ঢাকা ০৮:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আর্থিক খাতসহ অর্থনৈতিক সেক্টরে কোনো ধরনের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ থাকবে না রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে ওআইসি সদস্য দেশগুলোর সক্রিয় সমর্থন কামনা: প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল নয়, পুনর্মূল্যায়নের ইঙ্গিত সরকারের নিজেদের জ্বালানি থাকতে বিদেশ  নির্ভরতা কেন: জ্বালানিমন্ত্রী রাজপথে আন্দোলনের স্মৃতি আর নেতাদের সঙ্গে ছবি, কোনোভাবেই অপরাধের ঢাল হতে পারে না পাকিস্তানকে ৫ উইকেটে হারিয়ে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয় বক্ষব্যাধি হাসপাতালে দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য: পদে পদে হয়রানির শিকার রোগীরা উৎপাদন সক্ষমতার  নামে বিপর্যয়:  ৭ বছর ভর্তুকি বেড়েছে প্রায় ৬৩৩ শতাংশ ২,২৭৬ নেতাকর্মীকে গুম ও হত্যার অভিযোগে আবারও ট্রাইব্যুনালে বিএনপি চীন সফরে ট্রাম্প: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ, বাণিজ্য ও ভূ-রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত

‘সাম্রাজ্যবাদ ধ্বংসের প্রত্যয়’ পুতিন-কিমের

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৮:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৩ ২০০ বার পড়া হয়েছে

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উন ফাইল ছবি: রয়টার্স

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উনের মধ্যে চিঠিতে দুই নেতা দীর্ঘদিনের দ্বিপক্ষীয় কৌশলগত সম্পর্ক জোরদারের অঙ্গীকার করেছেন। একই সঙ্গে সাম্রাজ্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে একসঙ্গে লড়াই চালানো এবং সাম্রাজ্যবাদ ধ্বংসের প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন পুতিন-কিম।

জাপানি উপনিবেশিক শক্তির কাছ থেকে কোরিয়ার স্বাধীনতা অর্জনের ৭৮তম বর্ষপূর্তিতে পুতিন ও কিম একে অপরকে চিঠি লিখেন। দক্ষিণ কোরিয়ায় এই দিন সাধারণ ছুটি থাকে।

মঙ্গলবার উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত্ব সংবাদমাধ্যম কেসিএনএ জানায়, পুতিনকে লেখা চিঠিতে কিম জং-উন বলেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানি শক্তির বিরুদ্ধে লড়তে গিয়ে দুই দেশের (তখনকার অখণ্ড কোরিয়া ও রাশিয়া) মধ্যে ঐতিহাসিক বন্ধুত্ব গড়ে উঠেছিল। এখন দুই দেশ (উত্তর কোরিয়া ও রাশিয়া) সাম্রাজ্যবাদী শক্তির স্বেচ্ছাচারী অনুশীলন ও আধিপত্যকে ধ্বংসে একসঙ্গে লড়ছে। এ লড়াই এগিয়ে নিতে হবে।

কিম জং-উন আরও বলেন, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আমাদের বন্ধুত্ব ও সংহতির সম্পর্ক… নতুন যুগের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কৌশলগত সম্পর্ক হিসেবে আরও বেশি বিকশিত হয়ে উঠবে।

কিম জং-উন আশা প্রকাশ করেন, দুই দেশ সব সময় বিজয়ী হবে। সেই সঙ্গে নিজেদের অভিন্ন লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য অর্জনের পথে একে অপরকে শক্তিশালীভাবে সমর্থন ও সহযোগিতা করবে।

কিম জং-উনকে লেখা চিঠিতে পুতিন উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে রাশিয়ার কৌশলগত বন্ধুত্বের সম্পর্ক আরও জোরদার করার আগ্রহের কথা জানান।

চলতি বছরের শুরুর দিকে যুক্তরাষ্ট্র অভিযোগ করে, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়াকে সহায়তার জন্য মস্কোকে অস্ত্র সরবরাহ করেছে পিয়ংইয়ং। তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করে উত্তর কোরিয়া। দুই দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বিরোধ রয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে গত মাসে উত্তর কোরিয়া সফর করেন রুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শোইগু। তাকে উত্তর কোরিয়ার নতুন ড্রোন, নিষিদ্ধ ক্ষেপণাস্ত্র দেখান দেশটির নেতা কিম জং-উন। এর মধ্যে ছিল বিশাল আন্তমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (আইসিবিএম), আগে দেখানো হয়নি এমন সামরিক ড্রোন।

