আন্তর্জাতিক শিশু ক্যান্সার দিবস
- আপডেট সময় : ০৮:৩৪:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ২৭২ বার পড়া হয়েছে
জিনগত পরিবর্তন, ভেজাল খাদ্য, বায়ুদূষণের মাত্রা বৃদ্ধিসহ নানা কারণে শিশুদের ক্যানসার বাড়ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, বাংলাদেশে প্রতি বছর দেড় লাখেরও বেশি মানুষ ক্যানসারে আক্রান্ত হচ্ছেন। তাদের মধ্যে ১০ হাজারের বেশি শিশু
নিজস্ব প্রতিনিধি
আপনার হাত ধরে ভালোভাবে বেঁচে থাকা সম্ভব (বেটার সারভাইভাল ইজ অ্যাচিভাবল, থ্রো দেয়ার হ্যান্ডস) স্লোগানকে সামরেখে বুধবার পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক শিশু ক্যান্সার দিবস। দিবস পালন উপলক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি রয়েছে।
বাংলাদেশে প্রতি বছর ১০ থেকে ১২ হাজার শিশু ক্যানসারে আক্রান্ত হচ্ছে। চিকিৎসার আওতায় আসছে মাত্র অর্ধেক শিশু। ক্যানসারের প্রকারভেদে ৫০ থেকে ৮০ শতাংশ চিকিৎসায় সুস্থ হয়। ক্যানসার আক্রান্ত প্রাপ্তবয়স্কদের চেয়ে শিশু ক্যানসার রোগীর চিকিৎসাব্যবস্থা অপ্রতুল হওয়ায় ভোগান্তি বাড়ছে।
জিনগত পরিবর্তন, ভেজাল খাদ্য, বায়ুদূষণের মাত্রা বৃদ্ধিসহ নানা কারণে শিশুদের ক্যানসার বাড়ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, বাংলাদেশে প্রতি বছর দেড় লাখেরও বেশি মানুষ ক্যানসারে আক্রান্ত হচ্ছেন। তাদের মধ্যে ১০ হাজারের বেশি শিশু।
জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউটে শিশুদের জন্য মাত্র ৪০টি বিছানা রয়েছে। চিকিৎসকরা বলছেন, গত এক বছরে নতুন-পুরোনো মিলিয়ে ১৩শ-এর বেশি শিশু চিকিৎসা নিয়েছে। সঠিক সময়ে চিকিৎসা নিয়ে ৫০ থেকে ৮০ শতাংশ শিশু সুস্থ হয়। সমস্যা হচ্ছে, শিশুরা ক্যানসার হলে অনেকে শুরুতে বুঝতে পারে না। অনেকে বিশ্বাসও করতে চায় না।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ক্যানসারে শিশু মৃত্যুর হার কমিয়ে আনতে বৈশ্বিক পদক্ষেপ ঘোষণা করেছে। যেখানে বলা হয়েছে, ২০৩০ সালের মধ্যে শিশুদের ক্যানসারে আক্রান্তের হার ৬০ ভাগ কমিয়ে আনতে হবে। সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে দেশে শিশু ক্যানসার বিশেষজ্ঞ রয়েছেন মাত্র ৫০ জন। অভিজ্ঞ নার্স ও টেকনিশিয়ান এবং ঢাকার বাইরে শিশু ক্যানসার চিকিৎসাসেবা অপ্রতুল।
চিকিৎসকদের মতে, শিশুদের ক্যানসার চিকিৎসা শহরমুখী। এর বিকেন্দ্রি কীকরণ করা গেলে রোগীর চাপ কমবে। তবে ক্যানসার চিকিৎসার প্রধান প্রতিবন্ধকতা আর্থিক। ফলে চিকিৎসা শুরু হলেও মাঝপথে চিকিৎসা তা বন্ধ হয়ে যায়।



















