সকল চেষ্টা ব্যর্থ, চলে গেলেন শরিফ ওসমান হাদি
- আপডেট সময় : ১০:২৭:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫ ৫৮ বার পড়া হয়েছে
ঢাকার বিজয় নগরে গুলিবিদ্ধ শরিফ ওসমান হাদি ৭দিনের মাথায় সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গিয়েছেন।
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা–৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদি সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাবার খবর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বৃহস্পতিবার রাত ১০টার নাগাদ সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। ইনকিলাব মঞ্চের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজেও তার মৃত্যুর খবর প্রকাশিত হয়েছে।
গত শুক্রবার দুপুরে পুরানা পল্টনের বক্স কালভার্ট এলাকায় রিকশায় সওয়ার অবস্থায় শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করা হয়। মাথায় গুলিবিদ্ধ তিনি গুরুতর অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। গত সোমবার দুপুরে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সঙ্গে ছিলেন তার ভাই ও বাংলাদেশি চিকিৎসক ও নার্সরা।
ওসমান হাদির শারীরিক অবস্থা গুরুতর থাকায় চিকিৎসা চলাকালীন সময় থেকেই ব্যাপক উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং পূর্বে জানিয়েছিল, তার অবস্থার উন্নতি আশানুরূপ নয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই তার শারীরিক অবস্থার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন।

এই হত্যাচেষ্টার ঘটনায় ফয়সাল করিম মাসুদকে প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে চিহ্নিত করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তার সহযোগী আলমগীর শেখ মোটরসাইকেলের চালক হিসেবে যুক্ত ছিলেন। পুলিশ ও র্যাবের তথ্য অনুযায়ী, উভয়ে সীমান্ত অমান্য করে ভারতে পালিয়ে গেছেন।
এখন পর্যন্ত হত্যাচেষ্টার ঘটনায় ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এদের মধ্যে ফয়সালের বাবা মো. হুমায়ুন কবির (৭০) ও মা মোসা হাসি বেগম (৬০), স্ত্রী সাহেদা পারভিন সামিয়া এবং শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ সিপু রয়েছেন।
বাকি গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মো. নুরুজ্জামান নোমানী ওরফে উজ্জ্বল, মো. কবির, আব্দুল হান্নান, মো. হিরন, মো. রাজ্জাক, ফয়সালের বান্ধবী মারিয়া আক্তার, এবং হালুয়াঘাট সীমান্তে মানবপাচারের সঙ্গে যুক্ত সিমিরন দিও ও সঞ্জয় চিসিম।
শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যু রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলেছে। তিনি দেশে ও প্রবাসে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন এবং তার মৃত্যুতে সমর্থক ও রাজনৈতিক মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।



















