২২ দিনে চট্টগ্রামে ২৫ জাহাজ থেকে বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি পণ্য খালাস
- আপডেট সময় : ০৯:৪৮:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬ ২১ বার পড়া হয়েছে
চলতি মার্চ মাসে চট্টগ্রাম বন্দর-এ জ্বালানি পণ্য খালাস কার্যক্রম স্বাভাবিক গতিতে অব্যাহত রয়েছে। মাসের প্রথম ২২ দিনের মধ্যেই মোট ২৫টি জ্বালানিবাহী জাহাজ থেকে বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি পণ্য খালাস সম্পন্ন হয়েছে, যা দেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে স্থিতিশীল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
বন্দরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই সময়ে আসা জাহাজগুলোর মধ্যে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি), অপরিশোধিত তেল (ক্রুড অয়েল), গ্যাস অয়েল, বেইস অয়েল, হাই সালফার ফুয়েল অয়েল (এইচএসএফও) এবং এমইজি (মনোইথিলিন গ্লাইকল) বহনকারী জাহাজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
সংখ্যার হিসেবে, ৬টি এলএনজি, ৬টি এলপিজি, ১টি ক্রুড অয়েল, ৫টি গ্যাস অয়েল, ২টি বেইস অয়েল, ৪টি এইচএসএফও এবং ১টি এমইজিবাহী জাহাজ থেকে খালাস সম্পন্ন হয়েছে।
বর্তমানে ওমান থেকে আসা এলপিজি সেভান নামের একটি জাহাজ থেকে এলপিজি গ্যাস খালাসের কাজ চলছে। অন্যদিকে থাইল্যান্ড থেকে বেইস অয়েল নিয়ে আসা এবি অলিভিয়া জাহাজটি বন্দরের বহির্নোঙরের ব্রাভো পয়েন্টে অবস্থান করছে।
এছাড়া বিডব্লিউইকে র্বনহোম ও মর্নিং জেইন নামে আরও দুটি জ্বালানিবাহী জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশ্যে পথে রয়েছে, যেগুলো ২৫ মার্চের মধ্যে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
বন্দরের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানিয়েছেন, মার্চ মাসে এ পর্যন্ত ২৫টি জাহাজ থেকে জ্বালানি খালাস সম্পন্ন হয়েছে এবং চলমান কার্যক্রমের পাশাপাশি নতুন জাহাজ আগমনের প্রক্রিয়াও অব্যাহত রয়েছে।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, অধিকাংশ জ্বালানিবাহী জাহাজ হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ হওয়ার আগেই ওই অঞ্চল অতিক্রম করেছে। ফলে বৈশ্বিক পরিস্থিতির প্রভাব সত্ত্বেও দেশের জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটেনি।
কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ওমান, ভারত, অস্ট্রেলিয়া, অ্যাঙ্গোলা ও থাইল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশ থেকে এসব জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে, যা দেশের জ্বালানি আমদানি উৎসের বৈচিত্র্যও তুলে ধরে।



















