ঢাকা ০৬:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রফতানি ও এপার-ওপার যাতায়তে আয় জুলাই আন্দোলনের স্মৃতি এখনও তাজা, শহীদ ও আহতরা শুধু সংখ্যার অংশ নয় পোস্টাল ব্যালট নিয়ে পক্ষপাতের অভিযোগে নির্বাচন কমিশনের সামনে ছাত্রদলের অবস্থান বাংলাদেশ নিয়ম-ভিত্তিক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে সমর্থন করে: তৌহিদ হোসেন সন্তান হারা মায়ের বুকফাটা আর্তনাদ যেন হাজারো গুমের শিকার পরিবারের নীরব চিৎকার গোপালগঞ্জ-৩: প্রার্থিতা ফিরে পেলেন হিন্দু মহাজোটের গোবিন্দ প্রামানিক কাঁদছে জলহারা প্রমত্তা ব্রহ্মপুত্র, বুকে তার ধু ধু বালুচর ৫৬ পর্যবেক্ষক মোতায়েন, নির্বাচন পর্যবেক্ষণে  এখনই অতি সতর্কতার প্রয়োজন নেই: ইইউ ইরান ভেনেজুয়েলা নয়: ট্রাম্পের জন্য সহজ নয় জয়ের পথ গুমের শিকার পরিবারগুলোর পাশে তারেক রহমান, মানবিক আবেগে ভরা মতবিনিময় সভা

জাতীয় গণহত্যা দিবস

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:২৩:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ মার্চ ২০২৩ ২৯৫ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আলো নিভিয়ে শহীদদের স্মরণ করবে জাতি

গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির দাবি সর্বস্তরের মানুষ

 

অনিরুদ্ধ

পৃথিবীর ইতিহাসে ভয়ঙ্কর গণহত্যা সংগঠিত হয় ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে। অপারেশন সার্চলাইটের নামে হানাদার পাকিস্তানি সেনাবাহিনী রাতের অন্ধকারে নির্বাচার গণহত্যায় মেতে ওঠে।

পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে হত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ চালায়। পাশাপাশি বিভিন্ন স্থাপনা ধ্বংস করে দেয়। মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে লাখো মানুষকে হত্যা করা হয়, যা কিনা পৃথিবীর গণহত্যার ইতিহাসে অন্যতম।

কিন্তু ৭১’র ২৫ মার্চ এবং মুক্তিযুদ্ধকালীন ন’মাসে বাংলার মাটিতে সংঘটিত গণহত্যার স্বীকৃতি আন্তর্জাতিক নানা প্রতিষ্ঠান ও সংস্থা থেকে পাওয়া গেলেও রাষ্ট্রপুঞ্জ থেকে আজও আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবসের স্বীকৃতি মেলেনি।

২৫ মার্চকে জাতীয় গণহত্যা দিবস হিসেবে ২০১৭ সালের ১১ মার্চ জাতীয় সংসদে ঘোষণা অনুযায়ী দিনটি জাতীয় গণহত্যা দিবস হিসেবে পালন করছে বাংলাদেশ।

বিশিষ্ট রবীন্দ্র সঙ্গীত শিল্পী ও গবেষক সাগরিকা জামালী বলেন, ৭১’র সালের ২৫ মার্চ রাতের আঁধারে বাংলার নিরস্ত্র সাধারণ মানুষের ওপর ঝাপিয়ে পড়েছিল। তাদের নির্বিচার গণহত্যা বর্ণনা দেওয়া সম্ভব নয়।

পাকিস্তানি সেনাবাহিনী অপারেশন সার্চলাইটের নামে গণহত্যায় মেতে ওঠে। ইতিহাসের পরতে পরতে উপস্থিত গণহত্যার বর্ণনা। ৭১’র বাঙালি জাতি দীর্ঘদিনের বঞ্চনার অতীত মুছে যখন আত্মপরিচয়ের উৎসমুখের সন্ধানে ঐক্যবদ্ধ, ঠিক তখনই বর্বর পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ‘বিশ শতকের ইতিহাসের দ্বিতীয় বৃহত্তম এথনিক ক্লিনজিং’ (জাতিসত্বা র্নিমূল অভিযান) শুরু করে। মুক্তিযুদ্ধের একজন সংগঠকের সন্তান হিসাবে বাংলাদেশের গণহত্যাকে আন্তর্জাতিক গণহত্যার স্বীকৃতির দাবি করছি।

মুক্তিযুদ্ধের ৫২ বছর পর এখনো গণহত্যার স্বীকৃতির জন্য কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সরকার। কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংস্থা ও সংগঠন থেকেও সেই ভয়াবহ গণহত্যার স্বীকৃতি অবশ্য মিলেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লেমকিন ইনস্টিটিউট ফর জেনোসাইড প্রিভেনশন ১৯৭১ সালের গণহত্যার স্বীকৃতি দিয়েছে। সংস্থাটি জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে ওই গণহত্যার স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছে।