গত শতকের নব্বইয়ের দশকে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর এবারই প্রথম রাশিয়ার কোনো প্রতিরক্ষামন্ত্রী উত্তর কোরিয়ায় সফর করেন। কিম জং-উন বারবার বলেছেন, তার দৃঢ় বিশ্বাস, ইউক্রেনে রুশ সেনাবাহিনী এবং জনগণ বড় সাফল্য অর্জন করবে।
আল জাজিরা

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

‘সাম্রাজ্যবাদ ধ্বংসের প্রত্যয়’ পুতিন-কিমের

আপডেট সময় : ০৮:৩৮:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৩

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উনের মধ্যে চিঠিতে দুই নেতা দীর্ঘদিনের দ্বিপক্ষীয় কৌশলগত সম্পর্ক জোরদারের অঙ্গীকার করেছেন। একই সঙ্গে সাম্রাজ্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে একসঙ্গে লড়াই চালানো এবং সাম্রাজ্যবাদ ধ্বংসের প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন পুতিন-কিম।

জাপানি উপনিবেশিক শক্তির কাছ থেকে কোরিয়ার স্বাধীনতা অর্জনের ৭৮তম বর্ষপূর্তিতে পুতিন ও কিম একে অপরকে চিঠি লিখেন। দক্ষিণ কোরিয়ায় এই দিন সাধারণ ছুটি থাকে।

মঙ্গলবার উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত্ব সংবাদমাধ্যম কেসিএনএ জানায়, পুতিনকে লেখা চিঠিতে কিম জং-উন বলেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানি শক্তির বিরুদ্ধে লড়তে গিয়ে দুই দেশের (তখনকার অখণ্ড কোরিয়া ও রাশিয়া) মধ্যে ঐতিহাসিক বন্ধুত্ব গড়ে উঠেছিল। এখন দুই দেশ (উত্তর কোরিয়া ও রাশিয়া) সাম্রাজ্যবাদী শক্তির স্বেচ্ছাচারী অনুশীলন ও আধিপত্যকে ধ্বংসে একসঙ্গে লড়ছে। এ লড়াই এগিয়ে নিতে হবে।

কিম জং-উন আরও বলেন, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আমাদের বন্ধুত্ব ও সংহতির সম্পর্ক… নতুন যুগের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কৌশলগত সম্পর্ক হিসেবে আরও বেশি বিকশিত হয়ে উঠবে।

কিম জং-উন আশা প্রকাশ করেন, দুই দেশ সব সময় বিজয়ী হবে। সেই সঙ্গে নিজেদের অভিন্ন লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য অর্জনের পথে একে অপরকে শক্তিশালীভাবে সমর্থন ও সহযোগিতা করবে।

কিম জং-উনকে লেখা চিঠিতে পুতিন উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে রাশিয়ার কৌশলগত বন্ধুত্বের সম্পর্ক আরও জোরদার করার আগ্রহের কথা জানান।

চলতি বছরের শুরুর দিকে যুক্তরাষ্ট্র অভিযোগ করে, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়াকে সহায়তার জন্য মস্কোকে অস্ত্র সরবরাহ করেছে পিয়ংইয়ং। তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করে উত্তর কোরিয়া। দুই দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বিরোধ রয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে গত মাসে উত্তর কোরিয়া সফর করেন রুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শোইগু। তাকে উত্তর কোরিয়ার নতুন ড্রোন, নিষিদ্ধ ক্ষেপণাস্ত্র দেখান দেশটির নেতা কিম জং-উন। এর মধ্যে ছিল বিশাল আন্তমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (আইসিবিএম), আগে দেখানো হয়নি এমন সামরিক ড্রোন।

গত শতকের নব্বইয়ের দশকে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর এবারই প্রথম রাশিয়ার কোনো প্রতিরক্ষামন্ত্রী উত্তর কোরিয়ায় সফর করেন। কিম জং-উন বারবার বলেছেন, তার দৃঢ় বিশ্বাস, ইউক্রেনে রুশ সেনাবাহিনী এবং জনগণ বড় সাফল্য অর্জন করবে।
আল জাজিরা