ঢাকা ০২:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাষ্ট্র পরিচালনার একমাত্র মানদণ্ড হবে আইনের শাসন: প্রধানমন্ত্রী রমজানে ভেজাল খাদ্যের ছড়াছড়ি: সিন্ডিকেট ভাঙতে ১৫ দফা নাগরিক দাবি ভাষার মাসের আবেগ ও চেতনা ২৫ ফেব্রুয়ারি শুরু অমর একুশে বইমেলা রোজায় পুরো মাস বন্ধ স্কুল, বৃহস্পতিবার থেকে কার্যকর জাতীয় স্বার্থ ‘পাই পাই করে’ নিশ্চিত করা হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ‘মব কালচারের দিন শেষ, আইনের শাসনই হবে একমাত্র পথ’: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দরিদ্র বাড়িয়ে বিদায় দারিদ্র্যের জাদুকরের স্থিতিশীলতার আভাস, ভেতরে ঝুঁকি রয়ে গেছে: গভর্নরের সতর্কবার্তা পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতির অবসান চান অর্থমন্ত্রী জাতীয় স্মৃতিসৌধে  প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

রমজানে ভেজাল খাদ্যের ছড়াছড়ি: সিন্ডিকেট ভাঙতে ১৫ দফা নাগরিক দাবি

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা
  • আপডেট সময় : ১০:২৩:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ২০ বার পড়া হয়েছে

রমজানে ভেজাল খাদ্যের ছড়াছড়ি: সিন্ডিকেট ভাঙতে ১৫ দফা নাগরিক দাবি

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পবিত্র রমজানকে সামনে রেখে নিত্যপণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি, ভেজাল ও অনিরাপদ খাদ্যের বিস্তার রোধে সিন্ডিকেট নির্মূলসহ ১৫ দফা দাবি জানিয়েছে একাধিক নাগরিক সংগঠন। তারা বলছে, শুধু অভিযানে নয়—স্থায়ী বাজার মনিটরিং, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে কার্যকর কাঠামো এবং জনসচেতনতা জরুরি।

বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাব-এ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি তুলে ধরে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা), কনজুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব), বিসেফ ফাউন্ডেশনশিক্ষা স্বাস্থ্য উন্নয়ন কার্যক্রম (শিসউক)। ‘পবিত্র রমজানে খাদ্যদ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি, নিরাপদতা ও ঝুঁকি মোকাবেলায় নাগরিক দাবি’ শীর্ষক এ আয়োজনের সভাপতিত্ব করেন বাপা’র সভাপতি অধ্যাপক নুর মোহাম্মদ তালুকদার।

সংগঠনগুলোর দাবি, রোজায় ব্যবহৃত পণ্যের দাম পরিকল্পিতভাবে বাড়াতে সক্রিয় থাকে বাজার সিন্ডিকেট। তাই সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ, প্রত্যেক বাজারে ‘নিরাপদ কৃষকের বাজার’ চালু, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা এবং ভ্রাম্যমাণ আদালত জোরদার করতে হবে।

এছাড়া ফল পাকাতে ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার, কৃত্রিম রং মেশানো ইফতার সামগ্রী বিক্রি বন্ধ, খাদ্যপণ্যে পুষ্টিমান দৃশ্যমানভাবে উল্লেখ, ঝুঁকিপূর্ণ ১০টি কীটনাশক নিষিদ্ধ এবং একক জানালা ভিত্তিক ডিজিটাল খাদ্য ব্যবসা নিবন্ধন ও লাইসেন্সিং পোর্টাল চালুর দাবি জানানো হয়।

বক্তারা বলেন, দেশে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৫৮ শতাংশে পৌঁছেছে। প্রায় ১৮ কোটি মানুষের দৈনিক বিপুল খাদ্যবাজারের বড় অংশ এখন অনিরাপদ ও অসাধু ব্যবসায়ীদের নিয়ন্ত্রণে। ইফতার প্রস্তুত ও বিক্রিতে স্বাস্থ্যবিধি বাধ্যতামূলক করা এবং বছরব্যাপী গণমাধ্যমে সচেতনতা বৃদ্ধির ওপরও জোর দেওয়া হয়।

তাদের মতে, এখনই সমন্বিত ও কঠোর ব্যবস্থা না নিলে জনস্বাস্থ্য ও অর্থনীতি দীর্ঘমেয়াদে বড় ঝুঁকিতে পড়বে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

রমজানে ভেজাল খাদ্যের ছড়াছড়ি: সিন্ডিকেট ভাঙতে ১৫ দফা নাগরিক দাবি

আপডেট সময় : ১০:২৩:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পবিত্র রমজানকে সামনে রেখে নিত্যপণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি, ভেজাল ও অনিরাপদ খাদ্যের বিস্তার রোধে সিন্ডিকেট নির্মূলসহ ১৫ দফা দাবি জানিয়েছে একাধিক নাগরিক সংগঠন। তারা বলছে, শুধু অভিযানে নয়—স্থায়ী বাজার মনিটরিং, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে কার্যকর কাঠামো এবং জনসচেতনতা জরুরি।

বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাব-এ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি তুলে ধরে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা), কনজুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব), বিসেফ ফাউন্ডেশনশিক্ষা স্বাস্থ্য উন্নয়ন কার্যক্রম (শিসউক)। ‘পবিত্র রমজানে খাদ্যদ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি, নিরাপদতা ও ঝুঁকি মোকাবেলায় নাগরিক দাবি’ শীর্ষক এ আয়োজনের সভাপতিত্ব করেন বাপা’র সভাপতি অধ্যাপক নুর মোহাম্মদ তালুকদার।

সংগঠনগুলোর দাবি, রোজায় ব্যবহৃত পণ্যের দাম পরিকল্পিতভাবে বাড়াতে সক্রিয় থাকে বাজার সিন্ডিকেট। তাই সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ, প্রত্যেক বাজারে ‘নিরাপদ কৃষকের বাজার’ চালু, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা এবং ভ্রাম্যমাণ আদালত জোরদার করতে হবে।

এছাড়া ফল পাকাতে ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার, কৃত্রিম রং মেশানো ইফতার সামগ্রী বিক্রি বন্ধ, খাদ্যপণ্যে পুষ্টিমান দৃশ্যমানভাবে উল্লেখ, ঝুঁকিপূর্ণ ১০টি কীটনাশক নিষিদ্ধ এবং একক জানালা ভিত্তিক ডিজিটাল খাদ্য ব্যবসা নিবন্ধন ও লাইসেন্সিং পোর্টাল চালুর দাবি জানানো হয়।

বক্তারা বলেন, দেশে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৫৮ শতাংশে পৌঁছেছে। প্রায় ১৮ কোটি মানুষের দৈনিক বিপুল খাদ্যবাজারের বড় অংশ এখন অনিরাপদ ও অসাধু ব্যবসায়ীদের নিয়ন্ত্রণে। ইফতার প্রস্তুত ও বিক্রিতে স্বাস্থ্যবিধি বাধ্যতামূলক করা এবং বছরব্যাপী গণমাধ্যমে সচেতনতা বৃদ্ধির ওপরও জোর দেওয়া হয়।

তাদের মতে, এখনই সমন্বিত ও কঠোর ব্যবস্থা না নিলে জনস্বাস্থ্য ও অর্থনীতি দীর্ঘমেয়াদে বড় ঝুঁকিতে পড়বে।