Rohingya camp : রোহিঙ্গা শিবিরে তিনমাসে ১২ খুন!
- আপডেট সময় : ০৮:১৫:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২২ ২৭৯ বার পড়া হয়েছে
ছবি সংগ্রহ
নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা
দিন যতই যাচ্ছে, আশ্রিত রোহিঙ্গা শিবিরে ততই রক্ত ঝরছে। নিত্যঘটনায় পরিণত হয়েছে খুন, মাদক ও অপহরণসহ মারাত্মক অপরাধ। গত পাঁচ দিনে শিবিরে স্বেচ্ছাসেবকসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার ভোরে উখিয়ার কুতুপালং শিবিরে দুর্বৃত্তরা এরশাদ নামের এক রোহিঙ্গাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুদ আনোয়ার এতথ্য নিশ্চিত করে বলেন, এ নিয়ে দুই দিনে দু’জন রোহিঙ্গা খুন হলো।
গত মঙ্গলবার রাতে উখিয়ার বালুখালী ক্যাম্পে রাতের পাহারায় থাকা মো. জাফার (৩৫) নামে এক রোহিঙ্গা স্বেচ্ছাসেবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ১৮ সেপ্টেম্বর টেকনাফ মৌচনী ক্যাম্পে ইলিয়াছ নামে এক রোহিঙ্গাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এসব ঘটনায় ক্যাম্পের বাসিন্দারা আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। রোহিঙ্গা শিবির এখন অপরাধের আতুর ঘর। সরকারের মাথা ব্যাথার অন্যতম কারণ এই আশ্রিত শিবির। শিবিরে মাথা চাড়া দিয়ে ওঠছে রোহিঙ্গাদেরই একটা গোষ্ঠী! কারা নেপথ্যের কারিগর? বিদ্রোহী রোহিঙ্গা গ্রুপগুলোর এধরণের কর্মকাণ্ডের ফলে শিবিরগুলোর নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে বলেও মনে করছেন স্বেচ্ছাসেবী রোহিঙ্গারা।
রাতে বেলা শিবিরে স্বেচ্ছায় রোহিঙ্গাদের পাহারা দেওয়ার পদ্ধতি চালু তা থাকলেও তা মেনে নিতে পারছে না বিদ্রোহী গ্রুপ। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের মতে যত দিন গড়াচ্ছে, রোহিঙ্গা শিবিরের অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ততটাই কঠিন হয়ে পড়ছে। আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) সহকারী পুলিশ সুপার (অপারেশন) মো. ফারুক আহমেদ সংবাদমাধ্যমকে জানান, উখিয়া-টেকনাফে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি শিবিরগুলোতে নিরাপত্তায় প্রায় ৪ হাজার রোহিঙ্গা স্বেচ্ছাসেবী রয়েছে। শিবিরভিত্তিক সন্ত্রাসীরা স্বেচ্ছাসেবিদের টার্গেট করে হত্যা করছে। পুলিশ জানায়, গত জুলাই থেকে মাত্র তিন মাসে রোহিঙ্গা শিবিরে খুন হয়েছে অন্তত ১২ জন। যার পাঁচ জন ছিল স্বেচ্ছাসেবক।





















