ঢাকা ০৫:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মব সৃষ্টি করে জনমত প্রভাবিত করার দিন আর নেই: জামায়াত আমির বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রাসহ বেনাপোলে এক বাংলাদেশি পাসপোর্ট যাত্রী আটক বস্তিবাসীদের উন্নত শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করার আশ্বাস তারেক রহমানের চাপ তৈরি করে ভারতে খেলাতে বাধ্য করা যাবে না চানখাঁরপুল মামলার রায় ২৬ জানুয়ারি: মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার অপেক্ষায় দেশ ইরানে হামলা নিয়ে আবারও কঠোর হুঁশিয়ারি নেতানিয়াহুর আমিরাতের প্রেসিডেন্টকে ঐতিহ্যবাহী শুভেচ্ছায় স্বাগত জানালেন মোদি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় শহীদ জিয়াউর রহমানের জন্মদিন উদ্যাপন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ আগুন, পুড়ে ছাই ৪০০ ঘর, শত শত পরিবার আশ্রয়হীন আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি পবিত্র শবে বরাত

ঢাকার রাজপথে বিরোধীদের অবস্থান, সংঘর্ষ বাসে আগুন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:২৯:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ জুলাই ২০২৩ ২০৯ বার পড়া হয়েছে

ঢাকায় বাসে আগুন : ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা

সরকার পতনের এক দফা আন্দোলনে রয়েছে বাংলাদেশের বিরোধী রাজনৈতিক জোট। একই দাবিতে শুক্রবার মহাসমাবেশ করে তরা। সেখান থেকেই শনিবার ঢাকার প্রবেশমুখে অবস্থান কর্মসূচি ঘোষণা আসে। নির্ধারিত স্থানে অবস্থান কর্মসূচি পালনের কোন অনুমতি নেই জানিয়ে পুলিশ বাধা দেয়। তাতে উত্তেজনা বাড়ে। এক পর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ বাধে।

এদিন চার বাস ও পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। উত্তরা এলাকায় বিরোধী, শাসক দলের কর্মী ও পুলিশ ত্রিমুখী সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। এদিন শাসকদল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বিরোধীদের একাধিক স্থানে অবস্থান নেয়। ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথ চিটাগাং রোডের মাতুয়াইল-সাইনবোর্ড। প্রথম সংঘর্ষের সূত্রপাত্র এখান থেকেই।

এছাড়া উত্তরা, ধোলাইখাল, গাবতলীতে সংঘর্ষের ও আটকের ঘটনা ঘটে। ধোলাইখালে বিএনপি নেতা গয়েশ্বরচন্দ্র রায় মাথা ফেটে যায়। এখানে পুলিশের এক এসআইয়ের মাথা ফেটে যায়। আটক গয়েশ্বর বাবুকে পুলিশ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে তাকে গোয়েন্দা কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে অ্যায়ন শেষে পুলিশের গাড়িতে নয়াপল্টন অফিসে পৌছে দেওয়া হয়। গাবতলীতে ধস্তাধস্তিতে বিএনপি নেতা আমান উল্লাহ আমান রাস্তায় পড়ে যান। তিনি অসুস্থবোধ করলে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

পুলিশ ও বিরোধীদের সংঘর্ষ :ছবি সংগ্রহ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফল, জুস ও খাবার পাঠান। ঢাকার শ্যামলীতে পুলিশের গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। তাতে গাড়ির একটি আসন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে গাড়িটি চালিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। এসময় একাধিক যানবাহন ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। অন্যদিকে মাতুয়াইলে বিএনপির নেতা-কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের পর সেখানে তিনটি বাসে আগুন দেওয়া হয়েছে। আগুন ও ভাঙচুরের ঘটনায় কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে।

মাতুয়াইলে আগুন দেওয়া বাসের চালক মো. সানাউল্লাহ সংবাদমাধ্যমকে জানান, তিনি কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর থেকে গুলিস্তানে নামিয়ে নির্ধারিত পাম্মে তেল নিতে আসেন। এ সময় মোটরবাইকে তিনজন আসে। তাদের মধ্যে দুজন গাড়িতে উঠে। গাড়ি থেকে লাফ দিয়ে নিচে নেমে আসলে বাসে আগুন দিয়ে ফের মোটরবাইকে যায়। এ সময় পাঁচ-ছয় হাত দূরেই পুলিশ দাঁড়িয়ে ছিল।

অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে সারা দেশের সঙ্গে ঢাকার যোগাযোগে বিঘ্ন ঘটে। তাতে মানুষকে অবর্ণনীয় দুর্ভোগে পড়তে হয়েছে। আজ রবিবার শাসক দল আওয়ামী লীগ বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ঢাকার রাজপথে বিরোধীদের অবস্থান, সংঘর্ষ বাসে আগুন

আপডেট সময় : ০৮:২৯:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ জুলাই ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা

সরকার পতনের এক দফা আন্দোলনে রয়েছে বাংলাদেশের বিরোধী রাজনৈতিক জোট। একই দাবিতে শুক্রবার মহাসমাবেশ করে তরা। সেখান থেকেই শনিবার ঢাকার প্রবেশমুখে অবস্থান কর্মসূচি ঘোষণা আসে। নির্ধারিত স্থানে অবস্থান কর্মসূচি পালনের কোন অনুমতি নেই জানিয়ে পুলিশ বাধা দেয়। তাতে উত্তেজনা বাড়ে। এক পর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ বাধে।

এদিন চার বাস ও পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। উত্তরা এলাকায় বিরোধী, শাসক দলের কর্মী ও পুলিশ ত্রিমুখী সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। এদিন শাসকদল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বিরোধীদের একাধিক স্থানে অবস্থান নেয়। ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথ চিটাগাং রোডের মাতুয়াইল-সাইনবোর্ড। প্রথম সংঘর্ষের সূত্রপাত্র এখান থেকেই।

এছাড়া উত্তরা, ধোলাইখাল, গাবতলীতে সংঘর্ষের ও আটকের ঘটনা ঘটে। ধোলাইখালে বিএনপি নেতা গয়েশ্বরচন্দ্র রায় মাথা ফেটে যায়। এখানে পুলিশের এক এসআইয়ের মাথা ফেটে যায়। আটক গয়েশ্বর বাবুকে পুলিশ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে তাকে গোয়েন্দা কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে অ্যায়ন শেষে পুলিশের গাড়িতে নয়াপল্টন অফিসে পৌছে দেওয়া হয়। গাবতলীতে ধস্তাধস্তিতে বিএনপি নেতা আমান উল্লাহ আমান রাস্তায় পড়ে যান। তিনি অসুস্থবোধ করলে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

পুলিশ ও বিরোধীদের সংঘর্ষ :ছবি সংগ্রহ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফল, জুস ও খাবার পাঠান। ঢাকার শ্যামলীতে পুলিশের গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। তাতে গাড়ির একটি আসন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে গাড়িটি চালিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। এসময় একাধিক যানবাহন ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। অন্যদিকে মাতুয়াইলে বিএনপির নেতা-কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের পর সেখানে তিনটি বাসে আগুন দেওয়া হয়েছে। আগুন ও ভাঙচুরের ঘটনায় কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে।

মাতুয়াইলে আগুন দেওয়া বাসের চালক মো. সানাউল্লাহ সংবাদমাধ্যমকে জানান, তিনি কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর থেকে গুলিস্তানে নামিয়ে নির্ধারিত পাম্মে তেল নিতে আসেন। এ সময় মোটরবাইকে তিনজন আসে। তাদের মধ্যে দুজন গাড়িতে উঠে। গাড়ি থেকে লাফ দিয়ে নিচে নেমে আসলে বাসে আগুন দিয়ে ফের মোটরবাইকে যায়। এ সময় পাঁচ-ছয় হাত দূরেই পুলিশ দাঁড়িয়ে ছিল।

অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে সারা দেশের সঙ্গে ঢাকার যোগাযোগে বিঘ্ন ঘটে। তাতে মানুষকে অবর্ণনীয় দুর্ভোগে পড়তে হয়েছে। আজ রবিবার শাসক দল আওয়ামী লীগ বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করবে।