Durgotsava: এবার নবীন-মন্ত্রে হবে জননী তোর উদ্বোধন
- আপডেট সময় : ০৯:২৫:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ ২৬৫ বার পড়া হয়েছে
ঢাকার একটি মন্দিরে প্রতিমা সাজাতে ব্যস্ত এক সাজ শিল্পী
অনিরুদ্ধ
দিন গণনায় আর মাত্র তিন দিন। কান পাতলেই শোনা যায়-
‘এবার নবীন-মন্ত্রে হবে জননী তোর উদ্বোধন
নিত্যা হয়ে রইবি ঘরে, হবে না তোর বিসর্জন’
বাংলার আকাশে-বাতাসে এমন বাণীই ধ্বনিত হচ্ছে। চারিদিকের আনন্দ আয়োজন বলে দিচ্ছে, উমা আসছে। বাংলাদেশে এবার পুজোর জোর প্রস্তুতি চলছে। ৩২ হাজার ১৬৮টি মণ্ডপ ও মন্দিরে চলছে পুজার মহা-আয়োজন। মাকে বরণের শেষ মুহূর্তে এসে চূড়ান্ত ব্যস্ততা চলছে মন্ডপে মমন্ডপে। ইতিহাস-ঐতিহ্য আর সম্প্রীতিকে সঙ্গী করে দুই বছর সার্বজনিন দুর্গোৎসব ঘিরে আনন্দ বন্যায় ভাসছে সনাতন ধর্মাবলম্বি মানুষ।
বাংলাদেশে দুর্গোৎসব হচ্ছে সার্বজনিন উৎসব। যেখানে সকল ধর্ম-বর্ণের মানুষ অংশ নিয়ে থাকে। এক সঙ্গে একই ছাদের তলায় এমন সম্প্রীতির মেলবন্ধন খুব কম দেশেই নজির রয়েছে।
বাংলাদেশ হচ্ছে উৎসবের দেশ। এখানে আবহমান কাল থেকেই হাজারো ধরণে উৎসবের প্রচলন রয়েছে। আধুনিকতায় অনেক কিছুই হারিয়ে গেলেও প্রাণের উসব শারদীয় দুর্গোৎসব নতুন প্রাণের সঞ্চার ঘটায়।
এবারে সকল পুজা মণ্ডপের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের অংশ হিসাবে সশস্ত্র আনসার মোতায়েন থাকবে। আধুনিকতার পৃথিবীর বহু উন্নত দেশে হিংসা- হানাহানি চরম রূপ নিলেও এই অঞ্চলে বিশেষ করে বাঙালিদের মাঝে যে সহিষ্ণুতা বিরাজমান তা বিরল।
এখানে একে অপরের যে কোন সমস্যায় সহযোগীর হাত বাড়ায়। বাংলার সংস্কৃতি সেই শিক্ষাই দেয়। সকল হানাহানি-মানুষিক দূরত্ব ঘুচিয়ে সর্বস্তরের মানুষকে এক ছাতার তলায় নিয়ে আসে উৎসব। সেই উৎসব সফলে হাত লাগায় সকলে। স্লোগান ওঠে ‘হাত বাড়ালেই বন্ধু, পা বাড়ালেই পথ’।





















