Rohingya camp : রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গোলাগুলি নিহত ৫
- আপডেট সময় : ০২:১৪:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ জুলাই ২০২৩ ২৭১ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দুই সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর মধ্যে গোলাগুলিতে অন্তত পাঁচজন নিহত হবার খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় আরও একজন আহত হন। শুক্রবার সকাল ৬টা নাগাদ ক্যাম্প-৮ ওয়েস্টে ঘটনা। নিহতদের সবাই রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আরসার সদস্য বলে জানিয়েছে পুলিশ।
কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গোষ্ঠীর দ্বন্দ্বের জেরে দুটি সন্ত্রাসীদের গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে কমপক্ষে পাঁচজন নিহত হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে নিহতদের সবাই রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আরসার সদস্য।তাদের মধ্যে চারজনের পরিচয় পেয়েছে পুলিশ। আহত ব্যক্তিকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার ঘটনার পর থেকে রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকা থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সদস্যরা অভিযান চালাচ্ছে। রোহিঙ্গা ক্যাম্প নিয়ন্ত্রণে কিছুদিন ধরে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আরসা ও আরএসও’র মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছে।
এরই জেরে দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি হয়েছে। পুলিশের এপিবিএনের সহকারী পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদজানিয়েছে, ক্যাম্পে একাধিক সশস্ত্র গ্রুপের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে খুনোখুনি বাড়ছে। এরইমধ্যে শুক্রবার দুই সন্ত্রাসী দলের গোলাগুলির ঘটনায় পাঁচ জন নিহত হয়েছে। প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে, তারা সবাই আরসার সদস্য।
নিহতদের মধ্যে রয়েছে, উখিয়ার বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আনোয়ার সাদেক (২৩), মো. হামিম (২১), ১০ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা নজিমুল্লাহ (২৬), ৩ নম্বর ক্যাম্পের বাসিন্দা নুরুল আমিন (২৪) ও অপরজনের পরিচয় মেলেনি।
এ ঘটনার পর থেকে পুরো রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সদস্য ব্লকে ব্লকে অভিযান অব্যাহত রেখেছে।
ক্যাম্প সুত্রে জানা যায়, ক্যাম্প নিয়ন্ত্রণে কিছুদিন ধরে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আরসা ও আরএসও’র মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছে। এরই জেরে দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি হয়েছে। এ ঘটনায় ক্যাম্পজুড়ে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিরাপত্তায় নিয়োজিত ৮ এপিবিএনের সহকারী পুলিশ সুপার (অপারেশন অ্যান্ড মিডিয়া) ফারুক আহমেদ বলেন, ক্যাম্পে একাধিক সশস্ত্র গ্রুপের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে খুনোখুনি বাড়ছে। এরইমধ্যে সকালে দুই সন্ত্রাসী দলের গোলাগুলির ঘটনায় পাঁচ জন নিহত হয়েছেন। প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে, তারা সবাই আরসার সদস্য।
৮ এপিবিএনের অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) আমির জাফর সংবাদমাধ্যকে বলেন, ক্যাম্পে রোহিঙ্গা দুষ্কৃতকারীদের গোলাগুলির খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছালে প্রথমে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে ৮ এপিবিএনের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অভিযানের পর বিস্তারিত জানানো হবে।




















