কুড়িগ্রামে ৫০ হাজার মানুষ বানভাসি, খাবার সংকট
- আপডেট সময় : ০৮:১২:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুলাই ২০২৩ ১৯৮ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
বাংলাদেশের উত্তর জনপদের কুড়িগ্রাম জেলার ৯টি উপজেলার ১৮৫টি গ্রাম বন্যার কবলিত। এখানে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। তিস্তা, ধরলা, দুধকুমার ও ব্রহ্মপুত্র পার্শ্ববর্তী নিচু স্থানসহ চর-দ্বীপচরের ঘরবাড়িগুলো বন্যার প্লাবিত হয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন।
বন্যাকবলিত এলাকায় বিশুদ্ধ পানীয়জলের ও শুকনো খাবার সংকটে পড়েছে বানভাসি মানুষ।
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যানুযায়ী, শনিবার বিকালে ধরলা নদীর পানি সেতু পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৯ সেন্টিমিটার, দুধকুমার নদের পানি নুনখাওয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ৩৬ সেমি ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
ব্রহ্মপুত্র নদের পানি চিলমারী পয়েন্টে এবং কাউনিয়া পয়েন্টে তিস্তা পানি বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
কুড়িগ্রাম বন্যা নিয়ন্ত্রণ কন্ট্রোল রুম জানিয়েছে, বন্যার পানিতে ১৮৫টি গ্রামের ১৬১ বর্গ কিলোমিটার এলাকা প্লাবিত হয়েছে। নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ১ হাজার ৬৬০টি আর পানিবন্দী পরিবারের সংখ্যা ১৪ হাজার ৬০টি।
ফলে মোট ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ৬২ হাজার ৮৮০জন। নদীভাঙনে ৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বন্যার্ত মানুষের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে ৩৬১টি আশ্রয় কেন্দ্র।
কুড়িগ্রাম জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত সবকটি নদ-নদীর পানি আগামী তিন-চারদিন ওঠানামা করে নেমে যাবে। কুড়িগ্রাম জেলায় বন্যা পরিস্থিতি আরও কয়েকদিন স্থায়ী হবে।
কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ জানান, ইতিমধ্যে ৬৮ মেট্রিক টন চাল উপজেলাগুলোতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। আমাদের কাছে ৫৮২ মেট্রিক টন চাল, ১০ লাখ টাকা ও ১ হাজার ৭০০ প্যাকেট শুকনো খাবার মজুদ রয়েছে। বন্যার্তদের তালিকা অনুযায়ী বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে।




















