ঢাকা ০৬:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশপ্রেমের নামে গোপনে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠক করছে তারা: চরমোনাই পীর ঢাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশার দৌরাত্ম্য: সড়কে  বিশৃঙ্খলা, দুর্ঘটনা ও স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়িয়েছে ফরিদপুরে অবৈধ অস্ত্র কারখানায় সেনা অভিযান, একাধিক সরঞ্জাম উদ্ধার পশ্চিমবঙ্গের মুড়িগঙ্গা নদীতে ডুবে গেল বাংলাদেশি জাহাজ, উদ্ধার ১২ জন অস্ট্রেলিয়ায় হাঙরের কামড়ে আহত কিশোরের মৃত্যু বাংলাদেশ ক্রিকেট ইস্যুতে মন্তব্যের পর ভারতে মুসলিম অভিনেতা কেআরকের গ্রেফতার, বিতর্ক তুঙ্গে ভারতের সঙ্গে বিএনপির চুক্তির অভিযোগ জামায়াতের ‘রাজনৈতিক অপপ্রচার’: বিএনপি বেনাপোল বন্দরে পাসপোর্টধারী যাতায়াতের তথ্য ইরানে হামলার সুযোগ খুঁজছে ইসরায়েল: তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভারতের হারে ইতিহাসের চাবিকাঠি বাংলাদেশের হাতে

যুক্তরাষ্ট্রের গাজা পরিকল্পনা: হামাসের প্রতিক্রিয়ায় সমর্থন ইসলামিক জিহাদের

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:২৯:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৫ ১২১ বার পড়া হয়েছে

হামাসের প্রতিক্রিয়ায় সমর্থন ইসলামিক জিহাদের গাজার উপকূলীয় এলাকার একটি রাস্তার পাশে হুইল চেয়ারে বসে আছে দুই শিশু ছবি: রয়টার্স

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

হামাসের মিত্র ইসলামিক জিহাদও ইরান সমর্থিত, কিন্তু এই গোষ্ঠীটিকে আরও কট্টরপন্থি হিসেবে দেখা হয়।

ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের মিত্র ফিলিস্তিনের ইসলামিক জিহাদ গাজা যুদ্ধ শেষ করার জন্য মার্কিন এক পরিকল্পনা নিয়ে হামাসের জানানো প্রতিক্রিয়ার প্রতি সমর্থন জানিয়েছে।

রয়টার্স লিখেছে, ইসলামিক জিহাদের এই পদক্ষেপের ফলে উভয় গোষ্ঠীর হাতে এখনও বন্দি থাকা ইসরায়েলিদের মুক্তির একটা পথ বের হতে পারে।

শনিবার এক বিবৃতিতে ইসলামিক জিহাদ বলেছে, ট্রাম্পের পরিকল্পনার প্রতি হামাসের (প্রতিক্রিয়া) ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলোর অবস্থানের প্রতিনিধিত্ব করে আর এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে পরামর্শে ইসলামিক জিহাদ দায়িত্বশীলতার সঙ্গে অংশ নিয়েছিল।

হামাসের মতো ইসলামিক জিহাদও ইরান সমর্থিত, কিন্তু এই গোষ্ঠীটিকে আরও কট্টরপন্থি হিসেবে দেখা হয়।

গাজার শাসকগোষ্ঠী হামাস শুক্রবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের পরিকল্পনার নির্দিষ্ট প্রধান কিছু অংশে সম্মতি জানিয়েছে। এগুলোর মধ্যে গাজা যুদ্ধ শেষ করা, ইসরায়েলি বাহিনীর প্রত্যাহার এবং ইসরায়েলি জিম্মি ও ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তি অন্যতম। হামাসের অবস্থান ও এর প্রতি ইসলামিক জিহাদের সমর্থন গাজার মানুষকে উজ্জীবিত করতে পারে বলে ধারণা পাওয়া যাচ্ছে।

সৌদ কার্নেতা (৩২) নামের এক ফিলিস্তিনি বলেছেন, এটি খুশির খবর। যারা এখনও বেঁচে আছেন এটি তাদের রক্ষা করবে, লোকজনকে রক্ষা করবে। আল্লাহকে ধন্যবাদ যে তারা (হামাস) সম্মতি দিয়েছে। এটা যথেষ্ট, ভালো মানুষ। আমরা ক্লান্ত, আল্লাহর কসম খেয়ে বলছি, আমরা ক্লান্ত, ক্লান্ত।

তবে অন্য ফিলিস্তিনিরা সতর্ক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই যুদ্ধ শেষ করার যে কোনো পরিকল্পনা থেকে শেষ পর্যন্ত সরে যেতে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তারা।

জেরুজালেমের বাসিন্দা জামাল শিহাদা বলেছেন, গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল নেতানিয়াহু যেন এটাকে বাধাগ্রস্ত করতে না পারে। কারণ এখন হামাস সম্মতি দিয়েছে, নেতানিয়াহু অসম্মতি জানাবেন, সাধারণত এমনটিই তিনি করে থাকেন।

দুই বছর ধরে ইসরায়েলের অবিরাম হামলায় গাজায় ৬৭ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, ভূখণ্ডটি প্রায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে, এর লাখ লাখ বাসিন্দা বাস্তুচ্যুত হয়েছেন আর দুর্ভিক্ষের করাল গ্রাস চারদিক থেকে অবরুদ্ধ গাজাকে ক্রমেই অধিকার করে নিচ্ছে।

হামাস শান্তির জন্য প্রস্তুত আছে, এমনটি জানিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইসরায়েলকে গাজায় বোমাবর্ষণ ও হামলা বন্ধ করার আহ্বান জানানোর পরও শনিবার স্থানীয় সময় দুপুরের মধ্যেই ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় ছিটমহলটিতে অন্তত ২০ জন নিহত হয়েছেন বলে আল জাজিরা জানিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

যুক্তরাষ্ট্রের গাজা পরিকল্পনা: হামাসের প্রতিক্রিয়ায় সমর্থন ইসলামিক জিহাদের

আপডেট সময় : ০৬:২৯:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৫

হামাসের মিত্র ইসলামিক জিহাদও ইরান সমর্থিত, কিন্তু এই গোষ্ঠীটিকে আরও কট্টরপন্থি হিসেবে দেখা হয়।

ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের মিত্র ফিলিস্তিনের ইসলামিক জিহাদ গাজা যুদ্ধ শেষ করার জন্য মার্কিন এক পরিকল্পনা নিয়ে হামাসের জানানো প্রতিক্রিয়ার প্রতি সমর্থন জানিয়েছে।

রয়টার্স লিখেছে, ইসলামিক জিহাদের এই পদক্ষেপের ফলে উভয় গোষ্ঠীর হাতে এখনও বন্দি থাকা ইসরায়েলিদের মুক্তির একটা পথ বের হতে পারে।

শনিবার এক বিবৃতিতে ইসলামিক জিহাদ বলেছে, ট্রাম্পের পরিকল্পনার প্রতি হামাসের (প্রতিক্রিয়া) ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলোর অবস্থানের প্রতিনিধিত্ব করে আর এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে পরামর্শে ইসলামিক জিহাদ দায়িত্বশীলতার সঙ্গে অংশ নিয়েছিল।

হামাসের মতো ইসলামিক জিহাদও ইরান সমর্থিত, কিন্তু এই গোষ্ঠীটিকে আরও কট্টরপন্থি হিসেবে দেখা হয়।

গাজার শাসকগোষ্ঠী হামাস শুক্রবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের পরিকল্পনার নির্দিষ্ট প্রধান কিছু অংশে সম্মতি জানিয়েছে। এগুলোর মধ্যে গাজা যুদ্ধ শেষ করা, ইসরায়েলি বাহিনীর প্রত্যাহার এবং ইসরায়েলি জিম্মি ও ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তি অন্যতম। হামাসের অবস্থান ও এর প্রতি ইসলামিক জিহাদের সমর্থন গাজার মানুষকে উজ্জীবিত করতে পারে বলে ধারণা পাওয়া যাচ্ছে।

সৌদ কার্নেতা (৩২) নামের এক ফিলিস্তিনি বলেছেন, এটি খুশির খবর। যারা এখনও বেঁচে আছেন এটি তাদের রক্ষা করবে, লোকজনকে রক্ষা করবে। আল্লাহকে ধন্যবাদ যে তারা (হামাস) সম্মতি দিয়েছে। এটা যথেষ্ট, ভালো মানুষ। আমরা ক্লান্ত, আল্লাহর কসম খেয়ে বলছি, আমরা ক্লান্ত, ক্লান্ত।

তবে অন্য ফিলিস্তিনিরা সতর্ক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই যুদ্ধ শেষ করার যে কোনো পরিকল্পনা থেকে শেষ পর্যন্ত সরে যেতে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তারা।

জেরুজালেমের বাসিন্দা জামাল শিহাদা বলেছেন, গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল নেতানিয়াহু যেন এটাকে বাধাগ্রস্ত করতে না পারে। কারণ এখন হামাস সম্মতি দিয়েছে, নেতানিয়াহু অসম্মতি জানাবেন, সাধারণত এমনটিই তিনি করে থাকেন।

দুই বছর ধরে ইসরায়েলের অবিরাম হামলায় গাজায় ৬৭ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, ভূখণ্ডটি প্রায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে, এর লাখ লাখ বাসিন্দা বাস্তুচ্যুত হয়েছেন আর দুর্ভিক্ষের করাল গ্রাস চারদিক থেকে অবরুদ্ধ গাজাকে ক্রমেই অধিকার করে নিচ্ছে।

হামাস শান্তির জন্য প্রস্তুত আছে, এমনটি জানিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইসরায়েলকে গাজায় বোমাবর্ষণ ও হামলা বন্ধ করার আহ্বান জানানোর পরও শনিবার স্থানীয় সময় দুপুরের মধ্যেই ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় ছিটমহলটিতে অন্তত ২০ জন নিহত হয়েছেন বলে আল জাজিরা জানিয়েছে।