ঢাকা ০৩:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চানখাঁরপুল মামলার রায় ২৬ জানুয়ারি: মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার অপেক্ষায় দেশ ইরানে হামলা নিয়ে আবারও কঠোর হুঁশিয়ারি নেতানিয়াহুর আমিরাতের প্রেসিডেন্টকে ঐতিহ্যবাহী শুভেচ্ছায় স্বাগত জানালেন মোদি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় শহীদ জিয়াউর রহমানের জন্মদিন উদ্যাপন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ আগুন, পুড়ে ছাই ৪০০ ঘর, শত শত পরিবার আশ্রয়হীন আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি পবিত্র শবে বরাত শার্শায় র‌্যাবের অভিযানে ২৯৭০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক খুব শিগগিরই তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবে-চীনা রাষ্ট্রদূত তৈরি পোশাকখাত এখন পোশাক খাত এখন আইসিইউতে: মোহাম্মদ হাতেম তারেক রহমানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহারে সম্মতি দিয়েছে ইসরায়েল : দাবি ট্রাম্পের

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:১৩:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৫ ১০০ বার পড়া হয়েছে

ট্রাম্পের পোস্টে শেয়ার করা গাজার মানচিত্রে হলুদ রেখা দেখানো হয়েছে, এটি প্রাথমিক প্রত্যাহার লাইনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। সংগৃহীত ছবি

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দাবি ট্রাম্পের হামাস নিশ্চিত করলেই যুদ্ধবিরতি

গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহারে ইসরায়েল সম্মতি দিয়েছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রবিবার (স্থানীয় সময়) নিজস্ব ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প জানান, ইসরায়েল একটি “প্রাথমিক প্রত্যাহার লাইন”-এ রাজি হয়েছে এবং সেই সীমারেখা হামাসের সঙ্গেও শেয়ার করা হয়েছে।

ট্রাম্প লিখেছেন, “হামাস এই প্রস্তাবে সম্মতি দিলেই যুদ্ধবিরতি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে। এরপর শুরু হবে জিম্মি ও বন্দি বিনিময় প্রক্রিয়া এবং পরবর্তী ধাপে পূর্ণ প্রত্যাহারের জন্য পরিবেশ তৈরি করা হবে।”

পোস্টের সঙ্গে ট্রাম্প একটি মানচিত্রও শেয়ার করেছেন, যেখানে গাজা উপত্যকার ভেতর দিয়ে হলুদ একটি রেখা অঙ্কন করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই রেখাটিই সেই “প্রাথমিক প্রত্যাহার লাইন”, যা ইসরায়েলি সেনা মোতায়েনের নতুন সীমা নির্ধারণ করছে।

তবে মানচিত্র বিশ্লেষণে দেখা গেছে, উল্লিখিত রেখাটি এখনো গাজার গভীর অংশে অবস্থিত। এতে বোঝা যাচ্ছে, ইসরায়েলি বাহিনী উপত্যকার প্রায় অর্ধেকেরও বেশি এলাকা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে চায়। অর্থাৎ, এই প্রাথমিক পরিকল্পনা পুরোপুরি প্রত্যাহার নয়, বরং সাময়িক পিছু হটার একটি ধাপ মাত্র।

এই ঘোষণার বিষয়ে এখনো ইসরায়েল সরকার বা হামাসের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, হামাস এই প্রস্তাবে সম্মত হলে এটি হতে পারে গত এক বছরে সংঘাত প্রশমনের সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ।

এদিকে ইসরায়েলের অভ্যন্তরে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। দেশটির নিরাপত্তা মন্ত্রিসভার কিছু সদস্য মনে করছেন, গাজা থেকে আগাম সেনা প্রত্যাহার হামাসকে পুনর্গঠনের সুযোগ করে দেবে। অন্যদিকে মার্কিন প্রশাসনের ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো বলছে, ট্রাম্প প্রশাসন যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাস্তবায়নে কাতার ও মিশরের সহায়তা চাইছে, যাতে বন্দি বিনিময় ও মানবিক সহায়তা প্রবাহ স্বাভাবিক রাখা যায়।

ট্রাম্পের ঘোষণার পর মধ্যপ্রাচ্যের কূটনৈতিক পরিমণ্ডলে নতুন করে আলোচনার জন্ম নিয়েছে। আল জাজিরা ও টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র এই উদ্যোগকে একটি “পর্যায়ক্রমিক শান্তি প্রক্রিয়া” হিসেবে বিবেচনা করছে।

যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে এটি ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া গাজা সংঘাতের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ মোড় ঘুরানো পদক্ষেপ হতে পারে। এখন দৃষ্টি সবার, হামাসের প্রতিক্রিয়ার দিকে—কারণ তাদের সম্মতি মিললেই থামতে পারে প্রায় এক বছরের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ।

Avatar

Donald J. Trump

@realDonaldTrump

After negotiations, Israel has agreed to the initial withdrawal line, which we have shown to, and shared with, Hamas. When Hamas confirms, the Ceasefire will be IMMEDIATELY effective, the Hostages and Prisoner Exchange will begin, and we will create the conditions for the next phase of withdrawal, which will bring us close to the end of this 3,000 YEAR CATASTROPHE. Thank you for your attention to this matter and, STAY TUNED!

