উত্তরজনপদে বন্যা পরিস্থিতি অবনতির শঙ্কা
- আপডেট সময় : ১১:১২:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জুন ২০২৩ ১৬৫ বার পড়া হয়েছে
চোখ রাঙাচ্ছে ব্রহ্মপুত্র-যমুনা ও গঙ্গা-পদ্মা, ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত জল বাড়ার পূর্বাভাস
ভয়েসন ডিজিটাল ডেস্ক
সিকিমের পাহাড়ি অঞ্চলে অব্যাহত ভারী বর্ষণের ঢল নেমে এসে তিস্তার বিভিন্ন পয়েন্টে জল বেড়ে বিপৎসীমার মধ্যে ওঠানামা করছে। লালমনিরহাট, নীলফামারীসহ তিস্তা অববাহিকার নিম্নাঞ্চলে বন্যার শঙ্কায় রয়েছে তিস্তাপারের মানুষ। তিস্তার জল কখনো বাড়ছে আবার কখনো কমছে।
ভারি বর্ষণের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে, উজান থেকে নেমে আসার পাহাড়ি ঢল। চোখ রাঙাচ্ছে ব্রহ্মপুত্র-যমুনা ও গঙ্গা-পদ্মা। তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর জল বিভিন্ন সময় দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে। মহাভাবনায় দিন কাটাচ্ছে তিস্তা পারের বাসিন্দারা। জল বাড়লেই ভাসিয়ে নেবে তাদের স্বপ্নের ফসল।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র বলছে, উত্তরাঞ্চলের নদ-নদীর জল বাড়ছে। তিস্তা জল বৃহস্পতিবার স্বল্প সময়ের জন্য বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। বৃষ্টিপাত কমতে থাকায় উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি উন্নতির পথে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে জানিয়েছে, আগামী পাঁচ দিন দেশজুড়ে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বৃদ্ধি পেতে পারে। রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের বেশির ভাগ জায়গায় বৃহস্পতিবার বজ্রসহ মাঝারি বৃষ্টিপাত হতে পারে। ঢাকা, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় মাঝারি বর্ষণের পূর্বাভাস রয়েছে।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সহকারী প্রকৌশলী পার্থ প্রতীম বড়ুয়া সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ভারি বর্ষণে উত্তরাঞ্চলের ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে।
ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল যমুনার বিভিন্ন পয়েন্টে জল বেড়ে চলেছে। সেই সঙ্গে অভ্যন্তরীণ নদ-নদী করতোয়া, ফুলজোড় ও বড়াল নদীর জল বাড়ে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে। চরাঞ্চলের ফসলের জমি তলিয়ে গেছে বানের জলে। উজানে ও দেশের অভ্যন্তরে ভারি বর্ষণের কারণে কয়েক দিন ধরে যমুনা নদীর জল বাড়ছে। চরাঞ্চল প্লাবিত হতে শুরু করেছে।




















