10 thousand fishing boats : সাগরে মৎস্য সম্পদ রক্ষায় ১০ হাজার নৌযান
- আপডেট সময় : ০৮:২৮:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মে ২০২২ ২৬১ বার পড়া হয়েছে
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
মৎস্য সম্পদ রক্ষায় আধুনিক প্রযুক্তি সমৃদ্ধ ১০ হাজার নৌযান নামবে সাগবে। এসব নৌযান সাগরে মৎস্য আহরণে থাকা মাছ ধরার ট্রলার শনাক্ত করতে সক্ষম। আগামী ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত ৬৫ দিন বাংলাদেশের সামুদ্রিক জলসীমায় মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ থাকবে। এনিয়ে বুধবার ঢাকার মৎস্য ভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এতথ্য জানান মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।
মন্ত্রী বলেন, সমুদ্রে মৎস্য নৌযান শনাক্তের জন্য ১০ হাজার নৌযানে শিগগিরই নতুন যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তি সংযুক্ত করা হচ্ছে। মৎস্য অধিদপ্ত কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন সাসটেইনেবল কোস্টাল এন্ড মেরিন ফিশারিজ প্রকল্পের আওতায় বাণিজ্যিক মৎস্য ট্রলারে ভেসেল মনিটরিং সিস্টেম (ভিএমএস) এবং আর্টিসানাল ও যান্ত্রিক মৎস্য নৌযানে যথাক্রমে অটোমেটিক আইডেনটিফিকেশন সিস্টেম (এআইএস) ও গ্লোবাল সিস্টেম ফর মোবাইল কমিউনিকেশন (জিএসএম) ব্যবস্থা সংযোজনের কাজ চলছে। এসব নৌযান সাগরে মৎস্য আহরোণে থাকা নৌযানকে শনাক্ত করা সম্ভব হবে। এ নৌযান আইন অমান্য করলে লাইসেন্স বাতিলসহ আইনানুগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিষিদ্ধকালে মোবাইল কোর্ট ও অন্যান্য অভিযানে চলবে। সমন্বিত প্রচেষ্টায় দেশের বিভিন্ন স্থানে ইলিশসহ অন্যান্য মাছের বিস্তার ঘটছে। একদিকে যেমন মাছ নিয়ে গবেষণা বাড়ছে তেমনি মাছের উৎপাদনও বৃদ্ধি পাচ্ছে। মৎস্যসম্পদ রক্ষায় সংশ্লিষ্টদের কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।
৬৫ দিন যে কোন প্রজাতির মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রক। উপকূলীয় বিভাগ চট্টগ্রাম, বরিশাল ও খুলনার ১৪ টি জেলার ৬৭ টি উপজেলা ও চট্টগ্রাম মহানগরে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। নিষিদ্ধকাল বাস্তবায়নকালে সমুদ্রগামী হালনাগাদকৃত ও নিবন্ধিত জেলেদের ভিজিএফ খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হবে।

