১৯৭১ সালের গণহত্যার স্বীকৃতি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দুই কংগ্রেসম্যানও। তারা যুক্তরাষ্ট্রের হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসে স্বীকৃতি দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে একটি আইন প্রস্তাবও উপস্থাপন করেছেন।

গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির লক্ষ্যে কানাডিয়ান মিউজিয়াম ফর হিউম্যান রাইটসে (সিএমএইচআর) আবেদন জানিয়েছে বাংলাদেশ। কানাডায় অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন এই আবেদন করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জাতীয় গণহত্যা দিবস

আপডেট সময় : ০৯:২৩:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ মার্চ ২০২৩

আলো নিভিয়ে শহীদদের স্মরণ করবে জাতি

গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির দাবি সর্বস্তরের মানুষ

 

অনিরুদ্ধ

পৃথিবীর ইতিহাসে ভয়ঙ্কর গণহত্যা সংগঠিত হয় ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে। অপারেশন সার্চলাইটের নামে হানাদার পাকিস্তানি সেনাবাহিনী রাতের অন্ধকারে নির্বাচার গণহত্যায় মেতে ওঠে।

পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে হত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ চালায়। পাশাপাশি বিভিন্ন স্থাপনা ধ্বংস করে দেয়। মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে লাখো মানুষকে হত্যা করা হয়, যা কিনা পৃথিবীর গণহত্যার ইতিহাসে অন্যতম।

কিন্তু ৭১’র ২৫ মার্চ এবং মুক্তিযুদ্ধকালীন ন’মাসে বাংলার মাটিতে সংঘটিত গণহত্যার স্বীকৃতি আন্তর্জাতিক নানা প্রতিষ্ঠান ও সংস্থা থেকে পাওয়া গেলেও রাষ্ট্রপুঞ্জ থেকে আজও আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবসের স্বীকৃতি মেলেনি।

২৫ মার্চকে জাতীয় গণহত্যা দিবস হিসেবে ২০১৭ সালের ১১ মার্চ জাতীয় সংসদে ঘোষণা অনুযায়ী দিনটি জাতীয় গণহত্যা দিবস হিসেবে পালন করছে বাংলাদেশ।

বিশিষ্ট রবীন্দ্র সঙ্গীত শিল্পী ও গবেষক সাগরিকা জামালী বলেন, ৭১’র সালের ২৫ মার্চ রাতের আঁধারে বাংলার নিরস্ত্র সাধারণ মানুষের ওপর ঝাপিয়ে পড়েছিল। তাদের নির্বিচার গণহত্যা বর্ণনা দেওয়া সম্ভব নয়।

পাকিস্তানি সেনাবাহিনী অপারেশন সার্চলাইটের নামে গণহত্যায় মেতে ওঠে। ইতিহাসের পরতে পরতে উপস্থিত গণহত্যার বর্ণনা। ৭১’র বাঙালি জাতি দীর্ঘদিনের বঞ্চনার অতীত মুছে যখন আত্মপরিচয়ের উৎসমুখের সন্ধানে ঐক্যবদ্ধ, ঠিক তখনই বর্বর পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ‘বিশ শতকের ইতিহাসের দ্বিতীয় বৃহত্তম এথনিক ক্লিনজিং’ (জাতিসত্বা র্নিমূল অভিযান) শুরু করে। মুক্তিযুদ্ধের একজন সংগঠকের সন্তান হিসাবে বাংলাদেশের গণহত্যাকে আন্তর্জাতিক গণহত্যার স্বীকৃতির দাবি করছি।

মুক্তিযুদ্ধের ৫২ বছর পর এখনো গণহত্যার স্বীকৃতির জন্য কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সরকার। কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংস্থা ও সংগঠন থেকেও সেই ভয়াবহ গণহত্যার স্বীকৃতি অবশ্য মিলেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লেমকিন ইনস্টিটিউট ফর জেনোসাইড প্রিভেনশন ১৯৭১ সালের গণহত্যার স্বীকৃতি দিয়েছে। সংস্থাটি জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে ওই গণহত্যার স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছে।

১৯৭১ সালের গণহত্যার স্বীকৃতি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দুই কংগ্রেসম্যানও। তারা যুক্তরাষ্ট্রের হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসে স্বীকৃতি দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে একটি আইন প্রস্তাবও উপস্থাপন করেছেন।

গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির লক্ষ্যে কানাডিয়ান মিউজিয়াম ফর হিউম্যান রাইটসে (সিএমএইচআর) আবেদন জানিয়েছে বাংলাদেশ। কানাডায় অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন এই আবেদন করেছে।