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহারে সম্মতি দিয়েছে ইসরায়েল : দাবি ট্রাম্পের

আপডেট সময় : ০৮:১৩:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৫

দাবি ট্রাম্পের হামাস নিশ্চিত করলেই যুদ্ধবিরতি

গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহারে ইসরায়েল সম্মতি দিয়েছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রবিবার (স্থানীয় সময়) নিজস্ব ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প জানান, ইসরায়েল একটি “প্রাথমিক প্রত্যাহার লাইন”-এ রাজি হয়েছে এবং সেই সীমারেখা হামাসের সঙ্গেও শেয়ার করা হয়েছে।

ট্রাম্প লিখেছেন, “হামাস এই প্রস্তাবে সম্মতি দিলেই যুদ্ধবিরতি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে। এরপর শুরু হবে জিম্মি ও বন্দি বিনিময় প্রক্রিয়া এবং পরবর্তী ধাপে পূর্ণ প্রত্যাহারের জন্য পরিবেশ তৈরি করা হবে।”

পোস্টের সঙ্গে ট্রাম্প একটি মানচিত্রও শেয়ার করেছেন, যেখানে গাজা উপত্যকার ভেতর দিয়ে হলুদ একটি রেখা অঙ্কন করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই রেখাটিই সেই “প্রাথমিক প্রত্যাহার লাইন”, যা ইসরায়েলি সেনা মোতায়েনের নতুন সীমা নির্ধারণ করছে।

তবে মানচিত্র বিশ্লেষণে দেখা গেছে, উল্লিখিত রেখাটি এখনো গাজার গভীর অংশে অবস্থিত। এতে বোঝা যাচ্ছে, ইসরায়েলি বাহিনী উপত্যকার প্রায় অর্ধেকেরও বেশি এলাকা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে চায়। অর্থাৎ, এই প্রাথমিক পরিকল্পনা পুরোপুরি প্রত্যাহার নয়, বরং সাময়িক পিছু হটার একটি ধাপ মাত্র।

এই ঘোষণার বিষয়ে এখনো ইসরায়েল সরকার বা হামাসের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, হামাস এই প্রস্তাবে সম্মত হলে এটি হতে পারে গত এক বছরে সংঘাত প্রশমনের সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ।

এদিকে ইসরায়েলের অভ্যন্তরে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। দেশটির নিরাপত্তা মন্ত্রিসভার কিছু সদস্য মনে করছেন, গাজা থেকে আগাম সেনা প্রত্যাহার হামাসকে পুনর্গঠনের সুযোগ করে দেবে। অন্যদিকে মার্কিন প্রশাসনের ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো বলছে, ট্রাম্প প্রশাসন যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাস্তবায়নে কাতার ও মিশরের সহায়তা চাইছে, যাতে বন্দি বিনিময় ও মানবিক সহায়তা প্রবাহ স্বাভাবিক রাখা যায়।

ট্রাম্পের ঘোষণার পর মধ্যপ্রাচ্যের কূটনৈতিক পরিমণ্ডলে নতুন করে আলোচনার জন্ম নিয়েছে। আল জাজিরা ও টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র এই উদ্যোগকে একটি “পর্যায়ক্রমিক শান্তি প্রক্রিয়া” হিসেবে বিবেচনা করছে।

যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে এটি ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া গাজা সংঘাতের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ মোড় ঘুরানো পদক্ষেপ হতে পারে। এখন দৃষ্টি সবার, হামাসের প্রতিক্রিয়ার দিকে—কারণ তাদের সম্মতি মিললেই থামতে পারে প্রায় এক বছরের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ।

Avatar

Donald J. Trump

@realDonaldTrump

After negotiations, Israel has agreed to the initial withdrawal line, which we have shown to, and shared with, Hamas. When Hamas confirms, the Ceasefire will be IMMEDIATELY effective, the Hostages and Prisoner Exchange will begin, and we will create the conditions for the next phase of withdrawal, which will bring us close to the end of this 3,000 YEAR CATASTROPHE. Thank you for your attention to this matter and, STAY TUNED!