ঢাকা ০৫:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চীনের সঙ্গে গভীরতর শিল্প অংশীদারত্বে আগ্রহী বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী বিএনপি ও চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যায় লক্ষ্যবস্তু শিশুরা: জাতিসংঘের তদন্ত কমিশন চীন সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিনিয়োগ, কৌশলগত অংশীদারত্ব ও রাজনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত খোলার আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আন্তর্জাতিক বাজারে ইলিশ রপ্তানির সক্ষমতা বাড়ানোর তাগিদ ভূরাজনীতিতে নতুন সমীকরণ মালয়েশিয়া ও চীন সফরে বাংলাদেশের কূটনৈতিক অগ্রযাত্রা পলাশীর ইতিহাস বাংলাকে শ্মশানে পরিণত করার ইতিহাস দুর্যোগকবলিত উপকূল সুরক্ষায় জাতীয় বাজেটে বিশেষ বরাদ্দের দাবি সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক স্থগিত

এলিট ফোর্সের  নাম বদলে হচ্ছে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স’

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৭:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১৬৫ বার পড়া হয়েছে

এলিট ফোর্সের  নাম বদলে হচ্ছে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স’

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-এর নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী ইউনূস সরকার। বাংলাদেশের এলিট এই বাহিনীটি এখন থেকে নতুন নামে পরিচিত হবে  স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স’ (এসআইএফ)।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত আইনশৃঙ্খলাসংক্রান্ত কোর কমিটির বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। তিনি বলেন, এ বিষয়ে একটি কমিটি সুপারিশ করেছিল এবং খুব শিগগিরই এ সংক্রান্ত সরকারি আদেশ (অর্ডার) জারি করা হবে।

২০০৪ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের কুচকাওয়াজে অংশগ্রহণের মাধ্যমে র্যাবের আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ ঘটে। একই বছরের ১৪ এপ্রিল রমনা বটমূলে পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠানে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মধ্য দিয়ে বাহিনীটি প্রথম অপারেশনাল দায়িত্ব পালন করে। এরপর প্রাথমিকভাবে তথ্য সংগ্রহে নিয়োজিত থাকলেও ২০০৪ সালের ২১ জুন থেকে র্যাব পূর্ণাঙ্গভাবে অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু করে।

উল্লেখ্য, নিরাপত্তা বাহিনীর নাম পরিবর্তনের দৃষ্টান্ত বাংলাদেশে নতুন নয়। ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় তৎকালীন সীমান্ত প্রহরী বাহিনী বাংলাদেশ রাইফেলস (বিডিআর)-এর বিদ্রোহে ৫৬ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ১৭ জন সাধারণ মানুষ নিহত হন। ওই ঘটনার পর বাহিনীটির নাম পরিবর্তন করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) করা হয়।

র্যাবের নাম পরিবর্তনের এই সিদ্ধান্ত দেশের আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

এলিট ফোর্সের  নাম বদলে হচ্ছে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স’

আপডেট সময় : ০৪:৫৭:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-এর নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী ইউনূস সরকার। বাংলাদেশের এলিট এই বাহিনীটি এখন থেকে নতুন নামে পরিচিত হবে  স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স’ (এসআইএফ)।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত আইনশৃঙ্খলাসংক্রান্ত কোর কমিটির বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। তিনি বলেন, এ বিষয়ে একটি কমিটি সুপারিশ করেছিল এবং খুব শিগগিরই এ সংক্রান্ত সরকারি আদেশ (অর্ডার) জারি করা হবে।

২০০৪ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের কুচকাওয়াজে অংশগ্রহণের মাধ্যমে র্যাবের আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ ঘটে। একই বছরের ১৪ এপ্রিল রমনা বটমূলে পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠানে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মধ্য দিয়ে বাহিনীটি প্রথম অপারেশনাল দায়িত্ব পালন করে। এরপর প্রাথমিকভাবে তথ্য সংগ্রহে নিয়োজিত থাকলেও ২০০৪ সালের ২১ জুন থেকে র্যাব পূর্ণাঙ্গভাবে অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু করে।

উল্লেখ্য, নিরাপত্তা বাহিনীর নাম পরিবর্তনের দৃষ্টান্ত বাংলাদেশে নতুন নয়। ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় তৎকালীন সীমান্ত প্রহরী বাহিনী বাংলাদেশ রাইফেলস (বিডিআর)-এর বিদ্রোহে ৫৬ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ১৭ জন সাধারণ মানুষ নিহত হন। ওই ঘটনার পর বাহিনীটির নাম পরিবর্তন করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) করা হয়।

র্যাবের নাম পরিবর্তনের এই সিদ্ধান্ত দেশের আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে।