মোবাইল, ইলেক্ট্রিক পর্দায় দীর্ঘক্ষণ কাটালে শিশুর ক্ষতি: গবেষণা
- আপডেট সময় : ০৯:৫৮:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ২৭৯ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
আপনার শিশু কি দীর্ঘক্ষণ মোবাইল বা কার্টুন দেখছে। ভিডিও দেখার প্রতি প্রবল আগ্রহ? তাহলে এখন থেকেই সর্তক হতে হবে। শিশুদের দীর্ঘ সময় মোবাইল, ভিডিও এবং কার্টুন দেখে সময় পার করলে তাদের দেহের ওপর নানা ধরণের প্রভাব পড়ে।
জাপানের শিশুদের নিয়ে এক গবেষণায় বলা হয়েছে, ১ বছর বয়সী শিশুরা ইলেকট্রনিক পর্দায় বেশি সময় কাটালে দুই থেকে চার বছর বয়সে তাদের যোগাযোগ দক্ষতার ও সমস্যা সমাধানে দক্ষতার উন্নতি বিলম্বিত হয়। কম বয়সী শিশু বেশি সময় ধরেই ইলেকট্রনিক পর্দায় চোখ রাখলে শিশুর বিকাশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়-গবেষণায় তা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। এ বিষয়ে পরিবারের সদস্যদের সচেতন ও সতর্ক হওয়া উচিৎ।
শিশুরা টেলিভিশন দেখে, ভিডিওতে খেলা করে বা কম্পিউটারের পর্দায় ও মুঠোফোনে কার্টুনসহ নানা কিছু দেখে সময় কাটায়। এ নিয়ে অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা রয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে খুব কম বয়সী শিশুদের ইলেকট্রনিক পর্দায় সময় কাটানো নিয়ে অনেক বেশি কথা হচ্ছে। গবেষণা বলছে, শিশুরা বেশি সময় ধরে ইলেকট্রনিক পর্দায় চোখ রাখলে বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়।
২০১৩ সালের জুলাই থেকে ২০১৭ সালের মার্চ পর্যন্ত জাপানের দুটি এলাকায় ৫০টি ক্লিনিকে সেবা নিতে আসা ২৩ হাজার ১৩০ জন মা এবং সমানসংখ্যক শিশুকে এই গবেষণায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। চূড়ান্ত পর্যায়ে সাত হাজার ৯৭ জন মা ও তাদের শিশুদের তথ্য গবেষণার বিশ্লেষণে কাজে লাগানো হয়েছিল। গবেষণার তথ্য বিশ্লেষণ শেষ হয়েছে ২০২৩ সালের মার্চে। এই গবেষণার তথ্য নিয়ে একটি প্রবন্ধ গত মাসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রকাশিত জার্নাল অব অ্যামেরিকান মেডিকেল এসোসিয়েশন-এ ছাপা হয়েছে।
এক বছর বয়সী শিশুদের নিয়ে গবেষণাটি শুরু হয়েছিল। এই শিশুদের বয়স যখন দুই ও চার বছর হয়েছিল তখন তাদের মানসিক বিকাশ পরিমাপ ও পর্যালোচনা করা হয়েছিল। বিকাশের ক্ষেত্রে পাঁচটি বিষয় দেখা হয়েছিল: যোগাযোগ, হাঁটা-চলার মতো পেশী সঞ্চালন, জিনিসপত্র ধরা বা ছবি আকার মতো পেশী সঞ্চালন, বিচার বিবেচনা এবং ব্যক্তিগত ও সামাজিক দক্ষতা।
প্রাথিমক পর্যায়ে গবেষকেরা শিশুর মায়েদের একটি প্রশ্ন করেছিলেন: একটি সাধারণ দিনে আপনি আপনার শিশুকে টেলিভিশন দেখতে বা ভিডিওতে খেলতে, কম্পিউটারে বা মুঠোফোনের পর্দায় কতটা সময় চোখ রাখতে দেন? পাঁচ ধরনের উত্তর দেওয়ার সুযোগ ছিল: কোনো সুযোগ দিই না, এক ঘণ্টার কম, এক ঘণ্টার বেশি তবে দুই ঘণ্টার কম, দুই ঘণ্টার বেশি তবে চার ঘণ্টার কম এবং প্রতিদিন চার ঘণ্টা বা চার ঘণ্টার বেশি সময়।



















