বানের জলে ভেসে গেছে কৃষকের স্বপ্ন কুড়িগ্রাম হাজারো মানুষ জলবন্দী
- আপডেট সময় : ০৮:১৬:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জুন ২০২৩ ১৭৮ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
প্রতিভচরই অতিবর্ষণ আর পাহাড়ি ঢলে বন্যা কবলিত হয়ে পড়ে উত্তরজনপদ। গত বছরের বন্যার ক্ষত না শুকাতেই এবারেও বানের জলে ভাসলো কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী। এরই ৪ ইউনিয়নের নদী অববাহিকার চরাঞ্চলীয় বেশ কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। তলিয়ে গেছে রাস্তা-ঘাট, বীজতলা, সবজি ও পাটক্ষেত। বৃহস্পতিবার বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা হক।
জল উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যনুযায়ী, ফুঁসছে ব্রহ্মপুত্র। নদের জল বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা নাগাদ নুনখাওয়া পয়েন্টে জল বিপদসীমার ৪৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও দুধকুমারের জল বেড়ে বুধবার রাতে পাটেশ্বরী পয়েন্টে বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। সকালে জল কমে বিপদসীমার ৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
বাঁধ ভেঙে প্লাবিত বামনডাঙ্গার চরাঞ্চলীয় এলাকাসহ বেশকিছু পাড়া। কিছু বাড়ি-ঘরে প্রবেশ করেছে। কোথাও বাড়ি-ঘরের উঠোন পর্যন্ত চলে এসেছে জল। তলিয়ে গেছে রাস্তা-ঘাট, রোপা আমন বীজতলা, সবজি ও পাটক্ষেত। নারায়নপুর, বল্লভেরখাস, নুনখাওয়ার নদী অববাহিকার কয়েকটি চরাঞ্চলীয় গ্রাম আগেই প্লাবিত। জল বন্দি সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানকে বন্যা দুর্গতদের মধ্যে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ভিজিএফ চাল বিতরণ করতে বলা হয়েছে।
কুড়িগ্রাম জল উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী ২২ ও ২৩ শে জুন দুদিন জেলার নদ-নদীতে জল বৃদ্ধি পাবে। তাতে সাময়িক বন্যা হলেও বড় ধরনের কোনো বন্যা হবে না।
কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক মো. সাইদুল আরীফ বলেন, বন্যা মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া আছে। জনগণের দুর্ভোগ কমাতে সব উপজেলার ইউএনও এবং ইউপি চেয়ারম্যানদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় ৫৪১ মেট্রিক টন চাল, নগদ ১০ লাখ ২১ হাজার টাকা ও শুকনো খাবার মজুদ রয়েছে।




















