বিপুলপরিমাণ অস্ত্রসহ ৩ শতাধিক চরমপন্থী সদস্যের আত্মসমর্পণ
- আপডেট সময় : ০৮:৩৭:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ মে ২০২৩ ১৬০ বার পড়া হয়েছে
আত্মসমর্পণকারীদের পুনর্বাসনে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছে সরকার। প্রধানমন্ত্রীর মানবতা ও উদারতার কারণে অপরাধ জগতের চরমপন্থি সদস্যরা স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সুযোগ পেয়েছে
নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা
উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জনপদকে চরমপন্থীদের আগ্রাসন থেকে রক্ষায় ২০২০ সালে আত্মসমর্পনের মাধ্যমে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেয়া র্যাব। রবিবার সিরাজগঞ্জ স্টেডিয়ামে র্যাব-১২ ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরের উদ্যোগে আত্মসমর্পণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশের সিরাজগঞ্জ, পাবনা, বগুড়া, কুষ্টিয়া, মেহেরপুর ও রাজবাড়ী জেলার চরমপন্থী দলের ৩ শতাধিক সদস্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের কাছে দুই শতাধিক অস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ জমা দিয়ে আত্মসমর্পণ করে।
র্যাব সূত্রের খবর, জানা গেছে দীর্ঘ সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বন্দুক যুদ্ধে চরমপন্থী শীর্ষ কয়েক নেতার মৃত্যুর পরও থেমে থাকেনি বেআইনী কর্মকাণ্ড।
আত্মসমর্পণকৃত চরমপন্থীদের পুনর্বাসনে আন্তরিকতার সঙ্গে হাসিনা সরকার কাজ করছে জানিয়ে আসাদুজ্জামান খান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর মানবতা ও উদারতার কারণে অপরাধ জগতের চরমপন্থি সদস্যরা স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সুযোগ পেয়েছে।
র্যাবের পৃষ্ঠপোষকতায় আত্মসমর্পণকারীরা আলোর পথ দেখতে শুরু করেছে। সরকার সব আত্মসমর্পণকারীকে পুনর্বাসন করবে। ইতোপূর্বে সুন্দরবনের ৪৫০ জন জলদস্যুদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া প্রায় শেষ হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, আশির দশকে চলনবিল অঞ্চলে সর্বহারা পার্টি প্রথম ঘাঁটি গাড়ে। তারপর থেকে এই অঞ্চলে চরমপন্থি ও সর্বহারা দল গড়ে ওঠে। ১৯৯৬ সালে প্রথম স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগ নিয়েছিলেন, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রয়াত মোহাম্মদ নাসিম। এরপর থেকে এই জনপদে অপরাধ জগতের লোকজন স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে শুরু করে।
আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, যারা সরকারের আহ্বানে সাড়া না দিয়ে অপরাধ জগৎ থেকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাবে তাদের ছাড় দেওয়া হবে না। অপরাধে লিপ্ত বিপথগামীদের বিরুদ্ধে র্যাব ও পুলিশ কঠোর অবস্থানে যাবে। এখনও অপরাধীদের ভালো হওয়ার সুযোগ রয়েছে।
র্যাবের মহাপরিচালক এম খুরশীদ হোসেনের সভাপতিত্বে আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি বেনজীর আহমেদ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান, পুলিশ মহাপরিদর্শক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন, র্যাব-১২ অধিনায়ক অ্যাডিশনাল ডিআইজি মারুফ হোসেনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।




















