সুরমা-সোমেশ্বরীর জলে ভাসলো সিলেট শহর
- আপডেট সময় : ০৬:৫৫:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ জুলাই ২০২৩ ২১৫ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
ফুঁসে ওঠছে সুরমা-সোমেশ্বরী। কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জের সুরমা নদীর জল বিপদসীমার ১৬ মিটার এবং সোমেশ্বরী নদীর জল ২৪ মিটার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে। সিলেট শহরে হাটুভাঙ্গা জল। ভারী বর্ষণে জলাবদ্ধ সৃষ্টির ফলে জল ঢুকে পড়েছে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। কেন্দ্রের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদীর জল স্থিতিশীল থাকলেও পদ্মায় জল বাড়ছে।
আগামী ৪৮ ঘণ্টায় ওই নদ-নদীগুলোর জল বৃদ্ধি পেতে পারে। দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কুশিয়ারা, মনু-খোয়াই ছাড়া প্রধান নদ-নদীগুলোর জল বাড়ছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় সুনামগঞ্জ ও নেত্রকোনা জেলার চলমান বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা অবনতি হতে পারে। সোমেশ্বরী, সুরমা আর পুরাতন সুরমা নদীর জল বেড়ে গিয়ে বিপদসীমার ওপরে উঠে গেছে।
এর ফলে নেত্রকোনা ও সুনামগঞ্জের নিম্নাঞ্চল ডুবে বন্যা দেখা দিয়েছে। বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র বলছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় তিস্তা নদীর জল বিপদসীমা অতিক্রম করে লালমনিরহাট ও নীলফামারী জেলার কিছু এলাকায় স্বল্পমেয়াদি বন্যার শঙ্কা রয়েছে। বৃষ্টি না হলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নয়ন ঘটবে।

আবহাওয়ার তথ্য মতে, উজানে ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস থাকায় আগামী ৪৮ ঘণ্টায় উত্তরাঞ্চলের তিস্তা, ধরলা, দুধকুমার নদীর জল দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় তিস্তা নদীর জল ডালিয়া পয়েন্ট বিপদসীমা অতিক্রম করে লালমনিরহাট ও নীলফামারী জেলার কিছু নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দিতে পারে। গত ২৩ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টি হয়েছে সিলেটে ৩১৫ মিলিমিটার।
জাফলংয়ে ২৪৫, পঞ্চগড়ে ২৩০, ছাতকে ২১৮, জারিয়াজাঞ্জাইলে ১৭৫, সুনামগঞ্জে ১৭০, লালাখালে ১৫১, দুর্গাপুরে ১০৯, গাইবান্ধায় ১০২, রোহানপুরে ৯২, মহেশখালীতে ৯০, কানাইঘাটে ৭৮, সিরাজগঞ্জ ও দিনাজপুরে ৬০ এবং ডালিয়া পয়েন্টে ৫৮ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে।




















