শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর নির্বাচন করতে সেনাবাহিনীর সহায়তা প্রয়োজন: ড. ইউনূস
- আপডেট সময় : ০৩:০১:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫ ৭০ বার পড়া হয়েছে
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, উৎসবমুখর ও আনন্দমুখর পরিবেশে আয়োজন করতে সেনাবাহিনীর সহায়তা অত্যন্ত প্রয়োজন। বুধবার (১৯ নভেম্বর) দুপুরে মিরপুর সেনানিবাসের ডিফেন্স সার্ভিস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ (ডিএসসিএসসি) অডিটোরিয়ামে আয়োজিত কোর্স–২০২৫-এর গ্র্যাজুয়েশন সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশসহ ২৪ দেশের তরুণ সামরিক কর্মকর্তাদের হাতে সনদ তুলে দেন প্রধান উপদেষ্টা। গ্র্যাজুয়েশন সেরিমনির বক্তব্যে তিনি বলেন, ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া জাতীয় নির্বাচনের জন্য দেশবাসী বহুদিন ধরে অপেক্ষা করছে। এই নির্বাচনকে একটি সত্যিকারের শান্তিপূর্ণ, উৎসবমুখর এবং আনন্দময় জাতীয় আয়োজনে রূপ দিতে সেনাবাহিনীর পূর্ণ সহযোগিতা প্রয়োজন। তিনি বলেন, “দেশের এই গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে সেনাবাহিনীর সহায়তা নির্বাচনকে সফল ও গ্রহণযোগ্য করতে বড় ভূমিকা রাখবে।
বক্তব্যের এক পর্যায়ে ড. ইউনূস জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সেনাবাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করে বলেন, “সেনাবাহিনী সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। তাদের ভূমিকা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।” তিনি আরও জানান, দেশের সংকটময় মুহূর্তে সেনাবাহিনীর দায়িত্বশীল ভূমিকা জাতিকে নতুন আস্থার জায়গা দিয়েছে।
এবারের কোর্সে বাংলাদেশ, চীন, ভারত, তুরস্ক ও পাকিস্তানসহ ২৪টি দেশের মোট ৩১১ জন তরুণ সামরিক কর্মকর্তা অংশ নেন। আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন এই প্রশিক্ষণ কোর্স সম্পর্কে অংশগ্রহণকারী কর্মকর্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, অর্জিত জ্ঞান ভবিষ্যতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা এবং সংকট মোকাবিলায় কাজে লাগবে।
কোর্সে অংশ নেওয়া এক বাংলাদেশি কর্মকর্তা বলেন, ডিএসসিএসসিতে নেতৃত্ব, কৌশল ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিষয়ে যেসব অভিজ্ঞতা অর্জন করা হয়েছে, তা যেকোনো জাতীয় সংকট মোকাবিলায় বড় সহায়ক হবে। আরেক কর্মকর্তা বলেন, প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্য সময়োপযোগী এবং জাতীয় দায়িত্ব পালনে তাদের উৎসাহিত করবে।
চীনের এক কর্মকর্তা জানান, ডিএসসিএসসি আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণের মান বজায় রেখেছে এবং ২৩ দেশের সহকর্মীদের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা পারস্পরিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় করেছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা আশা প্রকাশ করেন, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এসব অফিসাররা ভবিষ্যতে নিজ নিজ দেশের সার্বিক নিরাপত্তা, উন্নয়ন এবং প্রয়োজনীয় জাতীয় দায়িত্বে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।



















