ঢাকা ০৭:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ধর্মপাশায় বৃষ্টিতে স্বস্তি, প্রাণ ফিরে পেল বোরো আবাদ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ‘কৃষক কার্ড’ বিষয়ে বৈঠক সংস্কার পরিষদের সাংবিধানিক অস্তিত্ব নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইরানের প্রতিবেশীদের উসকে দিতে ‘ভুয়া ড্রোন’ কৌশল যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের কয়েকটি তেলের জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে, রেশনিং তুলে নেওয়ার ঘোষণা বহুদলীয় গণতন্ত্র ও ধর্মীয় মূল্যবোধ রক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর: তথ্যমন্ত্রী ইরানের প্রতি মানবিক সহমর্মিতা জানিয়ে পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে চীন মার্কিন হামলার পরও খারগ দ্বীপ থেকে তেল রপ্তানি অব্যাহত: ইরান ডলার নয়, ইউয়ানে লেনদেন হলে খুলতে পারে হরমুজ প্রণালি আমিরাতের জ্বালানি স্থাপনায় ইরানের হামলা

সিডনিতে বাংলাদেশি তরুণী হত্যায় স্বামীর ২১ বছর দণ্ড

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:১২:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৪ ১৬৫ বার পড়া হয়েছে

আরনিমা হায়াতছবি: সংগৃহীত

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে আরনিমা হায়াত নামের এক বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত তরুণী হত্যার দায়ে তাঁর স্বামীকে সাড়ে ২১ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার দেশটির উচ্চ আদালত এ আদেশ দেন।

অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যমগুলো জানায়, ২০২২ সালের জানুয়ারিতে সিডনিতে আরনিমাকে (১৯) হত্যা করে তাঁর লাশ অ্যাসিডভর্তি বাথটাবে ফেলে রেখে চলে যান স্বামী মিরাজ জাফর (২৩)। ওই ঘটনার প্রায় ২০ ঘণ্টা পর পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন তিনি।

অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরনিমা হায়াতকে হত্যার দায়ে তাঁর স্বামী মিরাজ জাফরকে ২১ বছর ৬ মাস কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট। সিডনিতে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ডেবোরাহ সুইনি আজ বৃহস্পতিবার এ রায় ঘোষণা করেন।

সুপ্রিম কোর্টের রায় ঘোষণার আগে হত্যাকারী মিরাজ জাফরকে ভার্চ্যুয়ালি আদালতে হাজির করা হয়। শাস্তির রায় শুনে তিনি মাথায় হাত দিয়ে নিজের পায়ের দিতে তাকিয়ে থাকেন।

আরনিমার মা–বাবা এ সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণার সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন তাঁরা। বাবা আবু হায়াত হত্যাকারীর উদ্দেশে বলেন, ‘তুমি আমার মেয়েকে হত্যা করেছ, আমরা ভবিষ্যৎ ধ্বংস করে দিয়েছ, আমার পরিবারকে তছনছ করে দিয়েছ।’

পরিবারের অমতে মিরাজ জাফরকে বিয়ে করেন আরনিমা হায়াত। আরনিমা সন্তানসম্ভবা ছিলেন। আরনিমার বাবা আবু হায়াত ও মা মাহাফুজা হায়াত ২০০৬ সালে অস্ট্রেলিয়ায় আসেন। তাঁদের মূল বাড়ি বাংলাদেশের মুন্সিগঞ্জে। আরনিমা ওয়েস্টার্ন সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাবিজ্ঞানের শিক্ষার্থী ছিলেন। এর আগে সিডনির একটি স্কুল থেকে মাধ্যমিক শেষ করেন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সিডনিতে বাংলাদেশি তরুণী হত্যায় স্বামীর ২১ বছর দণ্ড

আপডেট সময় : ০৯:১২:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৪

 

অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে আরনিমা হায়াত নামের এক বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত তরুণী হত্যার দায়ে তাঁর স্বামীকে সাড়ে ২১ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার দেশটির উচ্চ আদালত এ আদেশ দেন।

অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যমগুলো জানায়, ২০২২ সালের জানুয়ারিতে সিডনিতে আরনিমাকে (১৯) হত্যা করে তাঁর লাশ অ্যাসিডভর্তি বাথটাবে ফেলে রেখে চলে যান স্বামী মিরাজ জাফর (২৩)। ওই ঘটনার প্রায় ২০ ঘণ্টা পর পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন তিনি।

অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরনিমা হায়াতকে হত্যার দায়ে তাঁর স্বামী মিরাজ জাফরকে ২১ বছর ৬ মাস কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট। সিডনিতে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ডেবোরাহ সুইনি আজ বৃহস্পতিবার এ রায় ঘোষণা করেন।

সুপ্রিম কোর্টের রায় ঘোষণার আগে হত্যাকারী মিরাজ জাফরকে ভার্চ্যুয়ালি আদালতে হাজির করা হয়। শাস্তির রায় শুনে তিনি মাথায় হাত দিয়ে নিজের পায়ের দিতে তাকিয়ে থাকেন।

আরনিমার মা–বাবা এ সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণার সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন তাঁরা। বাবা আবু হায়াত হত্যাকারীর উদ্দেশে বলেন, ‘তুমি আমার মেয়েকে হত্যা করেছ, আমরা ভবিষ্যৎ ধ্বংস করে দিয়েছ, আমার পরিবারকে তছনছ করে দিয়েছ।’

পরিবারের অমতে মিরাজ জাফরকে বিয়ে করেন আরনিমা হায়াত। আরনিমা সন্তানসম্ভবা ছিলেন। আরনিমার বাবা আবু হায়াত ও মা মাহাফুজা হায়াত ২০০৬ সালে অস্ট্রেলিয়ায় আসেন। তাঁদের মূল বাড়ি বাংলাদেশের মুন্সিগঞ্জে। আরনিমা ওয়েস্টার্ন সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাবিজ্ঞানের শিক্ষার্থী ছিলেন। এর আগে সিডনির একটি স্কুল থেকে মাধ্যমিক শেষ করেন তিনি।