ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দিল যুক্তরাজ্য, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়া
- আপডেট সময় : ০৩:৩৭:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ২৪৬ বার পড়া হয়েছে
ফিলিস্তিনকে আনুষ্ঠানিকভাবে রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দিয়েছে যুক্তরাজ্য, কানাডা আর অস্ট্রেলিয়া। দেশ তিনটির প্রধানমন্ত্রীরা একের পর এক বিবৃতি প্রকাশ করে ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন।
ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে চার দেশের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি জানানোকে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ। দেশটির পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন বলেছেন, এটি চূড়ান্ত স্বাধীনতা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে একটি পদক্ষেপ।
রোববার প্রথম জি সেভেন দেশ হিসেবে ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দেয় কানাডা। কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি সামাজিক মাধ্যম এক্সে পোস্ট করে এই সিদ্ধান্ত জানান।
মি. কার্নির পোস্টে উল্লেখ করা হয়: কানাডা ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিচ্ছে এবং ফিলিস্তিন রাষ্ট্র ও ইসরায়েল রাষ্ট্রের শান্তিপূর্ণ ভবিষ্যৎ গঠনের অঙ্গীকার প্রতিষ্ঠা করতে সহযোগিতার প্রস্তাব দিচ্ছে। এর পরপরই অস্ট্রেলিয়া এক বিবৃতির মাধ্যমে ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেয়।
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজের বিবৃতিতে উঠে আসে যে, কানাডা ও যুক্তরাজ্যের সাথে যৌথ উদ্যোগে নেয়া এই পদক্ষেপ ‘দুই রাষ্ট্র সমাধান বাস্তবায়নের পথে একটি আন্তর্জাতিক প্রয়াস।
এর কিছুক্ষণ পর যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ের স্টারমার ঘোষণা দেন যে, যুক্তরাজ্যও ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন: যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমি ঘোষণা করছি যে, যুক্তরাজ্য ফিলিস্তিনকে আনুষ্ঠানিকভাবে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিচ্ছে।
এর আগে, জুলাই মাসে প্রধানমন্ত্রী স্টারমার বলেছিলেন, ইসরায়েল গাজায় যুদ্ধবিরতিতে রাজী না হলে এবং দ্বি-রাষ্ট্রীয় (টু-স্টেট) সমাধানের লক্ষ্যে দীর্ঘমেয়াদী টেকসই শান্তি চুক্তিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ না হলে সেপ্টেম্বরে যুক্তরাজ্য তাদের অবস্থান পরিবর্তন করবে।
এই পদক্ষেপ ব্রিটিশ পররাষ্ট্রনীতিতে একটি বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত করে, যখন কি না সরকারগুলো বলছিল, শান্তি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে এবং সর্বোচ্চ প্রভাবের সময়ে স্বীকৃতি আসা উচিত।




















