ঢাকা ০৯:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বহুদলীয় গণতন্ত্র ও ধর্মীয় মূল্যবোধ রক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর: তথ্যমন্ত্রী ইরানের প্রতি মানবিক সহমর্মিতা জানিয়ে পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে চীন মার্কিন হামলার পরও খারগ দ্বীপ থেকে তেল রপ্তানি অব্যাহত: ইরান ডলার নয়, ইউয়ানে লেনদেন হলে খুলতে পারে হরমুজ প্রণালি আমিরাতের জ্বালানি স্থাপনায় ইরানের হামলা ৫০ হাজার কোটি টাকার পোলট্রি খাত ঝুঁকিতে, খামারিদের রক্ষায় ৬ দফা দাবি পেঁয়াজ-আলুর দামপতনে কৃষকের কান্না, `কৃষিপণ্য কমিশন গঠনের দাবি’ বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ভোটের কালি শুকানোর আগেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ শুরু: প্রধানমন্ত্রী ফিরলেন কাতারে আটকে পড়া ৪৩০ বাংলাদেশি

টমাহক নয়, শান্তির পথে ট্রাম্প: রাশিয়ার শর্তেই যুদ্ধবিরতির আহ্বান

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:২৯:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫ ১২০ বার পড়া হয়েছে

টমাহক নয়, শান্তির পথে ট্রাম্প: রাশিয়ার শর্তেই যুদ্ধবিরতির আহ্বান

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাশিয়ার সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের অবসান ঘটাতে অস্ত্র নয়, কূটনীতিক সমাধানের পথেই হাঁটছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইউক্রেনকে দূরপাল্লার টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে তিনি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন— যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ নয়, শান্তি চায়।

শুক্রবার  ওয়াশিংটনের হোয়াইট হাউজে ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠকে ট্রাম্প বলেন, “আমি আশা করি ইউক্রেনের টমাহক ক্ষেপণাস্ত্রের প্রয়োজন হবে না। আমরা টমাহক ছাড়াই এই যুদ্ধের ইতি টানতে পারব।” তিনি জানান, বর্তমানে ইউক্রেনকে এই দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র দেওয়া রাশিয়ার সঙ্গে উত্তেজনা আরও বাড়াতে পারে।

বৈঠক শেষে ট্রাম্প যুদ্ধবিরতির পক্ষে অবস্থান নেন। তার মতে, রুশ বাহিনী বর্তমানে ইউক্রেনের যে অঞ্চলগুলো নিয়ন্ত্রণে রেখেছে, সেই অবস্থা বজায় রেখেই শান্তিচুক্তির পথ খুঁজতে হবে। “এখন সবচেয়ে জরুরি হলো রক্তপাত বন্ধ করা,”— বলেন ট্রাম্প।

অন্যদিকে, প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি জানান, টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে আলোচনা হলেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইউক্রেন যৌথভাবে বিষয়টি জনসমক্ষে না আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কারণ, ওয়াশিংটন মস্কোর সঙ্গে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করতে চায় না।

বিবিসির এক প্রশ্নের জবাবে জেলেনস্কি বলেন, “আমাদের জনগণ ভয় ও অনিশ্চয়তায় আছে। যদি যুদ্ধবিরতি হয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে নিরাপত্তার নিশ্চয়তা প্রয়োজন, যাতে পুতিন আবার আগ্রাসন না চালাতে পারেন।”

এর আগের দিন ট্রাম্প রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে দীর্ঘ ফোনালাপ করেন। আলোচনায় দু’নেতা হাঙ্গেরির রাজধানী বুদাপেস্টে মুখোমুখি বৈঠকে বসার বিষয়ে সম্মত হন, যদিও বৈঠকের তারিখ এখনো নির্ধারিত হয়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প প্রশাসনের সাম্প্রতিক অবস্থান ইঙ্গিত দিচ্ছে— ওয়াশিংটন এখন ইউক্রেন যুদ্ধের দ্রুত রাজনৈতিক সমাধান খুঁজছে, যেখানে গোলাবারুদ নয়, আলোচনাই হবে প্রধান অস্ত্র। সূত্র: বিবিসি

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

টমাহক নয়, শান্তির পথে ট্রাম্প: রাশিয়ার শর্তেই যুদ্ধবিরতির আহ্বান

আপডেট সময় : ১১:২৯:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫

রাশিয়ার সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের অবসান ঘটাতে অস্ত্র নয়, কূটনীতিক সমাধানের পথেই হাঁটছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইউক্রেনকে দূরপাল্লার টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে তিনি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন— যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ নয়, শান্তি চায়।

শুক্রবার  ওয়াশিংটনের হোয়াইট হাউজে ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠকে ট্রাম্প বলেন, “আমি আশা করি ইউক্রেনের টমাহক ক্ষেপণাস্ত্রের প্রয়োজন হবে না। আমরা টমাহক ছাড়াই এই যুদ্ধের ইতি টানতে পারব।” তিনি জানান, বর্তমানে ইউক্রেনকে এই দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র দেওয়া রাশিয়ার সঙ্গে উত্তেজনা আরও বাড়াতে পারে।

বৈঠক শেষে ট্রাম্প যুদ্ধবিরতির পক্ষে অবস্থান নেন। তার মতে, রুশ বাহিনী বর্তমানে ইউক্রেনের যে অঞ্চলগুলো নিয়ন্ত্রণে রেখেছে, সেই অবস্থা বজায় রেখেই শান্তিচুক্তির পথ খুঁজতে হবে। “এখন সবচেয়ে জরুরি হলো রক্তপাত বন্ধ করা,”— বলেন ট্রাম্প।

অন্যদিকে, প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি জানান, টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে আলোচনা হলেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইউক্রেন যৌথভাবে বিষয়টি জনসমক্ষে না আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কারণ, ওয়াশিংটন মস্কোর সঙ্গে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করতে চায় না।

বিবিসির এক প্রশ্নের জবাবে জেলেনস্কি বলেন, “আমাদের জনগণ ভয় ও অনিশ্চয়তায় আছে। যদি যুদ্ধবিরতি হয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে নিরাপত্তার নিশ্চয়তা প্রয়োজন, যাতে পুতিন আবার আগ্রাসন না চালাতে পারেন।”

এর আগের দিন ট্রাম্প রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে দীর্ঘ ফোনালাপ করেন। আলোচনায় দু’নেতা হাঙ্গেরির রাজধানী বুদাপেস্টে মুখোমুখি বৈঠকে বসার বিষয়ে সম্মত হন, যদিও বৈঠকের তারিখ এখনো নির্ধারিত হয়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প প্রশাসনের সাম্প্রতিক অবস্থান ইঙ্গিত দিচ্ছে— ওয়াশিংটন এখন ইউক্রেন যুদ্ধের দ্রুত রাজনৈতিক সমাধান খুঁজছে, যেখানে গোলাবারুদ নয়, আলোচনাই হবে প্রধান অস্ত্র। সূত্র: বিবিসি