ঢাকা ০৭:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ভেনেজুয়েলায় ভয়াবহ ভূমিকম্প ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা হাজারো স্বপ্ন, উদ্ধার ১,৪৩০ মরদেহ সফল দেশের স্বীকৃতি ফল উৎপাদনে নতুন উচ্চতায় বাংলাদেশ, বিশ্বে গড়ছে দৃষ্টান্ত দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বেইজিং থেকে দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুমের শিকার পরিবারের ভাতা বরাদ্দ এই বাজেটেই প্রতিশ্রুতি মির্জা ফখরুলের হামে মৃত্যু ৭০০ ছাড়াল, বাড়ছে উদ্বেগ তিস্তা প্রকল্প বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস চীনের: মাহদী আমিন বাংলা কিউআর চালু হলে বদলে যাবে ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা ভেনেজুয়েলায় ভয়াবহ ভূমিকম্প ধ্বংসস্তূপে চাপা শত শত প্রাণ, উদ্ধার ২৩৫ মরদেহ চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠক

ভারতে আটক ১৯ জেলের আবেগঘন প্রত্যাবর্তন: পরিবারে ফিরলেন ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:২৮:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৯৬ বার পড়া হয়েছে

ভারতে আটক ১৯ জেলের আবেগঘন প্রত্যাবর্তন

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আমিনুল হক ভূইয়া

ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের শান্তির হাটের জেলেরা তিন মাস পাঁচ দিন পরে অবশেষে বাংলাদেশের মাটিতে ফিরে এল। দীর্ঘ নির্যাতন অনিশ্চয়তার দিনগুলো পার করে তারা বুধবার সোয়া পাঁচটায়  মংলা ফোর্টে পৌঁছান। এই দীর্ঘকালীন বিচ্ছিন্নতা তাদের পরিবারের জন্যও ছিল নিঃসন্দেহে দুঃসহ উদ্বেগপূর্ণ সময়।

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলা সমিতির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আল মামুন শেখ বলেন, জেলেদের জন্য অবিলম্বে সহায়তার উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন ছিল। আমরা উপজেলা প্রশাসন অন্যান্য সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছিলাম। ভোলা সদর উপজেলা কর্মকর্তা আরিফুজ জামানের সঙ্গে আল মামুন শেখের যৌথ উদ্যোগেই জেলেদের মুক্তির প্রক্রিয়াটি এগিয়ে যায়।

ডিসি মহোদয়ের সক্রিয় সহযোগিতা মৎস্য মন্ত্রণালয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংযুক্ত প্রচেষ্টায় জেলেরা নিরাপদে দেশে ফিরে আসে। মংলা ফোর্টে পরিবার আত্মীয়স্বজন তাদের পাশে দাঁড়ায়। ১৯ জেলের প্রত্যেকের চোখে আনন্দের অশ্রু, দীর্ঘদিনের চাপ ভয় সামলানো সহজ ছিল না।

পরিবারগুলো বলেছে, এই সময় তাদের জীবনে সবচেয়ে কঠিন সময় ছিল, যখন কোনো খবর বা যোগাযোগের সুযোগ ছিল না।

মৎস্যজীবীরা জানান, প্রতিদিনের মাছ ধরার কাজ ছিল তাদের জীবিকা গর্বের উৎস। দীর্ঘ সময়ের বিচ্ছিন্নতা বিদেশী কারাগারের কষ্ট তারা কখনও ভুলবেন না। তবে আজকের দিন তাদের জন্য নতুন আশার বার্তা, যে দেশে ফিরে তারা আবার স্বাভাবিক জীবন শুরু করতে পারবে।

এই প্রত্যাবর্তন শুধু ব্যক্তিগত নয়, বরং স্থানীয় মৎস্য সম্প্রদায়ের জন্যও শিক্ষণীয়। এটি প্রমাণ করে যে, সমন্বিত প্রচেষ্টা মানবিক উদ্যোগের মাধ্যমে প্রতিকূল পরিস্থিতি থেকেও পরিবার সমাজকে ফেরানো সম্ভব।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ভারতে আটক ১৯ জেলের আবেগঘন প্রত্যাবর্তন: পরিবারে ফিরলেন ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী

আপডেট সময় : ০৭:২৮:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫

আমিনুল হক ভূইয়া

ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের শান্তির হাটের জেলেরা তিন মাস পাঁচ দিন পরে অবশেষে বাংলাদেশের মাটিতে ফিরে এল। দীর্ঘ নির্যাতন অনিশ্চয়তার দিনগুলো পার করে তারা বুধবার সোয়া পাঁচটায়  মংলা ফোর্টে পৌঁছান। এই দীর্ঘকালীন বিচ্ছিন্নতা তাদের পরিবারের জন্যও ছিল নিঃসন্দেহে দুঃসহ উদ্বেগপূর্ণ সময়।

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলা সমিতির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আল মামুন শেখ বলেন, জেলেদের জন্য অবিলম্বে সহায়তার উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন ছিল। আমরা উপজেলা প্রশাসন অন্যান্য সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছিলাম। ভোলা সদর উপজেলা কর্মকর্তা আরিফুজ জামানের সঙ্গে আল মামুন শেখের যৌথ উদ্যোগেই জেলেদের মুক্তির প্রক্রিয়াটি এগিয়ে যায়।

ডিসি মহোদয়ের সক্রিয় সহযোগিতা মৎস্য মন্ত্রণালয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংযুক্ত প্রচেষ্টায় জেলেরা নিরাপদে দেশে ফিরে আসে। মংলা ফোর্টে পরিবার আত্মীয়স্বজন তাদের পাশে দাঁড়ায়। ১৯ জেলের প্রত্যেকের চোখে আনন্দের অশ্রু, দীর্ঘদিনের চাপ ভয় সামলানো সহজ ছিল না।

পরিবারগুলো বলেছে, এই সময় তাদের জীবনে সবচেয়ে কঠিন সময় ছিল, যখন কোনো খবর বা যোগাযোগের সুযোগ ছিল না।

মৎস্যজীবীরা জানান, প্রতিদিনের মাছ ধরার কাজ ছিল তাদের জীবিকা গর্বের উৎস। দীর্ঘ সময়ের বিচ্ছিন্নতা বিদেশী কারাগারের কষ্ট তারা কখনও ভুলবেন না। তবে আজকের দিন তাদের জন্য নতুন আশার বার্তা, যে দেশে ফিরে তারা আবার স্বাভাবিক জীবন শুরু করতে পারবে।

এই প্রত্যাবর্তন শুধু ব্যক্তিগত নয়, বরং স্থানীয় মৎস্য সম্প্রদায়ের জন্যও শিক্ষণীয়। এটি প্রমাণ করে যে, সমন্বিত প্রচেষ্টা মানবিক উদ্যোগের মাধ্যমে প্রতিকূল পরিস্থিতি থেকেও পরিবার সমাজকে ফেরানো সম্ভব।