানের তারিখ থেকেই তার পদত্যাগ কার্যকর হবে। গত ২০ মাস ধরে প্রক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা রক্ষা ও শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করার সুযোগ পাওয়াকে তিনি গৌরবের বিষয় হিসেবে উল্লেখ করেন।

তিনি লেখেন, তার প্রতি যে আস্থা রাখা হয়েছে এবং নিবেদিতপ্রাণ সহকর্মীদের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন, সেজন্য তিনি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। ব্যক্তিগত কারণে প্রক্টর পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর প্রয়োজন অনুভব করছেন বলেও জানান তিনি।

তবে একাডেমিক দায়িত্ব পালনে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি তার প্রতিশ্রুতি অব্যাহত থাকবে উল্লেখ করে অধ্যাপক সাইফুদ্দীন বলেন, দায়িত্ব হস্তান্তরের প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে তিনি সহযোগিতা করবেন।

পদত্যাগপত্রে তিনি সহকারী প্রক্টর, কর্মকর্তা-কর্মচারী, সহকর্মী, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দপ্তর, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সাংবাদিক, অ্যালামনাই, শুভানুধ্যায়ী এবং শিক্ষার্থীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

এ বিষয়ে তিনি গণমাধ্যমকে জানান, নিজেকে ও পরিবারকে সময় দেওয়া এবং একাডেমিক কাজে আরও বেশি মনোযোগ দিতেই তিনি পদ থেকে অব্যাহতি চেয়েছেন।

অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমেদ বলেন, নতুন উপাচার্য দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তিনি পদত্যাগের ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। তবে হঠাৎ সরে গেলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনে সংকট তৈরি হতে পারে বিবেচনায় কিছুটা সময় নিয়েছেন।

তিনি বলেন, “এটি একটি রুটিন দায়িত্ব। কিন্তু এই দায়িত্ব পালনের কারণে আমি একাডেমিক কাজ ও পরিবারকে যথেষ্ট সময় দিতে পারছিলাম না। আমার মনে হয়েছে, এখন কিছুটা বিশ্রাম প্রয়োজন।”

তিনি আরও বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের সময় বিশ্ববিদ্যালয় একটি গভীর সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল। বর্তমানে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। তাই এখন সরে দাঁড়ালেও বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না।

সবশেষে তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই উপাচার্যের সঙ্গে আলোচনা চলছিল এবং পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতেই তার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে।