ঢাকা ০১:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রফতানি ও এপার-ওপার যাতায়তে আয় গণঅভ্যুত্থানে শহীদ-আহতদের পরিবারের সঙ্গে তারেক রহমানের মতবিনিময় পোস্টাল ব্যালট নিয়ে পক্ষপাতের অভিযোগে নির্বাচন কমিশনের সামনে ছাত্রদলের অবস্থান বাংলাদেশ নিয়ম-ভিত্তিক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে সমর্থন করে: তৌহিদ হোসেন সন্তান হারা মায়ের বুকফাটা আর্তনাদ যেন হাজারো গুমের শিকার পরিবারের নীরব চিৎকার গোপালগঞ্জ-৩: প্রার্থিতা ফিরে পেলেন হিন্দু মহাজোটের গোবিন্দ প্রামানিক কাঁদছে জলহারা প্রমত্তা ব্রহ্মপুত্র, বুকে তার ধু ধু বালুচর ৫৬ পর্যবেক্ষক মোতায়েন, নির্বাচন পর্যবেক্ষণে  এখনই অতি সতর্কতার প্রয়োজন নেই: ইইউ ইরান ভেনেজুয়েলা নয়: ট্রাম্পের জন্য সহজ নয় জয়ের পথ গুমের শিকার পরিবারগুলোর পাশে তারেক রহমান, মানবিক আবেগে ভরা মতবিনিময় সভা

সাবমেরিন বিতর্ক: প্রথম বারের মতো বৈঠক ম্যাক্রোঁ-ব্লিংকেন

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:২১:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ অক্টোবর ২০২১ ২৯২ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সাবমেরিন বিতর্কের পর প্রথম বারের মতো বৈঠকে বসলেন যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশ মন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন ও ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। অস্ট্রেলিয়াকে পরমাণু-চালিত সাবমেরিন বিক্রি

করার কথা ছিল ফ্রান্সের। দু’দশের মধ্যে আলোচনা অনেক দূর এগিয়ে যায়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ফ্রান্সকে অন্ধকারে রেখে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য পরমাণু-চালিত সাবমেরিন নিয়ে একটি চুক্তি করে

অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে। এতেই ব্যাপক চটে যায় ফ্রান্স। আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়া থেকে রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পাঠানো হয়। পরে বাইডেন ফোনে কথা বলেন ম্যাক্রোঁর সঙ্গে। তাতে কিছুটা বরফ গলে।

ব্লিংকেন দু’দিনের সফরে ফ্রান্সে যান। তবে তার সঙ্গে ম্যাক্রোঁর বৈঠক হবে, তা আগে ঠিক ছিল না। ফলে এই বৈঠক অনেককেই অবাক করেছে। দুই নেতা ৪০ মিনিট ধরে কথা বলেন।

মার্কিন বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, দু’দেশের সহযোগিতা কী করে বাড়ানো যায়, তা নিয়েই কথা হয়েছে। ব্লিংকেন ম্যাক্রোঁকে জানিয়েছেন, ন্যাটোর গুরুত্ব না কমিয়ে নিজেদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইউরোপ যে উদ্যোগ নেবে, যুক্তরাষ্ট্র তাতে সমর্থন জানাবে।

ম্যাক্রোঁর অফিসও জানিয়েছে, এই বৈঠক হয়েছে। তারা বলেছে, ব্লিংকেনের সফরের ফলে দু’দেশের মধ্যে আবার আস্থা ফিরবে।

ম্যাক্রোঁ ও বাইডেনও চলতি মাসে বৈঠকে বসতে পারেন। তা নিয়েও দুই নেতার মধ্যে কথা হয়েছে। ব্লিংকেন ফ্রান্সের বিদেশ মন্ত্রীর সঙ্গেও বৈঠক করেছেন।

অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে আমেরিকা ও যুক্তরাজ্যের সাবমেরিন নিয়ে চুক্তির পর ফ্রান্স বলেছিল, তাদের পিছন থেকে ছুরি মারা হয়েছে।

তারপরই ম্যাক্রোঁ আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়া থেকে রাষ্ট্রদূতদের ডেকে পাঠান। বাইডেন প্রশাসন এরপর থেকেই বলে আসছে, এই পরিস্থিতি ভিন্নভাবে মোকাবিলা করা উচিত ছিল। আরও খোলাখুলি আলোচনা হলে সব পক্ষই উপকৃত হতো।

পরে বাইডেন ফোন করেন ম্যাক্রোঁকে। তিনি পদ্ধতিগত ভুল স্বীকার করে নেন। কিন্তু তারপরও ম্যাক্রোঁ বলেছেন, ইউরোপের উচিত নিজেদের নিরাপত্তা কৌশল নিজেরাই বসে ঠিক করা। সূত্র: ডয়েচে ভেলে

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সাবমেরিন বিতর্ক: প্রথম বারের মতো বৈঠক ম্যাক্রোঁ-ব্লিংকেন

আপডেট সময় : ০১:২১:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ অক্টোবর ২০২১

সাবমেরিন বিতর্কের পর প্রথম বারের মতো বৈঠকে বসলেন যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশ মন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন ও ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। অস্ট্রেলিয়াকে পরমাণু-চালিত সাবমেরিন বিক্রি

করার কথা ছিল ফ্রান্সের। দু’দশের মধ্যে আলোচনা অনেক দূর এগিয়ে যায়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ফ্রান্সকে অন্ধকারে রেখে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য পরমাণু-চালিত সাবমেরিন নিয়ে একটি চুক্তি করে

অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে। এতেই ব্যাপক চটে যায় ফ্রান্স। আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়া থেকে রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পাঠানো হয়। পরে বাইডেন ফোনে কথা বলেন ম্যাক্রোঁর সঙ্গে। তাতে কিছুটা বরফ গলে।

ব্লিংকেন দু’দিনের সফরে ফ্রান্সে যান। তবে তার সঙ্গে ম্যাক্রোঁর বৈঠক হবে, তা আগে ঠিক ছিল না। ফলে এই বৈঠক অনেককেই অবাক করেছে। দুই নেতা ৪০ মিনিট ধরে কথা বলেন।

মার্কিন বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, দু’দেশের সহযোগিতা কী করে বাড়ানো যায়, তা নিয়েই কথা হয়েছে। ব্লিংকেন ম্যাক্রোঁকে জানিয়েছেন, ন্যাটোর গুরুত্ব না কমিয়ে নিজেদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইউরোপ যে উদ্যোগ নেবে, যুক্তরাষ্ট্র তাতে সমর্থন জানাবে।

ম্যাক্রোঁর অফিসও জানিয়েছে, এই বৈঠক হয়েছে। তারা বলেছে, ব্লিংকেনের সফরের ফলে দু’দেশের মধ্যে আবার আস্থা ফিরবে।

ম্যাক্রোঁ ও বাইডেনও চলতি মাসে বৈঠকে বসতে পারেন। তা নিয়েও দুই নেতার মধ্যে কথা হয়েছে। ব্লিংকেন ফ্রান্সের বিদেশ মন্ত্রীর সঙ্গেও বৈঠক করেছেন।

অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে আমেরিকা ও যুক্তরাজ্যের সাবমেরিন নিয়ে চুক্তির পর ফ্রান্স বলেছিল, তাদের পিছন থেকে ছুরি মারা হয়েছে।

তারপরই ম্যাক্রোঁ আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়া থেকে রাষ্ট্রদূতদের ডেকে পাঠান। বাইডেন প্রশাসন এরপর থেকেই বলে আসছে, এই পরিস্থিতি ভিন্নভাবে মোকাবিলা করা উচিত ছিল। আরও খোলাখুলি আলোচনা হলে সব পক্ষই উপকৃত হতো।

পরে বাইডেন ফোন করেন ম্যাক্রোঁকে। তিনি পদ্ধতিগত ভুল স্বীকার করে নেন। কিন্তু তারপরও ম্যাক্রোঁ বলেছেন, ইউরোপের উচিত নিজেদের নিরাপত্তা কৌশল নিজেরাই বসে ঠিক করা। সূত্র: ডয়েচে ভেলে